রাজশাহী টু ঠাকুরগাঁও ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

রাজশাহী টু ঠাকুরগাঁও ট্রেনের সময়সূচী, আধুনিক ভাড়ার তালিকা, বন্ধের দিন এবং অনলাইন টিকেট বুকিং নিয়মাবলী জেনে নিন। বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসের ২০২৬ আপডেট তথ্য এক জায়গায়।
রাজশাহী-টু-ঠাকুরগাঁও-ট্রেনের-সময়সূচী
আপনি যদি এ সকল বিষয় একসাথে একটি পেজে খুঁজেন তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। কারণ এখানে প্রত্যেকটা তথ্য খুব সুন্দর ও নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তাই লেখাটা পড়ুন।

পেজ সূচিপত্রঃ রাজশাহী টু ঠাকুরগাঁও ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

রাজশাহী টু ঠাকুরগাঁও ট্রেনের সময়সূচী?

রাজশাহী টু ঠাকুরগাঁও ট্রেনের সময়সূচী খুঁজে সঠিক তথ্যসহ নিশ্চিন্তে ভ্রমণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যখন রাতে ট্রেন ভ্রমণ করতে হয়। রাজশাহী থেকে ঠাকুরগাঁও রোডের দূরত্ব ২৭০ কিলোমিটারের মতো এবং এই দীর্ঘ যাত্রায় বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে নিয়মিত একটিমাত্র সরাসরি আন্তঃনগর ট্রেনই যাতায়াত করে। বহুবার এই রুটে যাতায়াত করার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, রাতের ট্রেনে সময়মতো স্টেশনে পৌঁছানো এবং ছাড়ার সঠিক তথ্য আগে থেকে জেনে রাখা কতটা জরুরি। নিচে আপনার সুবিধার্থে আপডেট সময়সূচীর ছকটি তুলে ধরা হলোঃ
ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সময় ছুটি
বাংলাবান্ধা (৮০৩) রাত ০৯ঃ১৫ ভোর ০৩ঃ২৫ শুক্রবার
রেলওয়ের নিয়মিত যাত্রী হিসেবে আমি সবসময় পরামর্শ দেব ভ্রমণ করার দিন অন্তত ৩০ মিনিট আগে রাজশাহী স্টেশনে পৌঁছানো বুদ্ধিমানের কাজ। রাতে শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়া অনেক সময় সমস্যার সৃষ্টি করে। তাছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ে মাঝে মাঝে কারিগরি বা সূচিজনিত কারণে সময়সূচীতে কিছু পরিবর্তন আনে। তাই স্টেশন ছাড়ার আগে সঠিক ও আপডেট রানিং স্ট্যাটাস জানার জন্য রেলওয়ের ‘Rail Sheba’ অ্যাপ ব্যবহার করা বা স্টেশনের এনকোয়ারি কাউন্টার থেকে নিশ্চিত করে নেওয়া হবে বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত। আশা করি এই ৬ ঘন্টা ১০ মিনিটর এই দীর্ঘ যাত্রা সুন্দর হোক।

রাজশাহী টু ঠাকুরগাঁও ট্রেনের ভাড়ার তালিকা?

রাজশাহী থেকে ঠাকুরগাঁওগামী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে বিভিন্ন ক্যাটাগরির আসন রয়েছে। যাত্রীরা নিজেদের সুবিধা ও বাজেট অনুযায়ী টিকিট কাটতে পারেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা নিচে ছক আকারে দেওয়া হলোঃ
আসনের শ্রেণি ভাড়া (টাকা)
শোভন ২৮০ টাকা
শোভন চেয়ার ৩৩৫ টাকা
প্রথম সিট ৪৪৫ টাকা
প্রথম বার্থ ৬৬৫ টাকা
স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) ৫৫৫ টাকা + ভ্যাট
এসি সিট ৬৬৫ টাকা + ভ্যাট
এসি বার্থ ৯৯৫ টাকা + ভ্যাট + বেডিং চার্জ
ট্রেনের ভাড়া সময়, আসনের শ্রেণি, সরকারি ভাড়া পরিবর্তন, ভ্যাট বা অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জের প্রভাবে বাড়তে বা কমতে পারে। তাই যাত্রার পূর্বে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট/ই-টিকিট সিস্টেমে আপনার নির্দিষ্ট যাত্রার তারিখ, গন্তব্য ও আসনের শ্রেণি নির্বাচন করে সর্বশেষ ভাড়া চেক করা শ্রেয়। অনলাইনে টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে মূল টিকিট ভাড়ার সাথে প্রযোজ্য অনলাইন/সার্ভিস চার্জ যোগ হলে মোট পরিশোধের পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট সিস্টেমে টিকিট ক্রয়ের সময়ে চূড়ান্ত মূল্য দেখানো হয়, তাই পেমেন্টের পূর্বে প্রদর্শিত মোট টাকার পরিমাণটি যাচাই করা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।

ট্রেনটির যাত্রাবিরতি ও মধ্যবর্তী স্টেশনসমূহের তালিকা?

রাজশাহী থেকে ঠাকুরগাঁও রোড পর্যন্ত এই দীর্ঘ রেলপথে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৫০টিরও বেশি স্টেশন রয়েছে। তবে এটি একটি আন্তঃনগর ট্রেন হওয়ায় সব স্টেশনে বিরতি দেয় না। যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা এবং ট্রেন চলাচলের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কেবল নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ জংশন ও স্টেশনে ট্রেনটি থামে। মাঝপথের কোনো অঞ্চল থেকে ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে ট্রেনটি ঠিক কোন কোন স্টেশনে থামে, তা জেনে রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন।
রাজশাহী-টু-ঠাকুরগাঁও-ট্রেনের-সময়সূচী
রাজশাহী থেকে ছেড়ে ঠাকুরগাঁও পৌঁছানো পর্যন্ত বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস (৮০৩) যে নির্দিষ্ট স্টেশনগুলোতে থামে, সেগুলোর নাম নিচে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে দেওয়া হলোঃ
  • রাজশাহী (যাত্রা শুরু)
  • আব্দুলপুর জংশন
  • নাটোর
  • আহসানগঞ্জ
  • সাঁন্তাহার জংশন
  • জয়পুরহাট
  • পাঁচবিবি
  • বিরামপুর
  • ফুলবাড়ী
  • দিনাজপুর
  • চিরিরবন্দর
  • ঠাকুরগাঁও রোড (গন্তব্য)
মাঝের যেকোনো ইন্টারমিডিয়েট স্টেশন থেকে এই ট্রেনে উঠতে চাইলে, নির্ধারিত সময়সূচীর অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে প্ল্যাটফর্মে পৌঁছানো আবশ্যক। কারণ প্রধান জংশন ছাড়া বাকি স্টেশনগুলোতে ট্রেনটি মাত্র ২ থেকে ৩ মিনিট থামে। রাতের যাত্রায় তাড়াহুড়ো করে ট্রেনে ওঠানামা করা বিপজ্জনক হতে পারে, সুতরাং আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

ঠাকুরগাঁও থেকে রাজশাহী ট্রেনের সময়সূচী (ফিরতি যাত্রা)?

ঠাকুরগাঁও রোড স্টেশন থেকে রাজশাহী ফেরার পথটা আমার খুব পরিচিত। রাতে নিশ্চিন্তে ও আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস (৮০৪) ট্রেনের চেয়ে ভালো বিকল্প নেই। এই রুটে সরাসরি আসার মতো এটিই একমাত্র ট্রেন। রাতের আঁধারে যাত্রা শুরু করে ভোরের আলো ফোটার আগেই এটি রাজশাহী পৌঁছে যায়। আপনার সুবিধার্থে ফিরতি ট্রেনের সময়সূচীটি নিচে দেওয়া হলোঃ
ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সময় ছুটির দিন
বাংলাবান্ধা (৮০৪) রাত ০৯ঃ০০ রাত ০৩ঃ০০ শনিবার
নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি ট্রেন রাত ৯টায় ছাড়লেও অন্তত সাড়ে ৮টার মধ্যে স্টেশনে পৌঁছে যাওয়া ভালো। রাতের বেলা শেষ মুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ এড়ানোই নিরাপদ। মনে রাখবেন, প্রতি শনিবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। আর বের হওয়ার আগে অ্যাপ থেকে ট্রেনের রানিং স্ট্যাটাসটা একবার দেখে নিলে জার্নিটা একদম দুশ্চিন্তামুক্ত থাকবে।

অনলাইনের মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট কাটার উপায়?

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবস্থা আমাদের জীবনকে বর্তমানে এখন অনেক সহজ ও সুন্দর করে দিয়েছে। এই যে এই বিষয়টা একটু ভেবে দেখুন না। আমরা আগে একটা টিকিটের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতেন কখনো টিকিট পাইতাম আবার কখনো ফুরায় যেত। কিন্তু এখন আপনি চাইলেই বাসাতে বসে খুব সহজে অনলাইনের মাধ্যমে আপনার টিকিট কাটতে পারেন।
আপনি যদি এখনো অনলাইনে নিজের একটা টিকিট কনফার্ম করতে না পারেন। সমস্যার কিছু নেই আপনি এখানে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পরে আপনার সামনে একটা আর্টিকেল আসবে একটু নিচের দিকে গেলে দেখতে পাবেন একটা সেকেন্ডারি হেডিং আছে অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট কাটার নিয়ম। ওইখানে আমি রেজিস্ট্রেশন করা থেকে শুরু করে কিভাবে টিকিট কাটতে হয় সম্পূর্ণ সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিয়েছি। মানে এ বিষয়ে যদি জিরো ধারণা থাকে তাও আপনি আপনার টিকিট কাটতে পারবেন ।

ট্রেনের কোন আসনটি আপনার জন্য ভালো হবে?

রাজশাহী থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের এই দীর্ঘ রাতের যাত্রায় সিট সিলেক্ট করাটা কিন্তু আপনার পুরো ভ্রমণের আমেজ বদলে দিতে পারে। আমার বহুবার এই রুটে চলার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি আপনি যদি একা ভ্রমণ করেন আর বাজেট কিছুটা কম থাকে, তবে ‘শোভন চেয়ার’ আপনার জন্য একদম পারফেক্ট। কিন্তু রাতের বেলা একটু শান্তিতে ঘুমাতে চাইলে বা সাথে পরিবারের বয়স্ক সদস্য ও শিশু থাকলে শোভন চেয়ারের টানা ধাক্কাধাক্কিতে বেশ ক্লান্তি চলে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে অল্প কিছু টাকা বেশি খরচ করে ‘স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার)’ নেওয়াটা হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ, যেখানে আরাম আর এসি দুটোই মিলবে।

আর যদি ভ্রমণকে একদম রিলেক্সিং করতে চান এবং পরিবারের প্রাইভেসি নিয়ে কোনো আপস না করতে চান, তবে চোখ বন্ধ করে ‘এসি বার্থ’ বা ‘এসি সিট’ বেছে নিতে পারেন। রাতের এই জার্নিতে বিছানায় শুয়ে শুয়ে চলে যাওয়া এবং ভোরে একদম ফ্রেশ মনে নামা এর অনুভূতির সাথে আর কিছুর তুলনা হয় না। তাই আপনার পকেটের বাজেট আর শরীর কতটা কমফোর্ট চায়, এই দুটো হিসেব করে সিট বেছে নিন; দেখবেন পুরো যাত্রাটাই দারুণ এক স্মৃতি হয়ে থাকবে।

ট্রেনের লাইভ লোকেশন এসএমএস এর মাধ্যমে?

রাজশাহী টু ঠাকুরগাঁও ট্রেনের সময়সূচী জানার পাশাপাশি ট্রেনের লাইভ লোকেশন জানার বিষয়টাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের মধ্যে অনেকেরই এরকম হয়েছে যে ট্রেনে জার্নি করব সে ট্রেনটা কোন কারণে আসতে দেরি হচ্ছে। তখন মনের মধ্যে সবারই একটা প্রশ্ন জাগে ট্রেনটা এখন কোথায়। আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস করে।
কিভাবে করবেন বুঝতে পারছেন না। আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশানে যান। টাইপ করুন ১৬৩২৮। তারপর TR স্পেস দিয়ে আপনি যে ট্রেনে যাবেন সে ট্রেনে নাম্বারটি দিন। আমি ধরে নিচ্ছি আপনি বাংলাবান্ধা (৮০৩) যাবেন তাহলে TR 803 লিখে সেন্ড করুন ।তাহলে কিছুক্ষণের মাধ্যমে আপনাকে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে এই ট্রেনটি বর্তমানে কোথায়।

রেলওয়ে স্টেশনের প্রয়োজনীয় তথ্য ও হেল্পলাইন?

ভ্রমণের দিন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা এড়াতে রেলওয়ের তথ্য ও হেল্পলাইন সেবাগুলো ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। আপনার কাঙ্ক্ষিত ট্রেনটি এখন কোথায় আছে বা ঠিক কতক্ষণ বিলম্বে চলছে, তা জানতে স্টেশনে যাওয়ার আগেই আপনার মোবাইল থেকে ১৬৩১৮ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে পারেন। মেসেজ অপশনে গিয়ে TR লিখে স্পেস দিয়ে ট্রেন নম্বর (যেমনঃ TR 803) লিখে ১৬৩১৮-এ পাঠালেই ফিরতি মেসেজে ট্রেনের বর্তমান অবস্থান জেনে যাবেন। 
রাজশাহী-টু-ঠাকুরগাঁও-ট্রেনের-সময়সূচী
এছাড়া সরাসরি টিকিট বুকিং, রিফান্ড বা যেকোনো জরুরি অনুসন্ধানের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের হটলাইন নম্বর ১৬৪৩১-এ কল করে তাৎক্ষণিক সহায়তা পেতে পারেন।স্টেশনে পৌঁছানোর পর ট্রেন ধরতে সবসময় প্ল্যাটফর্মের ডিসপ্লে বোর্ড ও মাইকের ঘোষণার দিকে খেয়াল রাখুন। 
যদি নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম বা সিট নম্বর খুঁজে পেতে সমস্যা হয়, তবে দ্বিধাবোধ না করে সরাসরি প্ল্যাটফর্ম মাস্টার বা দায়িত্বরত টিটিই (TTE)-এর সাহায্য নিন। আর হ্যাঁ, যেকোনো জরুরি মুহূর্তে বা নিরাপত্তার প্রয়োজনে স্টেশনে কর্মরত রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (RNB) বা রেলওয়ে পুলিশকে (GRP) জানান। আপনার সামান্য পূর্বপ্রস্তুতি ও হেল্পলাইনের সঠিক ব্যবহার রাতের যাত্রাকে সম্পূর্ণ দুশ্চিন্তামুক্ত ও আনন্দদায়ক করে তুলবে।

এ বিষয়ে যাত্রীদের করা কিছু প্রশ্ন উত্তর?

১. রাজশাহী থেকে ঠাকুরগাঁও যাওয়ার ট্রেন কোনটি?
উত্তরঃ বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস (৮০৩)।

২. ট্রেনটি কখন ছাড়ে ও পৌঁছায়?
উত্তরঃ রাত ০৯:১৫ মিনিটে ছাড়ে এবং ভোর ০৩:২৫ মিনিটে পৌঁছায়।

৩. বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক ছুটি কবে?
উত্তরঃ রাজশাহী থেকে যাওয়ার দিন শুক্রবার, আর ঠাকুরগাঁও থেকে ফেরার দিন শনিবার।

৪. ট্রেনের টিকিট কীভাবে কেনা যায়?
উত্তরঃ ‘Rail Sheba’ অ্যাপ বা রেলওয়ের ওয়েবসাইট (eticket.railway.gov.bd) থেকে।

৫. মোবাইলে ট্রেনের লাইভ লোকেশন দেখব কীভাবে?
উত্তরঃ মোবাইল মেসেজে TR 803 লিখে 16318 নম্বরে পাঠান।

এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা?

আমার দীর্ঘদিনের ট্রেন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, রাজশাহী টু ঠাকুরগাঁও ট্রেনের সময়সূচী জেনে সঠিক সময়ে প্রস্তুতি নিতে পারলে পুরো ভ্রমণটি অত্যন্ত নিখুঁত ও আরামদায়ক হয়। রাতের ভ্রমণে অযথা স্টেশনে গিয়ে দীর্ঘসময় অপেক্ষা না করে, আগেই অ্যাপে ট্রেনের লোকেশন দেখে বের হওয়াটা খুব বুদ্ধিমানের কাজ যা আমি নিজে সবসময় মেনে চলি।

যদি আপনি কম খরচে স্বাচ্ছন্দ্যে পৌঁছাতে চান তবে রাজশাহী টু ঠাকুরগাঁও ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসই সেরা বিকল্প। ব্যক্তিগত পরামর্শ থাকবে, তাড়াহুড়ো এড়াতে অন্তত ১০ দিন আগেই টিকিট কেটে রাখুন এবং রাতের যাত্রায় শরীরকে বিশ্রাম দিতে স্নিগ্ধা বা বার্থ সিট বেছে নিন। সঠিক পরিকল্পনা থাকলে আপনার এই জার্নিটি নিশ্চিতভাবেই একটি চমৎকার স্মৃতির অংশ হয়ে থাকবে।রেলপথের নিত্যনতুন আপডেট ও তথ্যবহুল গাইড পেতে ইনফোনেস্ট আইটির সাথেই থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Rifat Mhamud
Md. Rifat Mhamud
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটার ও SEO এক্সপার্ট। ওয়েবসাইট, ব্লগিং, অনলাইন ইনকাম ও প্রযুক্তি নিয়ে নিয়মিত কাজ ও লেখালেখি করি। এই ওয়েবসাইটে আমার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মিত শেয়ার করে থাকি।