বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম | মাত্র ২ মিনিটে শিখুন

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা বর্তমানে অনেক ব্যবহারকারীর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কিছু সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করে আপনি নিরাপদে এবং ঘরে বসে টাকা লেনদেন করতে পারবেন, যা অপ্রয়োজনীয় সমস্যা থেকে আপনাকে রক্ষা করবে।

বিকাশ-থেকে-রকেটে-টাকা-ট্রান্সফার-করার-নিয়ম

তবে অনেকেই ট্রান্সফারের সঠিক প্রক্রিয়া, খরচ এবং সম্ভাব্য সমস্যা সম্পর্কে অবগত নন। তাই এই পোস্টে আমরা ধাপে ধাপে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করব, যা জানার মাধ্যমে আপনার টাকা ট্রান্সফারের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।

পেজ সূচিপত্রঃ বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম | মাত্র ২ মিনিটে শিখুন

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম?

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম সুন্দর ভাবে করতে হলে প্রথমে আপনার মোবাইল ফোন চালু করুন এবং ইন্টারনেট সংযোগ চালু করুন। তারপর বিকাশ অ্যাপে যান এবং আপনার মোবাইল নম্বর এবং পিন দিয়ে লগইন করুন।
বিকাশ-থেকে-রকেটে-টাকা-ট্রান্সফার-করার-নিয়ম
লগইন করার পর অ্যাপের সব অপশন ভালোভাবে দেখে নিন এবং উপলব্ধ সেবা অনুযায়ী পরবর্তী ধাপে যান। বিকাশ ও রকেট আলাদা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হওয়ায় সরাসরি আন্তঃসেবা টাকা স্থানান্তরের সুবিধা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট সেবার চালু থাকা সুবিধার ওপর।তাই বিকাশ থেকে রকেট একাউন্টে টাকা পাঠানোর নিয়ম জানার আগে আপনার অ্যাপে এই সুবিধা আছে কি না তা নিশ্চিত করা জরুরি। যদি আপনার অ্যাপে অন্য ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা সংক্রান্ত ট্রান্সফার অপশন দেখা যায়, তাহলে সেটিতে প্রবেশ করুন।
বিকাশ-থেকে-রকেটে-টাকা-ট্রান্সফার-করার-নিয়ম
এরপর রকেট অ্যাকাউন্টের নম্বর, প্রয়োজনীয় তথ্য এবং টাকার পরিমাণ সতর্কতার সঙ্গে লিখুন। মোবাইল ব্যাংকিং টাকা পাঠানোর পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ করলে লেনদেনে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।সব তথ্য দেওয়ার পর আবার ভালোভাবে যাচাই করুন এবং নিশ্চিত হলে আপনার বিকাশ পিন দিয়ে লেনদেন সম্পন্ন করুন। সফলভাবে টাকা পাঠানো হলে আপনার ফোনে একটি নিশ্চিতকরণ বার্তা চলে আসবে।
বিকাশ-থেকে-রকেটে-টাকা-ট্রান্সফার-করার-নিয়ম
ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা ব্যবহারের সময় কখনোই নিজের পিন বা ব্যক্তিগত তথ্য অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করবেন না। অনেক ব্যবহারকারী বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠানোর চার্জ, লেনদেনের সীমা এবং সময় সম্পর্কে জানতে চান।
বিকাশ-থেকে-রকেটে-টাকা-ট্রান্সফার-করার-নিয়ম


এসব তথ্য সময় অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে, তাই সর্বশেষ তথ্য অফিসিয়াল অ্যাপ বা সাপোর্ট থেকে জেনে নেওয়া ভালো। নিরাপদ মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনের জন্য সব সময় তথ্য যাচাই করে লেনদেন সম্পন্ন করুন।সবশেষে বলা যায়, বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম অনুসরণ করার সময় ধৈর্য ধরে প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করতে হবে। সঠিক তথ্য ব্যবহার করে লেনদেন করলে ডিজিটাল অর্থ লেনদেন আরও সহজ ও নিরাপদ হবে।
নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য এই গাইড মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার করার উপায় বুঝতে সহায়ক হবে। যেকোনো টাকা পাঠানোর আগে প্রাপকের নম্বর ও টাকার পরিমাণ শেষবারের মতো যাচাই করুন।ভুল তথ্য দিয়ে লেনদেন করলে পরে সমস্যা হতে পারে। তাই বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম ভালোভাবে বুঝে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠাতে কী কী লাগে?

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠাতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস প্রস্তুত থাকতে হয়। এগুলো ঠিক না থাকলে লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।প্রথমে আপনার একটি সচল বিকাশ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে যেখানে টাকা পাঠানোর জন্য পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকবে। অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই ভেরিফাইড এবং সক্রিয় অবস্থায় থাকতে হবে।

এরপর যে রকেট নম্বরে টাকা পাঠাবেন সেই নম্বরটি সঠিকভাবে জানা জরুরি। এক অঙ্ক ভুল হলে টাকা অন্য একাউন্টে চলে যেতে পারে।একটি স্মার্টফোন এবং ভালো ইন্টারনেট সংযোগ থাকা দরকার। ধীর ইন্টারনেট থাকলে ট্রানজেকশন আটকে যেতে পারে বা ভুল দেখাতে পারে।বিকাশ অ্যাপ ইনস্টল করা থাকতে হবে এবং সেখানে লগইন করার জন্য আপনার মোবাইল নম্বর ও পিন দরকার হবে।
এই পিনই আপনার লেনদেন নিরাপদ রাখে।সবশেষে আপনার বিকাশ পিন নম্বর অবশ্যই দরকার হবে। তাই পিন সবসময় গোপন রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।সংক্ষেপে বলতে গেলে, বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠাতে লাগে একটি সচল বিকাশ অ্যাকাউন্ট, সঠিক রকেট নম্বর, স্মার্টফোন, ইন্টারনেট এবং বিকাশ পিন। এগুলো ঠিক থাকলেই আপনি সহজে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠানোর শর্তাবলী?

বিকাশের মাধ্যমে রকেটে টাকা পাঠানোর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার। এগুলো সঠিকভাবে পালন না করলে লেনদেন সফল হবে না।
  • সবচেয়ে প্রথমে, আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্ট কার্যকর এবং পুরোপুরি যাচাইকৃত হতে হবে। অগ্রহণযোগ্য বা সীমিত অ্যাকাউন্ট থেকে বড় লেনদেন করা সম্ভব নয়।
  • দ্বিতীয়ত, আপনার অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকা আবশ্যক। পাঠানোর জন্য পরিকল্পিত অর্থ এবং চার্জ মিলিয়ে মোট পরিমাণ অ্যাকাউন্টে বিদ্যমান থাকতে হবে।
  • তৃতীয়ত, সঠিক রকেট নম্বরের ব্যবহার করুন। ভুল নম্বর দিলে অর্থ ভুল অ্যাকাউন্টে চলে যেতে পারে এবং তা ফেরত পাওয়া মুশকিল হয়।
  • চতুর্থত, আপনার মোবাইল ফোনে সক্রিয় ইন্টারনেট সংযোগ এবং বিকাশ অ্যাপ থাকতে হবে ইনস্টল। কারণ পুরো লেনদেন অনলাইনে সম্পন্ন হয়।
  • পঞ্চমত, বিকাশ পিন সঠিকভাবে প্রয়োগ করুন। প্রতিটি ট্রান্সফার অনুমোদনের জন্য এই পিন আবশ্যক এবং এটি ছাড়া কোন লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
সবশেষে, কিছু ক্ষেত্রে দৈনিক লেনদেনের সীমা বা স্থানান্তর সীমা কার্যকর হতে পারে। তাই বড় পরিমাণ অর্থ পাঠানোর আগে এই সীমা সম্পর্কে জানি রাখা ভালো।

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠানোর সুবিধা?

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠানোর সুবিধা হলো এটা খুব দ্রুত এবং সহজে করা যায়। ঘরে বসেই মোবাইল ফোন দিয়ে টাকা পাঠানো যায়। তাই ব্যাংকে যেতে হয় না।এই পদ্ধতিতে সময় কম লাগে। লেনদেন কয়েক মিনিটেই হয়ে যায়। জরুরি সময়ে টাকা দ্রুত পাঠানো যায়।আরেকটি বড় সুবিধা হলো নিরাপত্তা। বিকাশ পিন ঠিকমতো ব্যবহার করলে লেনদেন নিরাপদ থাকে। অনুমতি ছাড়া কেউ টাকা পাঠাতে পারে না।
বিকাশ-থেকে-রকেটে-টাকা-ট্রান্সফার-করার-নিয়ম

বিকাশ এবং রকেট দুটোই জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। দেশের যেকোনো জায়গা থেকে সহজেই টাকা লেনদেন করা যায়। দূরের মানুষের কাছেও টাকা দ্রুত পৌঁছে যায়।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো ২৪ ঘণ্টা সেবা পাওয়া যায়। ব্যাংকের মতো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। যেকোনো সময় লেনদেন করা যায়।সব মিলিয়ে এটি একটি দ্রুত, সহজ এবং নিরাপদ ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের মাধ্যম। এটি ব্যবহারকারীদের জীবনকে আরও সহজ করে তোলে।

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠানোর অসুবিধা?

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠানোর সুবিধা হলো এটা খুব দ্রুত এবং সহজে করা যায়। ঘরে বসেই মোবাইল ফোন দিয়ে টাকা পাঠানো যায়। তাই ব্যাংকে যেতে হয় না।এই পদ্ধতিতে সময় কম লাগে। লেনদেন কয়েক মিনিটেই হয়ে যায়। জরুরি সময়ে টাকা দ্রুত পাঠানো যায়।আরেকটি বড় সুবিধা হলো নিরাপত্তা। বিকাশ পিন ঠিকমতো ব্যবহার করলে লেনদেন নিরাপদ থাকে। অনুমতি ছাড়া কেউ টাকা পাঠাতে পারে না।বিকাশ এবং রকেট দুটোই জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। 

দেশের যেকোনো জায়গা থেকে সহজেই টাকা লেনদেন করা যায়। দূরের মানুষের কাছেও টাকা দ্রুত পৌঁছে যায়।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো ২৪ ঘণ্টা সেবা পাওয়া যায়। ব্যাংকের মতো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। যেকোনো সময় লেনদেন করা যায়।সব মিলিয়ে এটি একটি দ্রুত, সহজ এবং নিরাপদ ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের মাধ্যম। এটি ব্যবহারকারীদের জীবনকে আরও সহজ করে তোলে।

বিকাশ থেকে অন্য মোবাইল ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম?

বিকাশ থেকে রকেটে সরাসরি টাকা পাঠানোর এখনো কোনো সোজা উপায় নেই। অর্থাৎ, বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি রকেট নম্বরে টাকা স্থানান্তর করা সম্ভব নয়। কিন্তু কিছু সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করে আপনি এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করতে পারবেন।জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে সবচেয়ে আধিক্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যবহার। যদি আপনার বিকাশ এবং রকেট উভয় একই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত থাকে, তবে প্রথমে বিকাশ থেকে সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর করতে হবে। 
তারপর, সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে রকেট অ্যাকাউন্টে টাকা যোগ করা যাবে। এভাবে, ধাপে ধাপে কাজ করলে মোবাইল ব্যাংকিং থেকে অন্যটিতে অর্থ স্থানান্তর ঘটে।আরেকটি উপায় হলো এজেন্ট বা ক্যাশ পয়েন্ট ব্যবহার করা। বিকাশ থেকে টাকা নগদ করে নিন এবং পরে সেই টাকা রকেট এজেন্ট বা ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে আপনার রকেট অ্যাকাউন্টে জমা করুন। এই পদ্ধতিতে কিছু সময় লাগতে পারে, কিন্তু এটি সহজ এবং যেকোনো স্থানে করা সম্ভব।সব মিলিয়ে বললে, বিকাশ থেকে রকেটে সরাসরি অর্থ স্থানান্তর সম্ভব নয়, তাই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা নগদ আউট-ডিপোজিট পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকরী উপায়।

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠাতে কত খরচ হয়?

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠানোর সময় একটি নির্দিষ্ট চার্জ নেই। চার্জটি টাকা পাঠানোর পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। বিকাশ অ্যাপ বা বিকাশের অন্যান্য পদ্ধতি ব্যবহার করে টাকা পাঠালে সাধারণত একটি ছোট ট্রানজ্যাকশন ফি কাটা হয়। এই ফি টাকার একটি শতাংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়, যা ০.৫ শতাংশ থেকে ১.৮৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়াও ভ্যাট যোগ হতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে, ব্যাংক ট্রান্সফার বা নির্দিষ্ট পার্টনার চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠালে খরচ একটু কম বা বেশি হতে পারে। অফার বা প্রমোশন থাকলে কিছু সময় ফি কমে যেতে পারে। তাই, বিকাশ অ্যাপে টাকা পাঠানোর আগে কনফার্মেশন স্ক্রিনে ঠিক কত টাকা চার্জ কাটা হবে তা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।সব মিলিয়ে, বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠাতে খুব বেশি খরচ হয় না, কিন্তু পুরোপুরি ফ্রি নয়। ফি সবসময় ট্রানজ্যাকশনের পরিমাণ ও ব্যবহৃত পদ্ধতির উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠানোর সময়সীমা?

বিকাশের মাধ্যমে রকেটে তাকা প্রেরণ করা খুব দ্রুত হয়ে থাকে।বেশিরভাগ সময়ে টাকা তাত্ক্ষণিকভাবে বা কিছু মিনিটের মধ্যে চলে যায়।বাংলাদেশে বর্তমানে বিকাশ, রকেট, নগদ - এই ধরনের অনেক মোবাইল সেবা পরস্পরের সাথে সংযুক্ত।এই কারণে টাকা ট্রান্সফার করা অনেক দ্রুত হয়ে উঠেছে।
যদি ইন্টারনেট সঠিকভাবে কাজ করে এবং লেনদেনটি সফল হয়, তবে টাকা ১ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে রকেট অ্যাকাউন্টে জমা হয়।কিছু ক্ষেত্রে সামান্য সময় লাগতে পারে।যেমন যখন সার্ভার ব্যস্ত থাকে কিংবা ইন্টারনেটের সমস্যা হয়।সে সময়টা ১ থেকে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত নেয়।কিন্তু এটা খুবই বিরল ঘটে।অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, টাকা পাঠানোর পর বিকাশ অ্যাপে প্রদর্শিত স্ট্যাটাসটিই চূড়ান্ত।যদি "সফলতা" প্রমাণ করে, তবে সাধারণত রকেটে অর্থ আসে।

রকেট থেকে কিভাবে টাকা পাঠানো যায়?

রকেটের মাধ্যমে টাকা পাঠানো অত্যন্ত সহজ। টাকা পাঠানোর জন্য যে স্থানে পাঠাতে চান তার ওপর ভিত্তি করে পদ্ধতি পরিবর্তিত হয়।রকেট অ্যাপ বা USSD কোডের সাহায্যে অন্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো একটি সাধারণ পদ্ধতি।রকেট থেকে বিকাশ বা অন্য নম্বরে টাকা পাঠানোর জন্য আপনার রকেট অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে। এরপর “টাকা পাঠান” বা “টাকা স্থানান্তর” অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। তারপর যাকে টাকা পাঠাতে চান তার মোবাইল নম্বর দিতে হবে, পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে এবং পিন দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে। 
সব ঠিক থাকলে সঙ্গে সঙ্গেই ট্রান্সফার সম্পন্ন হয়।যদি আপনি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর করতে চান, তবে “ব্যাংক ট্রান্সফার” বিকল্পটি বেছে নিতে হয়। সেখানকার ব্যাংকের নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, পরিমাণ এবং রেফারেন্স দিয়ে পিন নিশ্চিত করলে টাকা চলে যায়।রকেট থেকে সাধারণত দ্রুত ট্রান্সফার হয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়। তবে ব্যাংক ট্রান্সফারে মাঝে মাঝে সময় বেশি লাগতে পারে।সবশেষে একটি কথা, টাকা পাঠানোর আগে নম্বর বা অ্যাকাউন্ট নম্বরটি সঠিক আছে কিনা ভালোভাবে যাচাই করা দরকার, কারণ একবার পাঠালেও ভুল হলে ফেরত নেওয়া কঠিন হয়।

মানি অর্ডার করে টাকা পাঠাতে কত সময় লাগে?

ডাক বিভাগের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণের সময় এটি একই এলাকার মধ্যে অথবা ভিন্ন জেলায় পাঠানোর উপর নির্ভর করে।একই জেলার মধ্যে টাকা পাঠালে অনেক সময় এক দিনের মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়, এমনকি কখনও কখনও একই দিনে পৌঁছাতে পারে যদি প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। সাধারণত এটি এক থেকে দুই দিন লাগে।অন্যদিকে, যদি একটি জেলা থেকে অন্য জেলায় অর্থ পাঠানো হয়, তাহলে সময় কিছুটা বেশি নিবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দুই থেকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে অর্থ পৌঁছে যায়। 
বিকাশ-থেকে-রকেটে-টাকা-ট্রান্সফার-করার-নিয়ম

কিছু ক্ষেত্রে, ডাক বিভাগের ওপর চাপ বেশি হলে অথবা ছুটির দিন পড়লে তিন থেকে চার দিন লাগতেও পারে।বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের মানি অর্ডার সিস্টেম এখন পূর্বের তুলনায় অনেক দ্রুত, তবে এটি এখনো বিকাশ-রকেটের মতো তাৎক্ষণিক নয়।সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, টাকা পাঠানোর পর আপনি একটি রসিদ গ্রহণ করেন, এবং প্রাপক সাধারণত তার নিকটস্থ ডাক অফিস থেকে বা ডাক বিভাগের মারফত টাকা গ্রহণ করে।

বিকাশে রেমিটেন্স পাঠানোর নিয়ম কী?

বিকাশে রেমিটেন্স প্রেরণের মানে হল বিদেশ থেকে আসা টাকা সরাসরি বিকাশ অ্যাকাউন্টে অথবা ক্যাশ আউটের মাধ্যমে বাংলাদেশে গ্রহণ করা। এই ব্যবস্থাটি মূলত রেমিটেন্স পার্টনারদের মাধ্যমে পরিচালিত, তাই বিকাশ অ্যাপে আলাদা করে “বিদেশ থেকে টাকা পাঠান” অপশন ব্যবহার করা সম্ভব নয়, বরং অনুমোদিত চ্যানেল ব্যবহার করা প্রয়োজন।বিদেশে অবস্থানরত প্রেরকের জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হলো bKash Limited-এর রেমিটেন্স পার্টনার যেমন Western Union, MoneyGram, Ria, Wise ইত্যাদির মাধ্যমে টাকা পাঠানো।
এখানে প্রেরককে আপনার বিকাশ নম্বর, নাম এবং দেশের বিস্তারিত জানাতে হয়। টাকা পাঠানোর পর তা সরাসরি আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে জমা হয় বা আপনি ক্যাশ আউট করতে পারেন।অন্য একটি পদ্ধতি হচ্ছে ব্যাংক থেকে বিকাশ রেমিটেন্স। বিদেশ থেকে টাকা আগে বাংলাদেশি ব্যাংকে পৌঁছায়, তারপরে ওই ব্যাংক থেকে বিকাশে যুক্ত হয়ে আপনার মোবাইল নম্বরে টাকা চলে আসে। এই ক্ষেত্রে সাধারণত রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা অপরিহার্য।টাকা পাওয়ার সময় সাধারণত দ্রুত ঘটে। অনেক সময় কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিকাশে টাকা চলে আসে। 

কিন্তু ব্যাংক রুট হলে ১ থেকে ২ কার্যদিবসও সময় লাগতে পারে।অবশেষে মনে রাখতে হবে, রেমিটেন্স গ্রহণের জন্য আপনার বিকাশ নম্বরে অবশ্যই সক্রিয় থাকতে হবে এবং নামটি যেন প্রেরকের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মিলে, তাহলে কোনো সমস্যা হয় না।

শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম। এই প্রক্রিয়াটা এখন অনেক সহজ হয়েছে কারণ বাংলাদেশে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসগুলো একে অপরের সাথে ইন্টারঅপারেবল সিস্টেমে যুক্ত। বিকাশ অ্যাপ থেকে আপনি সরাসরি রকেট নম্বরে টাকা পাঠাতে পারেন। এজন্য প্রথমে বিকাশ অ্যাপ খুলে “Send Money” অপশন সিলেক্ট করতে হবে, তারপর রকেটের মোবাইল নম্বর, টাকার পরিমাণ লিখে পিন দিয়ে কনফার্ম করলেই ট্রান্সফার সম্পন্ন হয়। সাধারণত কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিটের মধ্যেই টাকা রকেট অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়।

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম। এই ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে অবশ্যই সঠিক নম্বর ব্যবহার করা জরুরি, কারণ ভুল নম্বরে টাকা গেলে সেটি ফেরত পাওয়া কঠিন হতে পারে। ট্রান্সফার করার আগে বিকাশ অ্যাপে যে কনফার্মেশন স্ক্রিন আসে সেখানে চার্জ এবং মোট কাটার পরিমাণ দেখানো হয়, সেটি ভালোভাবে দেখে নিতে হয়। সফল ট্রানজেকশনের পর “Successful” স্ট্যাটাস দেখালে বুঝতে হবে টাকা রকেট অ্যাকাউন্টে চলে গেছে।

আপনি যদি এই ধরনের মোবাইল ব্যাংকিং, টাকা ট্রান্সফার, অনলাইন ইনকাম বা প্রযুক্তি বিষয়ক আরও সহজ গাইড পড়তে চান, তাহলে ভিজিট করতে পারেন ইনফোনেস্ট আইটি। সেখানে নিয়মিতভাবে সহজ ভাষায় প্রযুক্তি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়, যা নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই উপকারী।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url