যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী, টিকিটের দাম, ছুটির দিন ও অনলাইন টিকিট কাটার নিয়ম জানুন। আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ আপডেট পেতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লেখাটা পড়ুন।
যশোর-টু-চুয়াডাঙ্গা-ট্রেনের-সময়সূচী
এখানে প্রত্যেকটা বিষয়ে আমি অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছি। প্রত্যেকটা তথ্য ও সর্বশেষ আপডেট ও সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেওয়া আছে। তাই আপনার কাঙ্খিত তথ্য জানতে লেখাটা শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পেজ সূচিপত্রঃ যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া জানুন

যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী

যশোর থেকে ট্রেনে চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার কথা ভাবছেন? তাহলে শুরুতেই একটা কথা বলি বাসের টানা ঝামেলা আর রাস্তার ধুলোবালি এড়িয়ে এই রুটে ঝরঝরে ভ্রমণ করার সবচেয়ে আরামদায়ক মাধ্যম হলো ট্রেন। কিন্তু সত্যি বলতে, সঠিক সময়ে স্টেশনে পৌঁছাতে না পারলে কিংবা ছুটির দিন না জেনে হুট করে চলে গেলে পুরো প্ল্যানটাই মাঠে মারা যায়। আর সে জন্যই আপনার সুবিধার্থে একদম আপডেটেড যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী এখানে সুন্দর করে সাজিয়ে রেখেছি, যাতে এক পলক দেখলেই আপনার ভ্রমণের সময়টা গুছিয়ে নিতে পারেন।
ট্রেনের নাম ট্রেন নং যশোর ছাড়ার সময় চুয়াডাঙ্গা পৌঁছাবে ছুটির দিন
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ৭১৫ সকাল ০৭:৪৫ সকাল ০৯:০৫ মঙ্গলবার
সুন্দরবন এক্সপ্রেস ৭২৫ সকাল ০৯:২৫ সকাল ১০:৪৭ মঙ্গলবার
রূপসা এক্সপ্রেস ৭২৭ সকাল ০৮:৪০ সকাল ১০:০০ বৃহস্পতিবার
সীমান্ত এক্সপ্রেস ৭৪৭ রাত ১০:১৫ রাত ১১:৩৫ সোমবার
চিত্রা এক্সপ্রেস ৭৬৩ সন্ধ্যা ০৬:১৫ সন্ধ্যা ০৭:৩৫ সোমবার
বেনাপোল এক্সপ্রেস ৭৯৫ দুপুর ০২:১৫ দুপুর ০৩:৩৫ বুধবার
মহানন্দা এক্সপ্রেস ১৫ (মেইল) সকাল ১১:৩০ দুপুর ০১:১৫ নেই (প্রতিদিন)
যশোর থেকে চুয়াডাঙ্গার দূরত্ব খুব বেশি না হওয়ায় ট্রেনে যেতে আপনার ঘণ্টাখানেক বা তার সামান্য কিছু বেশি সময় লাগবে। তবে আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে একটা ছোট্ট টিপস দিই ট্রেন অনেক সময় সিগন্যালে থাকলে বা স্টেশনে ঢুকতে ২-১ মিনিট দেরি হতে পারে, তাই টিকিট হাতে নিয়ে ট্রেন ছাড়ার অন্তত ২০-৩০ মিনিট আগেই স্টেশনে পৌঁছে যাওয়া ভালো। এতে হুড়োহুড়ি করা লাগবে না, আর মনটাও একদম শান্ত থাকবে।

যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের ভাড়ার তালিকা

ট্রেনে ভ্রমণের সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলোর একটি হলো কম খরচে স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যে পৌঁছানো। কিন্তু টিকিটের সঠিক দাম না জানা থাকলে অনেক সময় বাজেট মিলাতে ঝামেলা হয়ে যায়। আপনার যাত্রার বাজেট যেন একদম সঠিক থাকে, সে জন্যই যশোর থেকে চুয়াডাঙ্গা রুটের সব ধরণের আসন শ্রেণীর টিকিটের সর্বশেষ ও নির্ভুল দাম নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো।
আসন শ্রেণী সিটের ধরন মোট ভাড়া
শোভন (মেইল) সাধারণ লোকাল সিট ৳ ২৫ - ৳ ৩০
শোভন চেয়ার নন-এসি চেয়ার ৳ ৮০ - ৳ ৮৫
স্নিগ্ধা এসি চেয়ার ৳ ১৬১
এসি সিট এসি কেবিন ৳ ১৯০
এসি বার্থ এসি সোয়ার সিট  ৳ ২৮৮
আপনি যদি একদম বাজেটের মধ্যে ভ্রমণ করতে চান, তবে শোভন চেয়ার বেশ ভালো অপশন। আর গরমের দিনে আরামে যেতে চাইলে স্নিগ্ধা বা এসি সিট নিতে পারেন। একটি বিষয় মাথায় রাখবেন অনলাইন থেকে টিকিট কাটলে সার্ভিস চার্জ বাবদ অতিরিক্ত ২০ টাকা যোগ হতে পারে।

যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের বিরতি স্টেশন

যশোর থেকে ট্রেনে করে চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার সময় ট্রেনটি মাঝপথে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামে। আপনি যদি মাঝপথের কোনো স্টেশনের যাত্রী হন কিংবা আপনার ট্রেনটি কোথায় কোথায় বিরতি নেয় তা আগে থেকেই জেনে রাখতে চান, তবে এই তথ্যটি আপনার বেশ কাজে আসবে। চলুন, যশোর থেকে চুয়াডাঙ্গা রুটের প্রধান বিরতি স্টেশন, আনুমানিক দূরত্ব এবং ট্রেন থামার সময়টুকু এক নজর দেখে নেওয়া যাক।
স্টেশনের নাম যশোর থেকে দূরত্ব বিরতির সময়
নওয়াপাড়া ২৮ কিমি ২ - ৩ মিনিট
মোবারকগঞ্জ ৪৮ কিমি ২ - ৪ মিনিট
কোটচাঁদপুর ৬০ কিমি ৩ - ৫ মিনিট
সফদারপুর ৬৮ কিমি ২ - ৩ মিনিট
আনসারবাড়িয়া ৭৬ কিমি ২ - ৩ মিনিট
দর্শনা ৯৫ কিমি ৫ - ১০ মিনিট
চুয়াডাঙ্গা ১০৮ কিমি গন্তব্য / ৫ মিনিট
ট্রেনে ভ্রমণের সময় কোনো নির্দিষ্ট স্টেশনে নেমে চা-নাস্তা খেতে চাইলে অবশ্যই ট্রেনের বিরতির সময়টা মাথায় রাখবেন। দর্শনার মতো বড় স্টেশনে একটু বেশি সময় মিললেও বাকি ছোট স্টেশনগুলোতে কিন্তু ট্রেন মিনিট দুয়েকের বেশি থামে না, তাই সাবধানে ওঠা-নামা করাই ভালো।

যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেন ভ্রমণের সুবিধা

যশোর থেকে চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার প্ল্যান করছেন আর ভাবছেন বাসে যাবেন নাকি ট্রেনে? সত্যি বলতে, বাসের ধুলোবালি আর অনাকাঙ্ক্ষিত জ্যাম এড়িয়ে ঝরঝরে মেজাজে গন্তব্যে পৌঁছাতে যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী জেনে নিয়ে ট্রেনে যাত্রা করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। জানালার পাশে বসে বাইরে রূপসী বাংলার সবুজ প্রান্তর দেখতে দেখতে মাত্র ঘণ্টাখানেকের পথ যেন চোখের পলকেই কেটে যায়। পরিবার, বয়স্ক সদস্য কিংবা ছোট বাচ্চাদের নিয়ে নিশ্চিন্তে ও আরামে ভ্রমণ করার জন্য ট্রেনের কোনো বিকল্প নেই।
যশোর-টু-চুয়াডাঙ্গা-ট্রেনের-সময়সূচী
শুধু আরামদায়কই নয়, খরচের দিক থেকেও ট্রেন সফর অত্যন্ত সাশ্রয়ী। বাসের বাড়তি ভাড়া আর ঝাঁকুনির তুলনায় খুবই সামান্য খরচে নির্ধারিত সময়ে চুয়াডাঙ্গা পৌঁছে যাওয়া যায়। আপনি যদি সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে চান এবং নিজের বাজেট ঠিক রাখতে চান, তবে অবশ্যই আপডেট যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী দেখে আপনার পছন্দমতো একটি ট্রেন বেছে নিন। ট্রেনে হাত-পা ছড়িয়ে বসে নিজের মতো রিল্যাক্স করা কিংবা ছুটির দিনে বন্ধুদের সাথে গল্প করতে করতে যাওয়ার যে মানসিক তৃপ্তি, তা বাসের জার্নিতে কখনই পাওয়া সম্ভব নয়।

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়মাবলী

এখন স্টেশনে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিটের জন্য ভিড় ঠেলার দিন একদম শেষ! বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (eticket.railway.gov.bd) বা Rail Sheba অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি ঘরে বসেই ২ মিনিটে নিজের টিকিট নিজে কেটে নিতে পারেন। প্রথমে অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার এনআইডি (NID) নম্বর ও ফোন নাম্বার দিয়ে একটা অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন। এরপর মোবাইল স্ক্রিনে আপনার গন্তব্য হিসেবে 'Jessore' এবং 'Chuadanga' সিলেক্ট করে ভ্রমণের তারিখ দিন। সাথে সাথেই আপনার পছন্দের ট্রেনের খালি আসন, আসন শ্রেণী এবং ভাড়া দেখতে পাবেন সেখান থেকে নিজের সুবিধামতো সিট বেছে নিন।
সিট সিলেক্ট করার পর পেমেন্ট করাও কিন্তু ভীষণ সহজ। আপনি বিকাশ, নগদ, রকেট কিংবা যেকোনো ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যেই টিকিটের টাকা পরিশোধ করতে পারবেন। পেমেন্ট সফল হলেই আপনার নিবন্ধিত ইমেইল ও ফোনে ট্রেনের ই-টিকিট চলে আসবে। এই ডিজিটাল ই-টিকিটটি মোবাইলে ডাউনলোড করে দেখালেই ট্রেনে ভ্রমণ করা যায়, তবে চাইলে স্টেশনের কাউন্টার থেকে প্রিন্টও করে নিতে পারেন। ঝামেলা ছাড়া নিশ্চিন্তে যাত্রার জন্য এই অনলাইন টিকিট কাটার সুবিধা সত্যিই আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। আপনি যদি এখনো না বুঝতে পারেন তাহলে এখানে ক্লিক করুন এখানে আমি বিষয়টা আরো সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিয়েছি।

যাত্রাপথে কোন ট্রেনটি আপনার জন্য সেরা

যশোর থেকে চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি ট্রেন থাকলেও, সবার প্রয়োজন কিন্তু এক নয়। আপনি যদি একদম সকাল সকাল চুয়াডাঙ্গা পৌঁছে দিনের কাজ শেষ করতে চান, তবে সকালের কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস বা সুন্দরবন এক্সপ্রেস হতে পারে আপনার জন্য সেরা পছন্দ। আর যারা দুপুরের দিকে একটু আরাম করে যাত্রা পছন্দ করেন, তারা বেনাপোল এক্সপ্রেস বেছে নিতে পারেন। তবে আপনি যদি কোনো অফিশিয়াল কাজ বা জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত পৌঁছাতে চান, অবশ্যই যেকোনো আন্তঃনগর (Intercity) ট্রেন বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে, কারণ এগুলো নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছায়।
অন্যদিকে, আপনি যদি পরিবার বা বয়স্ক মানুষ নিয়ে একটু নিরিবিলিতে এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ভ্রমণ করতে চান, তবে স্নিগ্ধা বা এসি কেবিনের টিকিট কেটে নেওয়া ভালো। তবে আপনার বাজেট যদি একদম সীমিত হয় এবং আপনি সাধারণ অভিজ্ঞতায় কম খরচে পৌঁছাতে চান, তবে মেইল ট্রেন যেমন মহানন্দা এক্সপ্রেস আপনার জন্য দারুণ অপশন হতে পারে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, বাজেট এবং সুবিধাজনক সময়ের ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নিন কোন ট্রেনটি আপনার জন্য সবচেয়ে সেরা হবে।

এসএমএসের মাধ্যমে ট্রেনের লাইভ লোকেশন ট্রাকিং

স্টেশনে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করা অথবা ট্রেনটি এখন কোথায় আছে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার দিন এখন শেষ! বাংলাদেশ রেলওয়ের এসএমএস ট্র্যাকিং সেবার মাধ্যমে আপনি সাধারণ বা স্মার্টফোন যেকোনো মোবাইল থেকেই মাত্র ১ মিনিটে জেনে নিতে পারবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত ট্রেনটি এখন ঠিক কোন স্টেশনে আছে বা কতটুকু লেট করছে। এর জন্য কোনো ইন্টারনেটেরও প্রয়োজন নেই, শুধু মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এসএমএস পাঠালেই কেল্লাফতে!
যশোর-টু-চুয়াডাঙ্গা-ট্রেনের-সময়সূচী
বিষয়টি একদম সহজে বোঝার জন্য একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। মনে করুন, আপনি যশোর থেকে চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনে চুয়াডাঙ্গা যাবেন। চিত্রা এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর হলো ৭৬৩। এখন ট্রেনটি কোথায় আছে জানতে আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখবেনঃ TR 763 এবং পাঠিয়ে দেবেন 16318 নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে সাথে সাথেই আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে ট্রেনটি বর্তমানে কোন স্টেশনে অবস্থান করছে এবং চুয়াডাঙ্গার দিকে কখন রওনা হবে। এইভাবে যেকোনো ট্রেনের লাইভ লোকেশন ট্র্যাকিং করে আপনি স্টেশনে যাওয়ার সঠিক সময় ঠিক করে নিতে পারেন।

ট্রেন যাত্রীদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ

ট্রেন জার্নি সবসময়ই ভীষণ উপভোগ্য, তবে সামান্য কিছু অসাবধানতার কারণে আপনার এই সুন্দর যাত্রাটা কিন্তু মাটি হয়ে যেতে পারে। প্রথমত, ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগেই স্টেশনে পৌঁছে যাওয়াটা খুব জরুরি। তাড়াহুড়ো করে শেষ মুহূর্তে প্ল্যাটফর্মে দৌড়াদৌড়ি করতে গেলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়া আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং ট্রেনের অনলাইন টিকিট বা কাউন্টার টিকিটের ডিজিটাল/প্রিন্ট কপি সাথে রাখতে একদম ভুলবেন না, কারণ টিটিই (TTE) যেকোনো সময় টিকিট চেকিং করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত, ভ্রমণের সময় নিজের মালামাল এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন। স্টেশনে বা ট্রেনের ভেতরে অপরিচিত কারো দেওয়া খাবার, পানি বা পানীয় গ্রহণ করা থেকে একদম বিরত থাকুন, কারণ অজ্ঞানপার্টি বা মলমপার্টির খপ্পরে পড়ার ঝুঁকি থাকে। আপনার কাছে থাকা দামী ফোন, মানিব্যাগ কিংবা সাথে থাকা ল্যাপটপ বা ব্যাগ সবসময় হাতের কাছে নিরাপদ স্থানে রাখুন। বিশেষ করে রাতের ট্রেনে একটু ঘুম ঘুম ভাব আসলে মালামালের ব্যাপারে বাড়তি সতর্ক থাকা ভালো, যাতে একদম নিশ্চিন্তে ও সুখে আপনার সফর শেষ করতে পারেন।

যাত্রীদের করা কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্নঃ যশোর থেকে চুয়াডাঙ্গা ট্রেনে কত সময় লাগে?
  • উত্তরঃ আন্তঃনগর ট্রেনে প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট এবং মেইল ট্রেনে ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের মতো লাগে।
প্রশ্নঃ শিশুদের কি আলাদা টিকিট লাগে?
  • উত্তরঃ ৫ বছরের কম বয়সীদের লাগবে না, তবে ৫ বছরের বেশি হলে ফুল টিকিট কাটতে হবে।
প্রশ্নঃ এই রুটে সর্বনিম্ন ভাড়া কত?
  • উত্তরঃ মেইল ট্রেনের টিকিটের দাম সবচেয়ে কম, মাত্র ২৫ থেকে ৩০ টাকা।
প্রশ্নঃ কত দিন আগে অনলাইনে টিকিট পাওয়া যায়?
  • উত্তরঃ ভ্রমণের ১০ দিন আগে সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে টিকিট পাওয়া যায়।
প্রশ্নঃ অনলাইন টিকিট কি বাতিল করা যায়?
  • উত্তরঃ হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী অনলাইনে টিকিট ক্যানসেল করা যায়।

আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা

আশা করি এই ব্লগে শেয়ার করা যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী সংক্রান্ত প্রতিটি আপডেট তথ্য আপনার সফরকে অনেক সহজ ও দুশ্চিন্তামুক্ত করে তুলবে। সত্যি বলতে, নিয়মিত এই রুটে আসা-যাওয়া করার সুবাদে একটা জিনিস আমি নিজে খুব ভালোভাবেই উপলব্ধি করেছি আগে থেকে সঠিক শিডিউল আর টিকিটের ব্যবস্থা না করে বের হলে স্টেশনে গিয়ে অযথা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আমি নিজে যেভাবে ছুটির দিন, ট্রেনের পৌঁছানোর সময় আর ভাড়ার তালিকা মিলিয়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা করি, ঠিক সেভাবেই অভিজ্ঞতা থেকে একদম গুছিয়ে আপনাদের সামনে পুরো বিষয়টি উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি, যাতে এক জায়গাতেই সব সমাধান পান।

পরিশেষে বলবো, নিরাপদ ভ্রমণের জন্য আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে পরামর্শ থাকবে আপনি যে ট্রেনেই যান না কেন, আপডেট যশোর টু চুয়াডাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী দেখে অন্তত ৩০ মিনিট আগেই স্টেশনে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন। আর টিকিট কাটার ক্ষেত্রে অনলাইনে রেলওয়ের অ্যাপ ব্যবহার করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে, এতে স্টেশনের ভিড়ে দাঁড়ানোর ঝামেলা পুরোপুরি এড়ানো যায়। আশা করি তথ্যগুলো আপনার যাত্রাকে আরও আনন্দদায়ক করবে। ট্রেন ভ্রমণ নিয়ে এমন আরও খুঁটিনাটি ও নির্ভুল সব তথ্য ও গাইড পেতে সবসময় ইনফোনেস্ট আইটি (InfoNest IT)-র সাথেই থাকুন। আপনার ট্রাভেল শুভ হোক।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Rifat Mhamud
Md. Rifat Mhamud
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটার ও SEO এক্সপার্ট। ওয়েবসাইট, ব্লগিং, অনলাইন ইনকাম ও প্রযুক্তি নিয়ে নিয়মিত কাজ ও লেখালেখি করি। এই ওয়েবসাইটে আমার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মিত শেয়ার করে থাকি।