ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া - আপডেট ২০২৬
ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী, টিকিটের দাম ও ছুটির দিন জানুন। সিরাজগঞ্জ
এক্সপ্রেসসহ অন্যান্য ট্রেনের সময়সূচী ও অনলাইন টিকিট কাটার নিয়ম ২০২৬।
এ সকল বিষয় আপনি যদি একসাথে একটি পেজে খুঁজে থাকেন তাহলে আপনি সঠিক জায়গায়
এসেছেন। এখানে প্রত্যেকটা বিষয় পর্যায়ক্রমে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে
তাই শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
পেজ সূচিপত্রঃ ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬
- ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী?
- ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের ভাড়ার তালিকা?
- সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি স্টেশনসমূহ?
- অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম জানুন?
- সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকা ফিরতি ট্রেনের সময়সূচী?
- এসএমএস এর মাধ্যমে ট্রেনের লাইভ লোকেশন?
- সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে খাবারের ব্যবস্থা ও মান?
- ট্রেন ভ্রমণের কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস ও সতর্কতা?
- এ বিষয়ে যাত্রীদের করা কিছু সাধারণ প্রশ্ন উত্তর?
- আমার কিছু ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা?
ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী?
ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী জেনে যাত্রা শুরু করলে সময় বাঁচে এবং ভ্রমণ
আরামদায়ক হয়। ঢাকা থেকে সরাসরি সিরাজগঞ্জ শহর কিংবা কড্ডা (মনসুর আলী) স্টেশনে
যাওয়ার জন্য প্রতিদিন একাধিক ট্রেন চলাচল করে। চলুন এক নজরে দেখেনি।
| ট্রেনের নাম | ঢাকা ছাড়ে | পৌঁছায় | অফ-ডে |
|---|---|---|---|
| সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৭৬) | বিকাল ৪ঃ১৫ | রাত ৮ঃ১০ | শনি |
| ধুমকেতু এক্সপ্রেস (৭৬৯) | সকাল ৬ঃ০০ | সকাল ৯ঃ২৫ | শনি |
| বনলতা এক্সপ্রেস (৭৯১) | দুপুর ১ঃ৩০ | বিকাল ৪ঃ৩৫ | শুক্র |
| সিল্কসিটি এক্সপ্রেস (৭৫৩) | দুপুর ২ঃ৪০ | সন্ধ্যা ৫ঃ৫৫ | রবি |
| মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৫) | বিকাল ৩ঃ০০ | সন্ধ্যা ৬ঃ২০ | বৃহস্পতি |
| পদ্মা এক্সপ্রেস (৭৫৯) | রাত ১১ঃ১০ | রাত ২ঃ০৫ | মঙ্গল |
যাত্রার সুবিধার্থে মনে রাখবেন, সিরাজগঞ্জ বাজার স্টেশনে সরাসরি যাতায়াত
শুধুমাত্র সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের দ্বারা হয়। অন্যান্য ট্রেনগুলো যমুনা
সেতুর পশ্চিম পাশে কড্ডা (শহীদ এম মনসুর আলী) স্টেশনে থামে। এ বিষয়গুলো
জানলে আপনার ভ্রমণ আরো সুন্দর ও কার্যকর হবে।
ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের ভাড়ার তালিকা?
ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের ভাড়ার তালিকা জানা থাকলে যাত্রার আগেই টিকিটের
বাজেট নির্ধারণ করা সহজ হয়। এই রুটে সাধারণ শোভন থেকে শুরু করে এসি স্নিগ্ধা ও
বার্থ ক্যাটাগরির আসন রয়েছে। আপনার ভ্রমণের সুবিধা এবং পছন্দের সিট অনুযায়ী কোন
ট্রেনের ভাড়া কত তার একটি নিখুঁত তালিকা নিচে তুলে ধরা হলোঃ
| আসন / সিটের শ্রেণি | ট্রেনের ধরন | ভাড়ার পরিমাণ (টাকা) |
|---|---|---|
| শোভন (Shovon) | মেল / এক্সপ্রেস | ৳ ১২০ - ১৪০ |
| শোভন চেয়ার (S_CHAIR) | আন্তঃনগর | ৳ ২০০ - ২৩০ |
| স্নিগ্ধা / এসি চেয়ার (SNIGDHA) | আন্তঃনগর | ৳ ৩৮০ - ৪৩০ |
| এসি সিট / বার্থ (AC_S / AC_B) | আন্তঃনগর | ৳ ৫০০ - ৭৫০ |
অনলাইনে মোবাইল বা অ্যাপসের মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যাংক
প্রসেসিং ও সার্ভিস চার্জ হিসেবে প্রতি টিকিটে অতিরিক্ত ২০ টাকা যোগ করা হবে।
তেমনি, বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অথবা ট্রেনের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাড়ার
পরিমাণ মাঝে মাঝে কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি স্টেশনসমূহ?
ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ বাজার যেতে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৭৬/৭৭৫) ট্রেনটি কিছু
গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামে। যাত্রার পথে ট্রেনটি কোথায় কোথায় বিরতি দেবে তা
জানলেই নামার বা ওঠার বিষয়টি পরিকল্পনা করা সহজ হয়। চলুন স্টেশন গুলো
পর্যায়ক্রমে দেখিনি।
- ঢাকা কমলাপুর (যাত্রার সূচনা স্টেশন)
- ঢাকা বিমানবন্দর
- জয়দেবপুর জংশন (গাজীপুর)
- মির্জাপুর
- টাঙ্গাইল
- ইব্রাহিমাবাদ
- শহীদ এম মনসুর আলী (কড্ডা)
- সিরাজগঞ্জ রায়পুর
- সিরাজগঞ্জ বাজার (শেষ গন্তব্য)
জয়দেবপুর বা বিমানবন্দর স্টেশন থেকে যারা ট্রেনে যাবেন, তারা ঢাকার কমলাপুর
থেকে ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে প্ল্যাটফর্মে
আসার চেষ্টা করবেন। এতে শেষ মুহূর্তের আসা-যাওয়ার ঝক্কি ছাড়াই আরামে ট্রেনে
উঠতে পারবেন।
অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম জানুন?
বর্তমানে অনলাইন টিকিট কাটা বা অনলাইনে নিজের একটা সিট বসাতে বসেই কনফার্ম করা
এটা আহামরি কোন বিষয় না। আপনি চাইলেই আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে
খুব সহজেই কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই অনলাইনে টিকিট কাটতে পারেন। এজন্য আপনার
মোবাইল ফোনে রেল সেবা অ্যাপটি রেজিস্ট্রেশন করা থাকা লাগবে।
আপনি যদি এখনো না জানেন কিভাবে অনলাইনে হাতে থাকা মোবাইলের মাধ্যমে এটি টিকিট
কাটতে পারবেন কোন ঝামেলা ছাড়াই। তাহলে
এখানে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পরে আপনার সামনে একটা আর্টিকেল আসবে যেখানে একটু নিচের দিকে আসলে
আমি সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিয়েছি কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করা থেকে শুরু করে টিকিট
কাটার কাজটি সম্পন্ন করতে পারেন। এ বিষয়ে আপনার একবারের শূন্য ধারণা থাকে তাও
আপনি আর্টিকেলটা পরার পর টিকিট কাটতে পারবেন।
সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকা ফিরতি ট্রেনের সময়সূচী?
সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকা ফেরার ট্রেনের সময় জানলে আপনার রিটার্ন জার্নি আগে থেকেই
পরিকল্পনা করতে সুবিধা হয়। মূল সিরাজগঞ্জ শহর অথবা কড্ডা (এম মনসুর আলী) জংশন
থেকে ঢাকার জন্য প্রতিদিন বেশ কিছু ট্রেন ছেড়ে যায়। চলুন ট্রেনগুলোর সময়সূচি
দেখে নিন।
| ট্রেনের নাম | স্টেশন ছাড়ে | ঢাকা পৌঁছায় | অফ-ডে |
|---|---|---|---|
| সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৭৫) | সকাল ৬ঃ০০ (বাজার) | সকাল ১০ঃ১৫ | শনি |
| সিল্কসিটি এক্সপ্রেস (৭৫৪) | সকাল ১০ঃ২০ (মনসুর আলী) | দুপুর ১ঃ৩০ | রবি |
| মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৬) | দুপুর ১২ঃ৪০ (মনসুর আলী) | বিকাল ৪ঃ৪০ | বৃহস্পতিবার |
| বনলতা এক্সপ্রেস (৭৯২) | সন্ধ্যা ৭ঃ৫০ (মনসুর আলী) | রাত ১১ঃ১০ | শুক্রবার |
| পদ্মা এক্সপ্রেস (৭৬০) | রাত ১ঃ১৫ (মনসুর আলী) | ভোর ৪ঃ৩০ | মঙ্গল |
জরুরি কারণে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার জন্য ভোরে শহর থেকে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৭৫)
ধরা সবচেয়ে সুবিধাজনক। এবং যারা দুপুরের পরে ঢাকায় ফিরতে চান, তারা কড্ডা (শহীদ
এম মনসুর আলী) স্টেশন থেকে ইন্টারসিটি ট্রেনগুলোতে চড়তে পারেন।
এসএমএস এর মাধ্যমে ট্রেনের লাইভ লোকেশন?
ট্রেন যাত্রায় সময় সাশ্রয় করতে এবং স্টেশন থেকে ট্রেনটির অবস্থান জানতে এসএমএস
ট্র্যাকিং খুবই কার্যকর। লাইভ লোকেশন দেখতে হলে প্রথমে আপনার মোবাইলে Message
(মেসেজ) অ্যাপটি খুলুন। এরপর নতুন মেসেজের রাইট অপশনে গিয়ে টাইপ করুন TR স্পেস
ট্রেন নম্বর (যেমনঃ সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের জন্য লিখুন TR 776)। এবার এই মেসেজটি
16318 নম্বরে পাঠিয়ে দিন।
মেসেজটি পাঠানো হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ রেলওয়ের সার্ভার থেকে একটি
ফিরতি মেসেজ আপনার মোবাইলে আসবে। ঐ মেসেজে ট্রেনটির বর্তমান অবস্থান, আপনার
স্টেশনে এর পৌঁছানোর সময় এবং ট্রেনটি সঠিক সময়ে চলছে কি না এসব তথ্য
বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন। যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে কয়েকটি ক্লিকেই এই
লাইভ লোকেশন সার্ভিস ব্যবহার করা সম্ভব।
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে খাবারের ব্যবস্থা ও মান?
যদি আপনি ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী দেখে যাত্রা শুরু করেন, তবে
ট্রেনে খাবারের বিষয়টি কিছু আগে থেকে জেনে নেওয়া ভালো। সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস
ট্রেনে আসলে নিজস্ব ক্যাটারিং বা খাবার বগির সেবা আছে, যেখানে যাত্রীরা
চা-নাস্তা বা হালকা খাবার কিনে খেতে পারেন।
আমার অভিজ্ঞতামতো, ট্রেনের ক্যাটারিংয়ের ঝালমুড়ি, চা, শিঙাড়া বা কেকের মান
যথেষ্ট ভালো এবং দামও সস্তা। কিন্তু দুপুর বা রাতের খাবারের ক্ষেত্রে অনেক বেশি
বিকল্প নেই; সাধারণত চিকেন বিরিয়ানি বা ভাত-তরকারিই পাওয়া যায়।তাই পরামর্শ
হচ্ছে, দীর্ঘ সফরে যদি পুষ্টিকর বা প্রিয় খাবার খেতে ইচ্ছা হয়, তবে বাড়ি থেকে
কিছু শুকনো নাস্তা ও পানির বোতল নেওয়াই সবচেয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত।
আর যদি ট্রেনে নাস্তার উদ্দেশ্যে মনে হয়, তবে গরম চা ও স্ন্যাকস তো রয়েছে যা
সফরের ক্লান্তি অনেকটাই কমিয়ে দেবে। আশা করি বিষয়টা সম্পূর্ণ সুন্দরভাবে বুঝতে
পেরেছেন সিরাজগঞ্জ এফ এক্সপ্রেস ট্রেনের আপনার জন্য খাবারের কি কি সুবিধা
রয়েছে।
ট্রেন ভ্রমণের কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস ও সতর্কতা?
ট্রেন যাত্রা শুধু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার মাধ্যম নয়, এটি একটি
অনুভূতি ও স্মৃতি গড়ার অসাধারণ অভিজ্ঞতা। তাই ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ যাত্রার পুরো
সময় যেন আপনার জন্য নিছক আনন্দ ও স্বস্তির হয়, সেটাই উদ্দেশ্য। টিকিট কাটার
শুরু থেকে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর্যন্ত কিছু ক্ষুদ্র বিষয় খেয়াল রাখলেই আপনার
যাত্রা পুরোপুরি নিরাপদ ও সুন্দর হয়ে উঠবে।
প্রথমেই টিকিটের বিষয়ে বলি অনলাইনে টিকিট কাটলে তার একটি প্রিন্ট কপি বা
মোবাইলে ডাউনলোড করা ফাইল সঙ্গে রাখবেন, এবং অবশ্যই আপনার এনআইডি কার্ডটা নিতে
ভুলবেন না। স্টেশনে অন্তত ২০-৩০ মিনিট আগে পৌঁছার চেষ্টা করবেন। আর একটি
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সিরাজগঞ্জে আসার আগে নিশ্চিত করুন আপনার নামার
স্টেশন কোনটি সরাসরি শহর অর্থাৎ সিরাজগঞ্জ বাজার, না যমুনা সেতুর কাছের কড্ডা
(মনসুর আলী) স্টেশন? এইভাবে স্টেশনে নেমে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তিতে পড়তে হবে
না।সবশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে নিজের নিরাপত্তা।
ট্রেনে চলার সময় চারপাশে অনেকের সাথে পরিচয় ঘটে, কিন্তু অপরিচিত কারো দেওয়া
খাবার, পানি বা পানীয় ভুলেও গ্রহণ করবেন না। আপনার ব্যাগ, মানিব্যাগ এবং
মোবাইল সবসময় নিজের চোখের সামনে রাখুন। সঙ্গে কিছু বিশুদ্ধ পানি এবং জরুরি
কিছু ওষুধ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। এই সামান্য সতর্কতা অনুসরণ করলে আপনার
সিরাজগঞ্জের যাত্রা হবে এক অনন্য শান্তি ও স্মৃতির সমাহার।
এ বিষয়ে যাত্রীদের করা কিছু সাধারণ প্রশ্ন উত্তর?
প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জের ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া কত?
উত্তরঃ শোভন সিটের জন্য ন্যূনতম ভাড়া ১২০-১৪০ টাকা, আর শোভন চেয়ারের ভাড়া ২০০
টাকা।
প্রশ্নঃ সিরাজগঞ্জ শহরে কোন ট্রেন সরাসরি যায়?
উত্তরঃ কেবল সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৭৬) সরাসরি সিরাজগঞ্জ বাজার স্টেশনে পৌঁছে।
প্রশ্নঃ অনলাইনে টিকিট কেনার জন্য কত টাকা বাড়তি লাগে?
উত্তরঃ ব্যাংক ফি হিসেবে প্রতি টিকিটে অতিরিক্ত ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রশ্নঃ সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের বন্ধের দিন (অফ-ডে) কখন?
উত্তরঃ সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের সপ্তাহে একটি বিরতির দিন শনিবার।
প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ যেতে কত সময় প্রয়োজন?
উত্তরঃ সাধারণত ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট থেকে ৪ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন।
আমার কিছু ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা?
ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী মেনে ব্যক্তি হিসেবে বহুবার ভ্রমণের
অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, সঠিক সময়ে টিকিট কাটা এবং স্টেশনের অবস্থান সম্পর্কে
পরিষ্কার ধারণা থাকাটা সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়। আমি নিজে দেখেছি, অগ্নিকাণ্ড
মুক্ত পরিকল্পনা না করে আগের দিন ট্রেনের সময় ও অফ-ডে মিলিয়ে নিলে অনর্থক
স্টেশনে অপেক্ষা করার ঝামেলা থেকে সম্পূর্ণরূপে বাঁচা সম্ভব।
ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী ভোরের সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস নিয়ে
সিরাজগঞ্জ যাওয়া অথবা কড্ডা স্টেশনকে কেন্দ্র করে যাতায়াত এ দুটি থেকে কোনটি
আপনার জন্য বেশি সুবিধাজনক, তা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারণ করা বুদ্ধিমানের
কাজ হবে। আমার পরামর্শ হবে, আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের জন্য বাস বা অন্য
যানবাহনের তুলনায় রেলপথকেই অগ্রাধিকার দিন; এটি সাশ্রয়ী এবং মানসিকভাবে
প্রশান্তিদায়ক।সঠিক তথ্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ টিপস পেতে সবসময়
ইনফোনেস্ট আইটি এর সাথেই থাকুন। শুভ
হোক আপনার শুভ যাত্রা।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url