নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬ (আপডেট)

নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী খুঁজছেন? ২০২৬ সালের আপডেট অনুযায়ী সকাল থেকে রাতের সকল কমিউটার ট্রেনের সময়, ভাড়া ও টিকিট কাটার সঠিক নিয়ম জানুন।
নারায়ণগঞ্জ-টু-ঢাকা-ট্রেনের-সময়সূচী
এখানে প্রত্যেকটা বিষয় পর্যায়ক্রমে এমনভাবে সাজানো আছে। যে এ আর্টিকেলটা যদি আপনি একবার মনোযোগ দিয়ে পড়েন এ বিষয়ে আপনাকে আর কোনদিন কোন সমস্যায় পড়তে হবে না।

পেজ সূচিপত্রঃ নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা

নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী?

নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে জানা থাকলে আপনার যাত্রা হবে খুব সহজ ও সময় সাশ্রয়ী। প্রতিদিন নারায়ণগঞ্জ জংশন থেকে ঢাকার দিকে ৮টি কমিউটার বা লোকাল ট্রেন বের হয়। ভোর থেকে শুরু করে মধ্যরাত পর্যন্ত নিয়মিত বিরতিতে এই ট্রেনগুলো চলাচল করে, তাই আপনি আপনার সুবিধামতো সময়ে সহজেই যাতায়াত করতে পারবেন। নিচে ২০২৬ সালের হালনাগাদ সময়সূচী উল্লেখ করা হলোঃ
ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সময় বন্ধের দিন
কমিউটার ১ ০৫ঃ৪৫ মি. (ভোর) ০৬ঃ৩৫ মি. (সকাল) নেই
কমিউটার ৩ ০৮ঃ০০ মি. (সকাল) ০৮ঃ৫০ মি. (সকাল) নেই
কমিউটার ৫ ১০ঃ২৫ মি. (সকাল) ১১ঃ১৫ মি. (সকাল) নেই
কমিউটার ৭ ০১ঃ৩৫ মি. (দুপুর) ০২ঃ২৫ মি. (দুপুর) নেই
কমিউটার ৯ ০৩ঃ৫৫ মি. (দুপুর) ০৪ঃ৪৫ মি. (বিকাল) নেই
কমিউটার ১১ ০৬ঃ২০ মি. (সন্ধ্যা) ০৭ঃ১৫ মি. (সন্ধ্যা) নেই
কমিউটার ১৩ ০৮ঃ৪৫ মি. (রাত) ০৯ঃ৩৫ মি. (রাত) নেই
কমিউটার ১৫ ১১ঃ০৫ মি. (রাত) ১১ঃ৫৫ মি. (রাত) নেই
সকাল ৮ঃ০০ টা এবং সন্ধ্যা ৬ঃ২০ এর ট্রেনে সাধারণত চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীদের ভিড় কিছুটা বেশি থাকে। আপনি যদি এই সময়ে যাতায়াত করতে চান, তাহলে সিট পাওয়ার জন্য এবং স্বচ্ছন্দে টিকিট কাটার জন্য ট্রেন ছাড়ার অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন।

নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়ার তালিকা?

সড়কপথের যানজটের যন্ত্রণার কথা মনে করলে ট্রেন যাত্রা সত্যিই একটা উপহার মনে হয়। নারায়ণগঞ্জ থেকে বাসে ঢাকায় যেতে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৮০ টাকা খরচ হতে পারে, আর ট্রেনে ঢাকায় যাওয়া যায় মাত্র এক কাপ চায়ের দামে! বাসের কষ্ট ছাড়া সম্পূর্ণ কম খরচে ভ্রমণের জন্য শুধু ট্রেনই নির্ভরযোগ্য মাধ্যম, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশ রেলওয়ের বর্তমান ভাড়া অনুসারে এই রুটের টিকিটের তথ্যটি নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
আসন / সিটের শ্রেণি ট্রেনের ধরন টিকিট মূল্য (টাকা)
শোভন / সাধারণ আসন কমিউটার / লোকাল ১৫ - ২০ টাকা
প্রথম শ্রেণি (যদি থাকে) বিশেষ কমিউটার ২৫ - ৩০ টাকা
অনেকে ভাবেন দূরপাল্লার ট্রেনের মতো হয়তো অনলাইনে 'রেল সেবা' অ্যাপ থেকে টিকিট নেওয়া যাবে কিন্তু সত্যি তা নয়। এটি লোকাল রুট হওয়ায় আপনাকে সরাসরি স্টেশনের কাউন্টারে গিয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। আরেকটি বিষয় মনে রাখা উচিত, ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ৫ বছরের বেশি বয়স হলেই একটি পূর্ণ টিকিট কিনতে হয়, তাই কাউন্টারে যাওয়ার আগে যথেষ্ট ভাঙতি টাকা নিয়ে গেলে অনেক সময় বাঁচে ও আপনার বিভ্রান্তি কমবে।

নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের স্টেশন এবং দূরত্ব

যদি আপনি নারায়ণগঞ্জ জংশন থেকে ট্রেনে বসে থাকেন, তবে আপনি লক্ষ্য করেছেন কমলাপুরে পৌঁছানোর আগে ট্রেনটি সুন্দর কয়েকটি ছোট স্টেশন দাঁড়িয়ে যায়। নারায়ণগঞ্জ স্টেশন থেকে বাঁশি বাজিয়ে বের হওয়ার পর অনেক পরিচিত স্টেশন পার করে শেষমেশ ঢাকার মূল স্টেশন কমলাপুরে এসে থেমে যায়। যাত্রাপথের প্রতিটি স্টেশনে আশপাশের কাজকর্মের মানুষ ও শিক্ষার্থীরা ওঠানামা করেন, তাই লোকাল জীবনযাত্রার এক চমৎকার রূপ আপনার দৃষ্টিতে পড়বে।
  • নারায়ণগঞ্জ জংশন (মূল যাত্রা শুরু)
  • চাষাঢ়া
  • ফতুল্লা
  • পাগলা
  • গেণ্ডারিয়া
  • ঢাকা / কমলাপুর (সর্বশেষ গন্তব্য)
অনেকের মনে কৌতূহল থাকে, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকাের মধ্যে প্রকৃত দূরত্ব আসলে কী এবং পৌঁছাতে কতক্ষণ সময় লাগতে পারে? রেললাইন অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকার কমলাপুরের মোট দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো, সড়কে এই বিশ কিলোমিটার পার হওয়ার পর জ্যামের কারণে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা যেতে পারে, কিন্তু ট্রেন মাত্র ৪৫ থেকে ৫০ মিনিটে নিশ্চিন্তে পৌঁছে যায়। মাঝপথে স্টেশনে খুব সামান্য সময়ের জন্য থামলেও ট্রেন নির্দিষ্ট গতিতে এগোতে থাকে, ফলে কোনো অতিরিক্ত সমস্যার সম্মুখীন হয়ে নির্দিষ্ট সময়েই গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়।

ডেমু নাকি কমিউটার ট্রেন কোনটা আপনার জন্য?

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে যাতায়াতকারীদের মাঝে ডেমু ও কমিউটার ট্রেনের আলোচনা প্রায়ই শোনা যায়। আপনি যদি খোলামেলা পরিবেশ ও অধিক বসার জায়গা চান, তাহলে সাধারণ কমিউটার ট্রেন হবে আপনার জন্য উপযুক্ত বিকল্প। যদিও ডেমু ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগি একত্রে থাকে, এর অভ্যন্তরে কিছুটা ক্লাস্ট্রোফোবিক অনুভূতি থাকে এবং জানালার আকার ছোট হওয়ায় গরমে যাত্রী সংখ্যা বেশি হলে অস্বস্তির সৃষ্টি হতে পারে। 
নারায়ণগঞ্জ-টু-ঢাকা-ট্রেনের-সময়সূচী
অন্য দিকে, নতুন চালু হওয়া কমিউটার ট্রেনগুলোর বগি বড়, ফ্যান ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা উন্নত এবং আসনগুলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি আরামদায়ক।আপনি কোনটি চয়ন করবেন তা মূলত আপনার ভ্রমণের সময় ও আরামের প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করছে। যারা তাড়াহুড়োর মধ্যে সহজেই সিট পেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে পৌঁছাতে চান, তারা কমিউটার ট্রেনগুলো ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। 
তবে আপনার যাত্রার পরিকল্পনা নিশ্চিত করার আগে নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী দেখে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দুটি ট্রেনের ছাড়ার সময় আলাদা। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, যাত্রীদের ভিড় ও গরমের কথা বিবেচনায় নিলে সাধারণ কমিউটার ট্রেনই প্রতিদিনের যাতায়াতে ডেমুর তুলনায় যাত্রীদের পছন্দ ও সবচেয়ে আরামদায়ক।

নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম?

যদি আপনি এই রুটে ট্রেনের টিকিট কাটতে যান, তবে একটি বিষয় প্রথমেই পরিষ্কার করে রাখা প্রয়োজন এই ট্রেনের টিকিট অনলাইনে কোনো অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে নেই। আপনাকে নারায়ণগঞ্জ জংশন স্টেশনে গিয়ে টিকিট কাউন্টারের লাইনে দাঁড়াতে হবে। কাউন্টারে গিয়ে আপনার গন্তব্য (কমলাপুর বা মাঝপথের যেকোনো স্টেশন) জানালে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা আপনাকে কাগজের ছোট টিকিটটি দেবে। কিভাবে আপনি সহজে টিকিটটি পেয়ে যাবেন। 

প্রক্রিয়াটি সহজ হলেও ছুটির দিন বা পিক আওয়ারে কাউন্টারে অনেক লোক থাকে, তাই স্টেশনে কিছুটা সময় নিয়ে আসা ভালো হবে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলি কাউন্টারে যাওয়ার আগে কিছু ভাঙতি টাকা (যেমন: ১৫, ২০ বা ৫০ টাকার নোট) সঙ্গে নিয়ে যান। সকালে মানুষের ভিড় হলে ১০০ বা ৫০০ টাকার বড় নোট দিলে হয়তো কাউন্টার থেকে ভাঙতি ফেরত পেতে পেতে আপনার কাঙ্ক্ষিত ট্রেনটিও চলে যেতে পারে।
আর হ্যাঁ, ট্রেনে উঠার পর টিকিটটি ট্রেন থেকে নামার শেষ সময় পর্যন্ত যত্ন করে রাখবেন। কমলাপুর বা নারায়ণগঞ্জ স্টেশনে মাঝে মধ্যে চেকার ভাইদের দেখা যায়, আর তখন পকেটে একটি সঠিক টিকিট থাকলে মানে একদম শান্ত ও চিন্তামুক্ত সফর। আপনাকে কোন সময়ের জন্য চিন্তিত থাকতে হয় না।

ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ ফেরার ট্রেনের সময়সূচী?

সারাদিনের পরিশ্রম শেষে ঢাকার যানজট পার হয়ে ট্রেনের জানালায় মাথা রেখে বাড়ি ফেরা এক অন্য রকমের স্বস্তি। আপনি যেন কমলাপুরে সময় নষ্ট না করে সঠিক সময়ে ট্রেনে ওঠতে পারেন, সেজন্য ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ যাওয়ার ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ সময়সূচীটি নিচের টেবিলটিতে দেওয়া হলঃ
ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সময় বন্ধের দিন
কমিউটার ২ ০৬ঃ৫০ মি. (সকাল) ০৭ঃ৪০ মি. (সকাল) নেই
কমিউটার ৪ ০৯ঃ১০ মি. (সকাল) ১০ঃ০০ মি. (সকাল) নেই
কমিউটার ৬ ১১ঃ৩০ মি. (সকাল) ১২ঃ২০ মি. (দুপুর) নেই
কমিউটার ৮ ০২ঃ৪৫ মি. (দুপুর) ০৩ঃ৩৫ মি. (দুপুর) নেই
কমিউটার ১০ ০৫ঃ০৫ মি. (বিকাল) ০৫ঃ৫৫ মি. (সন্ধ্যা) নেই
কমিউটার ১২ ০৭ঃ৩০ মি. (সন্ধ্যা) ০৮ঃ২০ মি. (রাত) নেই
কমিউটার ১৪ ০৯ঃ৫৫ মি. (রাত) ১০ঃ৪৫ মি. (রাত) নেই
কমিউটার ১৬ ১২ঃ২০ মি. (রাত) ০১ঃ১০ মি. (রাত) নেই
কমলাপুর থেকে ফেরার সময় বিকেল বা সন্ধ্যায় কাউন্টারে ভিড় থাকে, তাই অন্তত ১৫-২০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছাবেন। প্ল্যাটফর্মের মাইকিং ভালো করে শুনবেন যেন দৌড়াদৌড়ি করতে না হয়। তাড়াহুড়োয় কখনো বিনা টিকিটে ট্রেনে উঠবেন না; ১৫-২০ টাকার ছোট টিকিটটি কাটলে নিশ্চিন্তে বাড়ি ফিরবেন, যা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেন ভ্রমণের কিছু জরুরি টিপস?

নিয়মিত যাতায়াতে লক্ষ্য করেছি, সকাল ৮টা এবং সন্ধ্যার ট্রেনগুলোতে অত্যন্ত ভিড় হয়। যদি আপনি একটু আরাম করে সিটে বসে জানালার বাইরে দেখতে চান, তাহলে অবশ্যই ট্রেন ছাড়ার ১৫-২০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছাতে হবে। শেষ মুহূর্তে এলে কাউন্টারের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে গিয়ে যেমন ট্রেনের সিট মিস করার সম্ভাবনা থাকে, তেমনি দ্রুত ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার শঙ্কাও থেকেই যায়।
ভ্রমণের সময় জানালার ধারে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন, বিশেষত যখন ট্রেন স্টেশনে ধীরে চলে। কাউন্টারে সমস্যা এড়াতে পকেটে সব সময় ১৫-২০ টাকার পরিবর্তন রাখুন। ট্রেনের ছোট টিকিটটি যাত্রা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যত্ন সহকারে বহন করলে আপনার যাত্রাটি হবে একেবারে চিন্তামুক্ত ও আনন্দময়। এতে আপনার যতটা সুন্দর।

এসএমএসের মাধ্যমে ট্রেনের লাইভ লোকেশন দেখুন?

স্টেশনে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করার যে অসহ্য যন্ত্রণাটা, তা আমরা সকলেই বুঝি! তথাপি হাতের সাধারণ বাটন ফোন বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে এক মিনিটের মধ্যে ট্রেনটি বর্তমানে কোথায় রয়েছে তা জানা যায়। প্রথমে আপনার ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে "TR" লিখুন। এরপর একটি স্পেস দিয়ে ট্রেনের নাম বা নম্বরটি দিন (যেমনঃ TR 1)। 
নারায়ণগঞ্জ-টু-ঢাকা-ট্রেনের-সময়সূচী
এরপর, এই মেসেজটি পাঠিয়ে দিন 16318 নম্বরে। মেসেজ পাঠানোর কিছু সেকেন্ডের মধ্যে একটি ফিরতি এসএমএস আসবে ট্রেনটির লাইভ অবস্থান নিয়ে সেটি কোন স্টেশনে আছে এবং কত মিনিট দেরি হচ্ছে, সবকিছুই স্পষ্টভাবে দেখতে পাবেন। প্রতি এসএমএসে প্রায় ৩ টাকার মতো খরচ হয়, তাই ফোনে সামান্য ব্যালেন্স রাখতে হবে। অযথা স্টেশনে গিয়ে ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার চেয়ে বাড়িতে বসেই এভাবে তথ্য জানা ভ্রমণকে অনেক স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময় করে তোলে।

এ বিষয়ে যাত্রীদের করার কিছু সাধারণ প্রশ্ন উত্তর?

১. ট্রেনের ভাড়া কত?
  • উত্তরঃ মাত্র ১৫ থেকে ২০ টাকা।
২. টিকিট কি অনলাইনে পাওয়া যায়?
  • উত্তরঃ না, কেবল স্টেশন কাউন্টার থেকে নিতে হয়।
৩. পৌঁছাতে কতক্ষণ সময় লাগে?
  • উত্তরঃ মাত্র ৪৫ থেকে ৫০ মিনিট।
৪. সপ্তাহে কোন দিন ট্রেন বন্ধ থাকে?
  • উত্তরঃ কোনো বন্ধের দিন নেই, সপ্তাহে ৭ দিনই চলে।
৫. শিশুদের কি টিকিট লাগবে?
  • উত্তরঃ ৫ বছরের বেশি বয়সের শিশুদের টিকিট লাগে।
৬. এসএমএসে লোকেশন জানতে খরচ কত?
  • উত্তরঃ মেসেজ প্রতি প্রায় ৩ টাকা।

এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা?

নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী নিয়মিত যাতায়াত করতে গিয়ে আমি এক বিষয় স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছি সড়কপথের দীর্ঘ জ্যাম ও ক্লান্তি এড়িয়ে চলার জন্য রেলভ্রমণের বিকল্প নেই। যখনই আমি জরুরি প্রয়োজনে ঢাকা যাই বা কাজ শেষে বাড়ি ফেরত আসি, তখন সবসময় ট্রেনকে অবলম্বন করি। মাত্র ১৫-২০ টাকার টিকিটে জ্যামের মানসিক যন্ত্রণা ছাড়াই ৪৫-৫০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছানোর যে আনন্দ ও স্বস্তি, তা অভিজ্ঞতাহীনদের কাছে বোঝানো দুষ্কর।

আপনি যেন কোনো অহেতুক ঝামেলায় না পড়েন, সেজন্য আমার পরম যত্নের পরামর্শ থাকবে—ঘর থেকে বের হওয়ার আগেই নারায়ণগঞ্জ টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী আরেকবার ভালোভাবে মিলিয়ে নিন। স্টেশনে হাতে অন্তত ১৫-২০ মিনিট সময় নিয়ে আসবেন, যাতে স্বস্তিতে টিকিট কেটে নিজের আসনে বসতে পারেন। আশা করি আমার এই বাস্তব অভিজ্ঞতা ও তথ্যগুলো আপনার প্রতিদিনের যাতায়াতকে অনেক সহজ করে তুলবে। আপনার প্রতিটি যাত্রা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হোক! নিত্যদিনের এমন সব দরকারী টিপস ও সঠিক গাইড পেতে সবসময় ইনফোনেস্ট আইটি সাথেই থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Rifat Mhamud
Md. Rifat Mhamud
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটার ও SEO এক্সপার্ট। ওয়েবসাইট, ব্লগিং, অনলাইন ইনকাম ও প্রযুক্তি নিয়ে নিয়মিত কাজ ও লেখালেখি করি। এই ওয়েবসাইটে আমার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মিত শেয়ার করে থাকি।