কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলব? ভুল এড়িয়ে সফল হন
কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলবেন ,প্রশ্নটি অনেক নতুন ব্লগার এবং কনটেন্ক্রিয়েটরদের মনে ঘুরছে। কিন্তু শুধু অ্যাকাউন্ট খোলার চেষ্টা করলে চলবে না। শুরু
থেকেই সঠিক উপায়ে করলে গুগল এডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে
যায়।
এই লেখায় আমরা ধাপে ধাপে দেখাবো কিভাবে একটি গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট খুলতে
হয়। আমরা এটাও আলোচনা করবো আবেদন করার আগে কি কি প্রস্তুতি নিতে হবে এবং কোন
ভুলগুলো এড়িয়ে চললে আপনার গুগল এডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।
পেজ সূচিপত্রঃ কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলব? ভুল এড়িয়ে সফল হন
- কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলব?
- গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার সম্পূর্ণ নিয়ম?
- এডসেন্স একাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?
- গুগল এডসেন্স আবেদন করার সঠিক উপায়?
- এডসেন্স একাউন্ট ভেরিফাই করার নিয়ম?
- একটি মোবাইল দিয়ে এডসেন্স একাউন্ট খোলা?
- এডসেন্স অনুমোদন পেতে কী করতে হবে?
- এডসেন্স আবেদন করার আগে করণীয় কী?
- এডসেন্স একাউন্ট খোলার সাধারণ ভুলগুলো?
- গুগল এডসেন্স থেকে আয় করার উপায়?
- গুগল এডসেন্স কিভাবে কাজ করে?
- এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত ?
কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলব?
কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলব? প্রথমে একটি সক্রিয় জিমেইল অ্যাকাউন্ট
এবং একটি ওয়েবসাইট, ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে। এরপর আপনার মোবাইল বা
কম্পিউটারে ব্রাউজার খুলে গুগলে গুগল এডসেন্স লিখে সার্চ করুন। অফিসিয়াল
এডসেন্স ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন এবং সাইন আপ বাটনে ক্লিক করুন। এখন আপনার
জিমেইল অ্যাকাউন্ট নির্বাচন করুন এবং আপনার ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ ইউআরএল
লিখুন। যদি ওয়েবসাইট না থাকে, তাহলে ইউটিউবের মাধ্যমেও আবেদন করা যায়।
এরপর আপনার দেশ নির্বাচন করুন, শর্তাবলীতে সম্মতি দিয়ে স্টার্ট ইউজিং
এডসেন্স বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আপনার এডসেন্স ড্যাশবোর্ড খুলে যাবে। এখানে
প্রথমেই পেমেন্টস বা পেমেন্টস ইনফো অংশে গিয়ে আপনার নাম, ঠিকানা, পোস্টাল
কোড এবং মোবাইল নম্বর ঠিকভাবে পূরণ করুন।এরপর সাইটস অপশনে গিয়ে আপনার
ওয়েবসাইট যোগ করুন। গুগল একটি এইচটিএমএল কোড দেবে, সেটি আপনার ওয়েবসাইটের
হেড অংশে বসিয়ে সেভ করুন। তারপর আবার এডসেন্সে ফিরে রিকোয়েস্ট রিভিউ অথবা
ভেরিফাই অপশনে ক্লিক করুন।
গুগল কয়েক দিনের মধ্যে আপনার সাইট পর্যালোচনা করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে
অ্যাকাউন্ট অনুমোদন হয়ে যাবে এবং বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু করতে পারবেন। গুগল
এডসেন্স একাউন্ট খোলার প্রক্রিয়ায় সঠিক তথ্য ব্যবহার করা এবং গুগলের
নীতিমালা মেনে আবেদন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এতে অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা
অনেক বেড়ে যায়। যদি শুরু থেকেই প্রতিটি ধাপ মনোযোগ দিয়ে অনুসরণ করেন,
তাহলে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন।
গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার সম্পূর্ণ নিয়ম?
গুগল এডসেন্স অ্যাকাউন্ট খোলার আগে আপনার কাছে কিছু জিনিস থাকা দরকার। আপনার
একটি সক্রিয় জিমেইল অ্যাকাউন্ট এবং একটি ওয়েবসাইট, ব্লগ অথবা একটি যোগ্য
ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে। তারপর আপনি মোবাইল বা কম্পিউটারের যেকোনো ব্রাউজার
খুলে গুগল এডসেন্স লিখে সার্চ করুন। গুগলের অফিসিয়াল এডসেন্স ওয়েবসাইটে
প্রবেশ করুন। সেখানে গেট স্টার্টেড বাটনে ক্লিক করে আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট
দিয়ে সাইন ইন করুন।
লগইন করার পর আপনার ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ ইউআরএল লিখুন। তারপর দেশ হিসেবে
বাংলাদেশ বা আপনি যে দেশে থাকেন সেটি নির্বাচন করুন। আপনি চাইলে এডসেন্স থেকে
ইমেইল আপডেট পাওয়ার অপশন চালু রাখতে পারেন। তারপর শর্তাবলি পড়ে সম্মতি
দিয়ে স্টার্ট ইউজিং এডসেন্স বাটনে ক্লিক করুন।এরপর আপনার এডসেন্স অ্যাকাউন্ট
তৈরি হয়ে যাবে এবং ড্যাশবোর্ড খুলবে। এখন পেমেন্টস বা পেমেন্টস প্রোফাইল
অংশে গিয়ে আপনার পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পোস্টাল কোড এবং মোবাইল নম্বর সঠিকভাবে
পূরণ করুন।
আপনি যে তথ্য দেবেন, তা অবশ্যই আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ব্যাংক
অ্যাকাউন্টের তথ্যের সঙ্গে মিল থাকতে হবে। ভুল তথ্য দিলে ভবিষ্যতে পরিচয়
যাচাই বা পেমেন্ট নেওয়ার সময় সমস্যা হতে পারে।এরপর সাইটস মেনুতে গিয়ে যোগ
করুন অপশনে ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইট যোগ করুন। গুগল আপনাকে একটি এইচটিএমএল
কোড দেবে। সেই কোডটি কপি করে আপনার ওয়েবসাইটের হেড অংশে যুক্ত করুন। আপনি
যদি ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন, তাহলে হেডার অ্যান্ড ফুটার কোড প্লাগইনের
মাধ্যমেও কোডটি সহজে যুক্ত করতে পারবেন।
কোড যোগ করার পর আবার এডসেন্স ড্যাশবোর্ডে ফিরে রিভিউ অথবা ভেরিফাই বাটনে
ক্লিক করুন।
এরপর গুগল আপনার ওয়েবসাইট পর্যালোচনা করবে। সাধারণত কয়েক দিন থেকে কয়েক
সপ্তাহের মধ্যে রিভিউ সম্পন্ন হয়। যদি আপনার ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন
মৌলিক কনটেন্ট, প্রয়োজনীয় পেজ এবং গুগলের নীতিমালা অনুসরণ করা থাকে, তাহলে
অ্যাকাউন্ট অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। অনুমোদনের পর বিজ্ঞাপন
চালু করে আয় শুরু করতে পারবেন।
এডসেন্স একাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?
অনেকেই মনে করে যে গুগল এডসেন্স অ্যাকাউন্ট খুলতে অনেক কষ্ট বা বিশেষ কিছু
ডকুমেন্ট লাগে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে, যখন আমি প্রথমবার AdSense-এর জন্য
আবেদন করি, তখন বুঝতে পারি যে বিষয়টি আসলে এতটা কঠিন নয়। যদি প্রয়োজনীয়
জিনিসগুলো প্রস্তুত থাকে, তাহলে পুরো প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ হয়ে যায় এবং
মাঝপথে বারবার থেমে যেতে হয় না।
প্রথমেই, আপনার একটি সক্রিয় জিমেইল অ্যাকাউন্ট লাগবে। সম্ভব হলে নতুন জিমেইল
না ব্যবহার করে কিছুদিন ধরে ব্যবহার করছেন এমন একটি জিমেইল ব্যবহার করুন।
এরপর লাগবে একটি ওয়েবসাইট, ব্লগ বা গুগল-এর নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্য ইউটিউব
চ্যানেল। যদি ওয়েবসাইট দিয়ে আবেদন করেন, তাহলে সেখানে অবশ্যই নিজের লেখা
মানসম্পন্ন কনটেন্ট থাকতে হবে। অন্যের লেখা কপি করা বা অসম্পূর্ণ কনটেন্ট
থাকলে অনুমোদন পাওয়া কঠিন হতে পারে।
এরপর আপনার মোবাইল নম্বর, সঠিক ঠিকানা এবং দেশের তথ্য প্রস্তুত রাখুন। এই
তথ্যগুলো পরে পেমেন্ট প্রোফাইল তৈরি এবং পরিচয় যাচাইয়ের সময় কাজে লাগবে।
আমি সব সময় একটি পরামর্শ দিই যে নাম ও ঠিকানা দেবেন, সেটি যেন আপনার জাতীয়
পরিচয়পত্র বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্যের সঙ্গে মিল থাকে। এতে ভবিষ্যতে কোনো
ঝামেলায় পড়তে হবে না।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনার ওয়েবসাইটে প্রাইভেসি পলিসি, অ্যাবাউট
আস এবং কনট্যাক্ট আস পেজ থাকা উচিত। অনেক নতুন ব্লগার এই বিষয়টি গুরুত্ব দেন
না, কিন্তু গুগল একটি ওয়েবসাইট রিভিউ করার সময় এসব বিষয়ও দেখে। তাই আবেদন
করার আগে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে সবকিছু একবার মিলিয়ে নিন। আমার অভিজ্ঞতায়,
শুরুতেই এই ছোট ছোট বিষয়গুলো ঠিক রাখলে পরে AdSense আবেদন করা অনেক সহজ হয়
এবং অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
গুগল এডসেন্স আবেদন করার সঠিক উপায়?
অনেকেই দ্রুত AdSense-এর জন্য আবেদন করে পরে হতাশ হন। কারণ আবেদন করার আগে
তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রস্তুত করেন না। আমার পরামর্শ হলো, প্রথমে
ওয়েবসাইট ঠিক করুন। তারপর আবেদন করুন। তাহলে একই পরিশ্রমে অনুমোদন পাওয়ার
সম্ভাবনা বেড়ে যায়।প্রথমে ব্রাউজার দিয়ে Google AdSense ওয়েবসাইটে যান।
Get Started বাটনে ক্লিক করুন। এরপর যে Gmail অ্যাকাউন্ট দিয়ে AdSense
ব্যবহার করবেন, সেটি দিয়ে লগ ইন করুন।
এখন ওয়েবসাইটের পুরো ঠিকানা লিখুন। দেশ বেছে নিন। শর্তগুলো মেনে নিয়ে Start
Using AdSense-এ ক্লিক করুন। এতে AdSense অ্যাকাউন্ট তৈরি হবে।এরপর
ড্যাশবোর্ডে গিয়ে Sites এ যান। ওয়েবসাইট যোগ করুন। Google একটি HTML কোড
দেবে। সেই কোড কপি করে ওয়েবসাইটের সেকশনে যোগ করুন। কোড ঠিকঠাক যোগ করার পর
আবার AdSense ড্যাশবোর্ডে গিয়ে Request Review বাটনে ক্লিক করুন। এতে Google
আপনার ওয়েবসাইট পর্যালোচনার জন্য আবেদন গ্রহণ করবে।
কিন্তু আবেদন করার আগে একটা বিষয় নিজে দেখে নিন। ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত ভালো
লেখা আছে কি না, About Us, Contact Us এবং Privacy Policy পেজ আছে কি না, সব
লিংক কাজ করছে কি না এবং ওয়েবসাইট মোবাইল ও কম্পিউটার দুই-ই ঠিকমতো দেখাচ্ছে
কি না। এগুলো ঠিক থাকলে Google-এর রিভিউ প্রক্রিয়া সহজ হয়।আমার অভিজ্ঞতা
থেকে বলছি, AdSense-এ সফল হওয়ার মূল কথা হলো তাড়াহুড়ো না করা। আবেদন করার
আগে ওয়েবসাইট ভালো করে পরীক্ষা করুন। সব তথ্য ঠিকঠাক পূরণ করুন। তাহলে
অপ্রয়োজনীয় ভুলে আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। তাই আবেদন করার আগে
সবকিছু একবার দেখে নেওয়াই ভালো।
এডসেন্স একাউন্ট ভেরিফাই করার নিয়ম?
অ্যাকাউন্ট তৈরি করা মানেই সব কাজ শেষ হয়ে গেছে - এই ভুল ধারণা অনেকেই করে
থাকে। কিন্তু আসলে, অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করা হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আমি
নিজেও প্রথমবার AdSense ব্যবহার করার সময় এটা বুঝতে দেরি করেছিলাম। পরে
বুঝেছি, সঠিকভাবে ভেরিফিকেশন না করলে বিজ্ঞাপন দেখানো বা পেমেন্ট পাওয়ার
সময় সমস্যা হতে পারে।
তাই, অ্যাকাউন্ট তৈরি হওয়ার পর প্রথমে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন। যদি আপনার
ওয়েবসাইট এখনো ভেরিফাই না হয়ে থাকে, তাহলে সাইটস মেনুতে গিয়ে আপনার যোগ
করা ওয়েবসাইটটি নির্বাচন করুন। এরপর Google যে কোড দেবে, সেটি কপি করে আপনার
ওয়েবসাইটের মাথায় যুক্ত করুন। কোড যোগ করার পর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন
এবং আবার AdSense-এ ফিরে Verify বা Request Review বাটনে ক্লিক করুন। Google
কোডটি শনাক্ত করতে পারলেই আপনার ওয়েবসাইট যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ওয়েবসাইট ভেরিফিকেশনের পাশাপাশি Google অনেক সময় ফোন নম্বর, ইমেইল অথবা
পরিচয়পত্র যাচাই করার অনুরোধ করতে পারে। তখন ড্যাশবোর্ডে যে নির্দেশনা
দেখাবে, সেটি অনুসরণ করলেই হবে। পরিচয় যাচাইয়ের সময় অবশ্যই নিজের আসল তথ্য
ব্যবহার করুন এবং এমন পরিচয়পত্র আপলোড করুন, যেখানে নাম ও ঠিকানা আপনার
AdSense অ্যাকাউন্টের তথ্যের সঙ্গে মিলে। তথ্যে অমিল থাকলে ভেরিফিকেশন
সম্পন্ন হতে দেরি হতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঠিকানা যাচাই। আপনার আয় নির্ধারিত সীমায়
পৌঁছালে Google আপনার দেওয়া ঠিকানায় একটি PIN পাঠায়। সেই PIN হাতে পাওয়ার
পর AdSense-এর Payments সেকশনে গিয়ে PIN নম্বরটি লিখে সাবমিট করলেই ঠিকানা
যাচাই হয়ে যাবে। আমার পরামর্শ থাকবে, অ্যাকাউন্ট খোলার সময়ই নাম ও ঠিকানা
নির্ভুলভাবে লিখুন। এতে পরে PIN বা পরিচয় যাচাইয়ের সময় কোনো ঝামেলায়
পড়তে হবে না এবং নির্ধারিত সময়ে সহজেই পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন।
একটি মোবাইল দিয়ে এডসেন্স একাউন্ট খোলা?
অনেকে মনে করে যে Google AdSense অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
দরকার। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, একটি ভালো স্মার্টফোন দিয়েই এই
কাজটি করা সম্ভব। আমি নিজেও মোবাইল দিয়েই আমার AdSense অ্যাকাউন্টের অনেক
কাজ করেছি। শুধু প্রতিটি ধাপ মনোযোগ সহকারে অনুসরণ করতে হবে।প্রথমে, Google
Chrome ব্রাউজার খুলুন এবং Google AdSense লিখে সার্চ করুন। তারপর অফিসিয়াল
AdSense ওয়েবসাইটে যান।
যদি মোবাইল ভিউতে সবকিছু সঠিকভাবে না দেখায়, তাহলে Chrome-এর ডান পাশের
তিনটি ডটে ট্যাপ করে Desktop site অপশনটি চালু করুন। এতে ওয়েবসাইটটি
কম্পিউটারের মতো দেখাবে এবং সব অপশন ব্যবহার করা সহজ হবে।এরপর, Get Started
বাটনে ট্যাপ করে আপনার Gmail অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন। তারপর আপনার
ওয়েবসাইটের URL, দেশ নির্বাচন করুন এবং শর্তাবলীতে সম্মতি দিয়ে Start Using
AdSense অপশনে ট্যাপ করুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার AdSense ড্যাশবোর্ড খুলে
যাবে।এখন, Sites অপশনে গিয়ে আপনার ওয়েবসাইট যোগ করুন। যদি Google একটি HTML
কোড দেয়, তাহলে সেটি কপি করে আপনার ওয়েবসাইটের <head> অংশে যুক্ত
করুন।
যদি আপনি WordPress ব্যবহার করেন, তাহলে মোবাইল থেকেই Header & Footer
Code প্লাগইন বা থিমের সেটিংস ব্যবহার করে এই কাজটি করা যায়। কোড যুক্ত করার
পর, আবার AdSense-এ ফিরে Request Review বাটনে ট্যাপ করুন।আমার পরামর্শ হলো,
মোবাইল দিয়ে কাজ করার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না। প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে দেখে
পূরণ করুন এবং সাবমিট করার আগে একবার মিলিয়ে নিন। সঠিকভাবে ধাপগুলো অনুসরণ
করলে, শুধুমাত্র একটি স্মার্টফোন ব্যবহার করেই Google AdSense অ্যাকাউন্ট
খুলতে এবং আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।
এডসেন্স অনুমোদন পেতে কী করতে হবে?
আমি অনেক নতুন ব্লগারকে দেখেছি, ওয়েবসাইট তৈরি করার কিছু দিনের মধ্যেই
AdSense-এর জন্য আবেদন করে দেন। পরে তাদের আবেদন বাতিল হলে, তারা ভাবেন
Google হয়তো কোনো কারণ ছাড়াই তাদের আবেদন অনুমোদন করেনি। কিন্তু আসলে
Google সবসময় ওয়েবসাইটের গুণমান, তথ্যের মান, এবং নীতিগুলো মেনে চলছে কিনা
সেটা ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখে। তাই আবেদন করার আগে কিছু বিষয় প্রস্তুত করা
খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমত, আপনার ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত তথ্যবহুল বিষয়বস্তু প্রকাশ করুন। অন্য
ওয়েবসাইট থেকে লেখা কপি করা বা AI-এর লেখা কোনো পরিবর্তন ছাড়া প্রকাশ করা
থেকে বিরত থাকুন। প্রতিটি প্রবন্ধ এমনভাবে লিখুন যাতে পাঠকরা উপকৃত হন। About
Us, Contact Us এবং Privacy Policy পেজ তৈরি করে রাখুন। এগুলো ছোট বিষয় মনে
হলেও Google-এর কাছে আপনার ওয়েবসাইটকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।এরপর, আপনার
ওয়েবসাইটের প্রতিটি পেজ নিজে ভালো করে দেখুন। কোনো ভাঙা লিংক, খালি পেজ, ছবি
লোড না হওয়া বা অপ্রয়োজনীয় সমস্যা আছে কিনা সেগুলো ঠিক করে নিন।
একই সাথে নিশ্চিত করুন যে আপনার ওয়েবসাইট মোবাইল এবং কম্পিউটার দুটি
ডিভাইসেই দ্রুত এবং ঠিকভাবে ওপেন হচ্ছে। কারণ ব্যবহারকারীর ভালো অভিজ্ঞতাও
AdSense অনুমোদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।আরেকটি বিষয় আমি
সবসময় গুরুত্ব দিই সেটি হলো ধৈর্য্য। আবেদন করার পর বারবার নতুন আবেদন
পাঠানো বা অপ্রয়োজনীয় পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। Google আপনার ওয়েবসাইট
পর্যালোচনা করার জন্য কিছু সময় নেয়। এই সময়ে নতুন এবং মানসম্পন্ন
বিষয়বস্তু প্রকাশ করতে থাকুন এবং ওয়েবসাইট নিয়মিত আপডেট রাখুন।
আমার অভিজ্ঞতায় AdSense অনুমোদন পাওয়ার কোনো গোপন কৌশল নেই। আপনি যদি নিজের
ওয়েবসাইটে মানসম্পন্ন বিষয়বস্তু প্রকাশ করেন, সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদন করেন
এবং Google-এর নীতিগুলো মেনে চলেন তাহলে অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে
যায়। তাই শর্টকাট খোঁজার পরিবর্তে একটি ভালো এবং বিশ্বাসযোগ্য ওয়েবসাইট
তৈরির দিকে মনোযোগ দিন।
এডসেন্স আবেদন করার আগে করণীয় কী?
আমার মতে, গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার আগে আপনার ওয়েবসাইটটি ভালো করে
চেক করা উচিত। অনেকেই সবকিছু ঠিক না করেই আবেদন করেন, পরে ছোট ভুলের কারণে
আবেদন বাতিল হয়ে যায়। অথচ আগে থেকেই কিছু বিষয় নিশ্চিত করলে এই সমস্যা
এড়ানো যায়।প্রথমে দেখুন আপনার ওয়েবসাইটে ভালো এবং পর্যাপ্ত আর্টিকেল আছে
কি না। প্রতিটি লেখা যেন পাঠকের সমস্যার সমাধান দেয় এবং অন্য ওয়েবসাইট থেকে
কপি করা না হয়।
আমি সবসময় চেষ্টা করি এমন লেখা প্রকাশ করতে যা পড়ে পাঠক নতুন কিছু শিখতে
পারে। কারণ গুগল এমন ওয়েবসাইটকে বেশি গুরুত্ব দেয় যা ব্যবহারকারীদের জন্য
মূল্য তৈরি করে।এরপর দেখুন আপনার ওয়েবসাইটে About Us, Contact Us এবং
Privacy Policy পেজ আছে কি না। এছাড়াও ওয়েবসাইটের সব মেনু, ক্যাটাগরি এবং
লিংক ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, সেটিও চেক করুন। কোনো পেজে Error দেখালে বা
লিংক কাজ না করলে আবেদন করার আগে সেটি ঠিক করে ফেলুন। ছোট মনে হলেও এসব বিষয়
আপনার ওয়েবসাইটের মান সম্পর্কে গুগলকে ভালো ধারণা দেয়।
এরপর ওয়েবসাইটটি মোবাইল এবং কম্পিউটার দুই ডিভাইস থেকেই খুলে দেখুন। পেজ
দ্রুত লোড হচ্ছে কি না, ছবি ঠিকভাবে দেখা যাচ্ছে কি না এবং লেখাগুলো পড়তে
কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না, সেগুলো চেক করুন। যদি কোনো সমস্যা চোখে পড়ে, তাহলে
আবেদন করার আগে সেটি সমাধান করুন। কারণ একটি ব্যবহারবান্ধব ওয়েবসাইট অনুমোদন
পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
সবশেষে, অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে যে নাম, ঠিকানা এবং অন্যান্য তথ্য দেবেন,
সেগুলো ভালো করে মিলিয়ে নিন। আমি কখনোই তাড়াহুড়ো করে আবেদন করার পরামর্শ
দিই না। কয়েক মিনিট সময় নিয়ে সবকিছু আরেকবার চেক করলে অনেক অপ্রয়োজনীয়
ঝামেলা এড়ানো যায়। আমার অভিজ্ঞতায়, প্রস্তুতি যত ভালো হবে, অ্যাডসেন্স
অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনাও তত বেশি থাকবে।
এডসেন্স একাউন্ট খোলার সাধারণ ভুলগুলো?
আমি লক্ষ্য করেছি যে অনেক নতুন ব্লগার তাদের AdSense অ্যাকাউন্ট খোলার সময়
কিছু ছোট ভুল করে। এই ভুলগুলি পরে আবেদন বাতিল বা অনুমোদনে বিলম্ব ঘটাতে
পারে। তাই এই ভুলগুলি সম্পর্কে জানা থাকলে অনেক ঝামেলা এড়ানো যায়।সবচেয়ে
সাধারণ ভুল হল অপর্যাপ্ত বা নিম্নমানের কনটেন্ট নিয়ে আবেদন করা। অনেকেই
কয়েকটি আর্টিকেল প্রকাশ করেই AdSense এর জন্য আবেদন করে। কিন্তু Google এমন
ওয়েবসাইটকে গুরুত্ব দেয় যেখানে নিয়মিত মানসম্পন্ন এবং পাঠকের জন্য উপকারী
কনটেন্ট থাকে।
তাই আবেদন করার আগে নিশ্চিত করুন যে আপনার ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত তথ্যবহুল লেখা
রয়েছে।আরেকটি বড় ভুল হল ভুল তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা। অনেকেই নাম,
ঠিকানা বা দেশের তথ্য ঠিকমতো না দিয়ে আবেদন করে। পরে পরিচয় যাচাই বা PIN
ভেরিফিকেশনের সময় সমস্যায় পড়তে হয়। তাই শুরু থেকেই নিজের প্রকৃত নাম,
সঠিক ঠিকানা এবং ব্যবহারযোগ্য মোবাইল নম্বর ব্যবহার করুন।অনেকেই Privacy
Policy, About Us এবং Contact Us পেজ ছাড়াই আবেদন করে। আমার অভিজ্ঞতায়, এই
পেজগুলো একটি ওয়েবসাইটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়।
একই সঙ্গে ওয়েবসাইটে ভাঙা লিংক, খালি পেজ বা মোবাইলে ঠিকভাবে না খোলার মতো
সমস্যাও আবেদন করার আগে ঠিক করে নেওয়া উচিত।আরেকটি ভুল আমি প্রায়ই দেখি,
সেটি হলো আবেদন করার পর বারবার পরিবর্তন করা বা নতুন আবেদন পাঠানো। অনেকেই
কয়েক দিন অপেক্ষা না করেই আবার আবেদন করার চেষ্টা করে। এতে কোনো বাড়তি
সুবিধা হয় না। বরং Google-এর সিদ্ধান্তের জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন এবং
এই সময়ে নতুন ও মানসম্পন্ন কনটেন্ট প্রকাশ করতে থাকুন।
আমার মতে, AdSense-এ সফল হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো অপ্রয়োজনীয় শর্টকাট
এড়িয়ে চলা। আপনি যদি সঠিক তথ্য ব্যবহার করেন, মানসম্পন্ন কনটেন্ট প্রকাশ
করেন এবং Google-এর নীতিমালা মেনে আবেদন করেন, তাহলে অনুমোদন পাওয়ার
সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে। ছোট ছোট ভুলগুলো এড়িয়ে চলাই অনেক সময় সফলতার
সবচেয়ে বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
গুগল এডসেন্স থেকে আয় করার উপায়?
আমি যখন প্রথম গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে জানতে শুরু করি, আমার মনে হয়েছিল যে
আমি শুধু একটা অ্যাকাউন্ট খুললেই টাকা পাওয়া শুরু করে দেব। কিন্তু পরে আমি
বুঝতে পারি আসল কাজ হলো এমন একটা ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল বানানো যেখানে
মানুষ নিয়মিত আসে এবং দরকারী তথ্য পায়। গুগল অ্যাডসেন্স আসলে আপনার বিষয়ে
বিজ্ঞাপন দেখায় এবং সেই বিজ্ঞাপন থেকে আপনি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী টাকা
পান।
আপনার যদি একটা ওয়েবসাইট থাকে, তাহলে প্রথমে নিয়মিত ভালো এবং মৌলিক লেখা
লিখুন। এমন বিষয় নিয়ে লিখুন যা মানুষ গুগলে বেশি খোঁজে এবং যার উত্তর জানতে
চায়। লেখা যত তথ্যবহুল এবং দরকারী হবে, তত বেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে
আসবে। ভিজিটর বাড়লে বিজ্ঞাপন দেখানোর সুযোগও বাড়বে, এবং সেখান থেকেই আপনি
টাকা পেতে শুরু করবেন।
অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার পর বিজ্ঞাপনগুলো এমন জায়গায় রাখুন যেখানে
পাঠকের পড়ার অসুবিধা না হয়। শুধু বেশি টাকার আশায় অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন
ব্যবহার করবেন না। এতে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা খারাপ হতে পারে। আমার
অভিজ্ঞতায়, পরিষ্কার ডিজাইন, দ্রুত লোড হওয়া ওয়েবসাইট এবং সহজে পড়া যায়
এমন লেখা দীর্ঘমেয়াদে বেশি ভালো কাজ করে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত নতুন লেখা লিখুন এবং পুরোনো লেখাগুলো
সময়ে সময়ে আপডেট করুন। অনেকেই একবার অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার পর আর
ওয়েবসাইটে তেমন কাজ করেন না। কিন্তু নিয়মিত নতুন তথ্য যোগ করলে গুগল এবং
পাঠক দুজনের কাছেই আপনার ওয়েবসাইটের মূল্য বাড়ে। এর ফলে অর্গানিক ভিজিটরও
ধীরে ধীরে বাড়ে।
আমার মতে, গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ভালো টাকা করার কোনো শর্টকাট নেই। ধৈর্য্য
ধরে ভালো লেখা লিখুন, পাঠকের সমস্যার সমাধান করুন এবং গুগলের নিয়ম মেনে কাজ
করাই দীর্ঘমেয়াদে সফল হওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায়। একবার আপনার ওয়েবসাইটে
নিয়মিত ভিজিটর আসা শুরু করলে অ্যাডসেন্স থেকেও ধীরে ধীরে ভালো টাকা পেতে
শুরু করবেন।
গুগল এডসেন্স কিভাবে কাজ করে?
অনেকেই মনে করেন যে Google AdSense থেকে আয় হয় শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনে ক্লিক
করলে। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি এর চেয়ে বেশি। আমি যখন প্রথম AdSense ব্যবহার
শুরু করি, তখন আমিও একই ধারণা পোষণ করতাম। পরে বুঝতে পারি যে Google এমন
বিজ্ঞাপন দেখানোর চেষ্টা করে যেগুলো আপনার ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু এবং
ভিজিটরের আগ্রহের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে। তাই AdSense কীভাবে কাজ করে
তা বুঝতে পারলে ভবিষ্যতে ওয়েবসাইট পরিচালনা করাও অনেক সহজ হয়ে যায়।
AdSense এর প্রক্রিয়াটি খুব সহজ। প্রথমে আপনার ওয়েবসাইটে Google AdSense এর
অনুমোদন থাকতে হবে। এরপর AdSense থেকে দেওয়া বিজ্ঞাপনের কোড ওয়েবসাইটে
যুক্ত করলে Google স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেখানে বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু করে। কোন
বিজ্ঞাপন দেখানো হবে, কতগুলো বিজ্ঞাপন দেখানো হবে এবং কোন ভিজিটর কোন
বিজ্ঞাপন দেখবেন - এসব সিদ্ধান্ত Google নিজেই নিয়ে থাকে। এজন্য আপনাকে
আলাদাভাবে কোনো বিজ্ঞাপন নির্বাচন করতে হয় না।
যখন কোনো ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন, তখন Google তার অবস্থান,
ভাষা, ডিভাইস এবং আগ্রহের মতো বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে সবচেয়ে উপযুক্ত
বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। বিজ্ঞাপনদাতারা Google Ads এর মাধ্যমে এসব বিজ্ঞাপনের
জন্য অর্থ প্রদান করেন। সেই আয়ের একটি অংশ Google রাখে এবং বাকি অংশ AdSense
প্রকাশকদের মধ্যে ভাগ করে দেয়। এভাবেই আপনার ওয়েবসাইট থেকে আয়ের সুযোগ
তৈরি হয়।
তবে একটি বিষয় সব সময় মনে রাখবেন - কখনোই নিজের বিজ্ঞাপনে নিজে ক্লিক করবেন
না বা অন্য কাউকে ক্লিক করতে বলবেন না। Google এর সিস্টেম অবৈধ ক্লিক খুব
সহজেই শনাক্ত করতে পারে। এমন কিছু করলে আপনার AdSense অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে
সীমিত হতে পারে, এমনকি স্থায়ীভাবেও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই সব সময়
স্বাভাবিকভাবে ভিজিটর বাড়ানোর দিকেই মনোযোগ দিন।
আমার অভিজ্ঞতায়, AdSense-এ সফল হওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো পাঠকের জন্য
মূল্যবান কনটেন্ট তৈরি করা। আপনার ওয়েবসাইটে যত বেশি মানসম্পন্ন লেখা থাকবে
এবং যত বেশি প্রকৃত ভিজিটর আসবে, Google তত ভালোভাবে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে
পারবে। দীর্ঘমেয়াদে এই পদ্ধতিই নিরাপদ এবং টেকসইভাবে AdSense থেকে আয় করার
সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত?
কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলব এই প্রশ্নের উত্তর আমি শুধু নিয়ম লিখে
দেওয়ার জন্য শেয়ার করিনি। আমি চেষ্টা করেছি পুরো বিষয়টি এমনভাবে বুঝিয়ে
বলতে, যেন একজন নতুন মানুষও কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই নিজে নিজে কাজটি করতে
পারেন। আমার অভিজ্ঞতায়, AdSense-এ সফল হওয়ার জন্য শর্টকাটের প্রয়োজন নেই।
সঠিক তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলুন, মানসম্পন্ন কনটেন্ট প্রকাশ করুন এবং
Google-এর নীতিমালা মেনে চলুন। দেখবেন, ধৈর্য ধরে কাজ করলে ভালো ফল পাওয়া
কঠিন নয়।
কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলব এটি জানার পাশাপাশি আমি সব সময় একটি বিষয়
গুরুত্ব দিই, সেটি হলো শেখার মানসিকতা। নতুন অবস্থায় ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক,
আমিও শুরুতে অনেক বিষয় বুঝতাম না। কিন্তু প্রতিটি ভুল থেকে শিখে ধাপে ধাপে
এগিয়েছি। তাই আপনাকেও বলব, তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিবর্তে
প্রতিটি ধাপ ভালোভাবে বুঝে কাজ করুন। এতে শুধু AdSense অনুমোদন পাওয়াই নয়,
ভবিষ্যতে দীর্ঘ সময় ধরে নিরাপদভাবে কাজ করাও অনেক সহজ হবে।
আপনি যদি প্রযুক্তি, ব্লগিং, অনলাইন আয়, WordPress, SEO এবং ডিজিটাল
মার্কেটিং নিয়ে সহজ ভাষায় নির্ভরযোগ্য তথ্য জানতে চান, তাহলে ইনফোনেস্ট
আইটি নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন। এখানে প্রতিটি বিষয় বাস্তব অভিজ্ঞতা, সঠিক
তথ্য এবং সহজ ব্যাখ্যার মাধ্যমে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়, যাতে নতুন
থেকে অভিজ্ঞ সব ধরনের পাঠকই উপকৃত হতে পারেন। আপনার শেখার যাত্রায় ইনফোনেস্ট
আইটি সব সময় নির্ভরযোগ্য তথ্য দিয়ে পাশে থাকার চেষ্টা করবে।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url