পার্বতীপুর টু লালমনিরহাট ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

পার্বতীপুর টু লালমনিরহাট ট্রেনের সময়সূচী, ছুটির দিন, ট্রেনের নাম ও আসল ভাড়ার তালিকা জানুন। ডলোনচাঁপা ও বুড়িমারী এক্সপ্রেসের টিকিট কাটার সঠিক নিয়মসহ পুরো তথ্য এখানে।
পার্বতীপুর-টু-লালমনিরহাট-ট্রেনের-সময়সূচী
এ বিষয়ে সমস্ত তথ্য এই আর্টিকেলে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা আছে। যা আপনি একবার পড়লে খুব সহজেই এ বিষয়ের সকল সমস্যার কাঙ্ক্ষিত সমাধান পেয়ে যাবেন। তাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পেজ সূচিপত্রঃ পার্বতীপুর টু লালমনিরহাট ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

পার্বতীপুর টু লালমনিরহাট ট্রেনের সময়সূচী?

পার্বতীপুর টু লালমনিরহাট ট্রেনের সময়সূচী জেনে যাত্রা শুরু করলে পথ চলার ঝামেলা অনেকটাই কমে যায়। পার্বতীপুর জংশন থেকে দ্রুত ও আরামদায়ক সফরের জন্য আন্তঃনগর এবং কম খরচে সহজ যাতায়াতের জন্য কমিউটার বা লোকাল ট্রেন দারুণ মাধ্যম। আপনার সুবিধার্থে সব ট্রেনের সময়সূচী নিচে আলাদাভাবে দুইটা টেবিলে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলোঃ

পার্বতীপুর টু লালমনিরহাট ট্রেনের সময়সূচী(আন্তঃনগর)

ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সময় বন্ধের দিন
বুড়িমারী এক্সপ্রেস (৮০৯) ০৬ঃ৩০ AM ০৮ঃ০০ AM মঙ্গলবার
ডলোনচাঁপা এক্সপ্রেস (৭৬৭) ০৯ঃ৪০ AM ১১ঃ৪৫ AM রবিবার

পার্বতীপুর টু লালমনিরহাট ট্রেনের সময়সূচী(কমিউটার ও লোকাল )

ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সময় বন্ধের দিন
লালমনি কমিউটার-২ (৬৪) ০৬ঃ০০ AM ০৮ঃ৩০ AM নেই
বুড়িমারী কমিউটার (৫১) ১২ঃ২৫ PM ০২ঃ৩০ PM নেই
উপরের দুটি টেবিলের মধ্যে কাজের সুবিধার্থে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। আপনি যদি নিরিবিলি ও আরামদায়ক সফরের জন্য আন্তঃনগর ট্রেনের (ডলোনচাঁপা বা বুড়িমারী এক্সপ্রেস) সিট চান, তবে ১-২ দিন আগেই অনলাইনে টিকিট নিশ্চিত করা ভালো। অন্যদিকে কমিউটার ট্রেনের কোনো অনলাইন টিকিট হয় না এগুলো প্রতিদিন চলাচল করে এবং যাত্রার কিছুক্ষণ আগে পার্বতীপুর কাউন্টার থেকেই টিকেট মিলবে। তাই ট্রেনের ধরন অনুযায়ী আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ট্রেনের টিকিটের বর্তমান মূল্য তালিকা?

আপনি যদি পার্বতীপুর জংশন থেকে লালমনিরহাট যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে ট্রেনের আসনভেদে ভাড়ার পার্থক্য জেনে রাখা জরুরি। আন্তঃনগর ও কমিউটার ট্রেনের সুবিধা ভিন্ন হওয়ায় টিকিটের দামেও সামান্য তফাত থাকে। যাত্রীরা যাতে বাজেট অনুযায়ী সঠিক সিট বেছে নিতে পারেন, তাই হালনাগাদ ভাড়ার তালিকা নিচে তুলে ধরা হলোঃ
সিটের শ্রেণি ট্রেনের ধরন ভাড়া
শোভন লোকাল/কমিউটার ৳ ৩৫ - ৪৫
শোভন চেয়ার আন্তঃনগর ৳ ৬০ - ৭০
ফার্স্ট ক্লাস আন্তঃনগর ৳ ৯০ - ১১০
স্নিগ্ধা (এসি) আন্তঃনগর ৳১৩০-১৬০
সাধারণত কাউন্টার এবং অনলাইন উভয় মাধ্যমেই আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট কেনা যায়, তবে কাউন্টার টিকিট নিলে কোনো অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ লাগে না। অনলাইনে ই-টিকিট কাটার ক্ষেত্রে পেমেন্ট গেটওয়ে ভেদে প্রতি টিকিটে ২০ টাকা ফি যুক্ত হতে পারে। এছাড়া ৫ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য অর্ধেক টিকিটের সুবিধা রয়েছে। আশা করি বিষয়টা সুন্দরভাবে বুঝাতে পেরেছি।

মাঝপথের স্টেশনসমূহ ও ট্রেন থামার সময়সূচী?

পার্বতীপুর জংশন থেকে ট্রেন ছেড়ে লালমনিরহাট পৌঁছানো পর্যন্ত পথে মোট ৮টি প্রধান স্টেশন পড়ে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য ক্রমানুসারে মাঝপথের স্টেশনগুলোর তালিকা নিচে দেওয়া হলোঃ

১. খোলাহাটি (কমিউটার স্টপেজ)
২. বদরগঞ্জ (সব ট্রেনের বিরতি)
৩. শ্যামপুর (কমিউটার স্টপেজ)
৪. রংপুর (প্রধান স্টেশন - সব ট্রেন থামে)
৫. মিরবাগ (কমিউটার স্টপেজ)
৬. কাউনিয়া জংশন (প্রধান জংশন - সব ট্রেন থামে)
৭. তিস্তা জংশন (জংশন স্টপেজ)
৮. মহেন্দ নগর (কমিউটার স্টপেজ)
রংপুর ও কাউনিয়া জংশনে আন্তঃনগরসহ সব ট্রেন থামে। তবে আপনি যদি মাঝপথের ছোট কোনো স্টেশনে নামতে চান, তবে কমিউটার বা লোকাল ট্রেনে ওঠাই সবচেয়ে ভালো হবে।

লালমনিরহাট টু পার্বতীপুর ট্রেনের সময়সূচী?

লালমনিরহাট টু পার্বতীপুর ট্রেনের সময়সূচী জেনে নিয়ে ফিরতি যাত্রার সঠিক পরিকল্পনা করা সহজ হয়। লালমনিরহাট জংশন থেকে পার্বতীপুরের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন যেসব ট্রেন চলাচল করে, সেগুলোর সময়সূচী নিচে সংক্ষেপে দেওয়া হলোঃ
ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় পৌঁছানোর সময় ছুটির দিন
ডলোনচাঁপা এক্সপ্রেস ০৬:০০ PM ০৮:১০ PM রবিবার
বুড়িমারী এক্সপ্রেস ০৬:১৫ PM ০৭:৫০ PM মঙ্গলবার
লালমনি কমিউটার-১ ০৪:৩০ PM ০৭:০০ PM নেই
বুড়িমারী কমিউটার ০৭:১৫ AM ০৯:৩০ AM নেই
বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে এই রুটে ট্রেন বেশি থাকে। আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অনলাইনে এবং কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার থেকে নিতে হবে।

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম?

ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য আজকাল আর স্টেশনের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট করার দরকার নেই, আমি নিজেই তো ইদানীং মোবাইল দিয়েই সব কেটে ফেলি।শুরুতেই আপনার ফোনটা হাতে নিয়ে প্লে-স্টোর থেকে Rail Sheba অ্যাপটা নামিয়ে নিন। অ্যাপ ওপেন করে আপনার আগে অ্যাকাউন্ট করা থাকলে নম্বর আর পাসওয়ার্ড দিয়ে ঢুকে পড়ুন, আর নতুন হলে এনআইডি (NID) নম্বর দিয়ে ১ মিনিটেই রেজিস্টার করে নেওয়া যায়।এরপর অ্যাপে ঢুকেই দেখবেন 'From' আর 'To' নামে দুটি জায়গা আছে। 
পার্বতীপুর-টু-লালমনিরহাট-ট্রেনের-সময়সূচী
'From'-এ লিখবেন আপনি যে স্টেশন থেকে উঠবেন (যেমন পার্বতীপুর) আর 'To'-তে লিখবেন যেখানে যাবেন (যেমন লালমনিরহাট)। ভ্রমণের দিনটি বেছে নিয়ে Find Tickets-এ একটা ক্লিক মারবেন।সামনে যেসব ট্রেনের নাম ভেসে উঠবে, সেখান থেকে সুবিধাজনক সময়ের ট্রেনের Book Now অপশনে গিয়ে খালি লাল বা সবুজ সিট থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন।এরপর পেমেন্টের পালা! বিকাশ, নগদ কিংবা রকেট যেটা আপনার ফোনে আছে সেটা সিলেক্ট করে নম্বর আর ওটিপি দিলেই টাকা কেটে নেবে আর টিকিটও কনফার্ম হয়ে যাবে।
টাকা দেওয়া শেষ হলেই অ্যাপের History সেকশনে গিয়ে Download Ticket-এ চাপ দিয়ে টিকিটটি মোবাইলে সেভ করে নিন। ব্যস, কাজ শেষ! ভ্রমণের দিন আর প্রিন্ট করার ঝামেলা নেই, টিটিই সাহেব আসলে ফোন থেকে এই টিকিটের ফাইল আর নিজের ভোটার আইডি দেখালেই কেল্লা ফতে।

মোবাইলে এসএমএস (SMS) দিয়ে ট্রেনের লাইভ?

এসএমএসের (SMS) মাধ্যমে ট্রেনের রিয়েল-টাইম রানিং স্ট্যাটাস বা লাইভ লোকেশন জানা খুবই সহজ। ইন্টারনেট ছাড়া সাধারণ যেকোনো বাটন মোবাইল দিয়েই এটা করা সম্ভব, আমি নিজেও ভ্রমণের সময় মাঝপথের লোকেশন জানতে এটি ব্যবহার করি।

ট্রেনের অবস্থান জানতে প্রথমে আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন TR। তারপর একটি স্পেস দিয়ে আপনার ট্রেনের নাম বা ট্রেন নম্বরটি লিখুন (যেমনঃ TR 768 অথবা TR DOLONCHAPA)। এরপর মেসেজটি 16318 নম্বরে পাঠিয়ে দিন।
মেসেজ পাঠানোর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ফিরতি এসএমএসে ট্রেনটি বর্তমানে কোন স্টেশনে আছে, পরবর্তী স্টেশন কোনটি এবং ট্রেনটি সঠিক সময়ে চলছে নাকি লেট আছে তার বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যাবেন। তবে মনে রাখবেন, প্রতিবার এসএমএস পাঠানোর জন্য টেলিকম অপারেটরভেদে ৪-৫ টাকার মতো চার্জ কাটতে পারে। তাই মেসেজ দেওয়ার আগে নিজের ব্যালেন্সটা চেক করুন।

পার্বতীপুর থেকে ট্রেন ভ্রমণের দরকারী কিছু টিপস?

পার্বতীপুর থেকে ট্রেনে উঠছেন? তাহলে অভিজ্ঞতা থেকে দুটো দরকারী কথা বলি। প্রথমত, পার্বতীপুর একটি বড় এবং ব্যস্ত জংশন, তাই ট্রেনের নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট আগেই স্টেশনে পৌঁছে যাওয়া ভালো। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে বারবার মাইকের অ্যানাউন্সমেন্ট খেয়াল করবেন, কারণ একই সময়ে একাধিক ট্রেন ঢুকলে প্ল্যাটফর্ম পরিবর্তন হতে পারে। আর প্ল্যাটফর্মে ওঠার পর ট্রেনের বগির নম্বরগুলো ওপরের ডিসপ্লেতে দেখে নিয়ে আপনার নির্দিষ্ট কোচের কাছে আগেই গিয়ে দাঁড়ান, এতে শেষ মুহূর্তের দৌড়াদৌড়ি এড়ানো যাবে।
পার্বতীপুর-টু-লালমনিরহাট-ট্রেনের-সময়সূচী
দ্বিতীয়ত, যদি আপনার ভ্রমণ দীর্ঘ হয়, তবে স্টেশনের বাইরে বা ট্রেনের ভেতের খোলামেলা খাবার না খেয়ে সাথে বোতলজাত পানি ও হালকা শুকনো খাবার রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। টিকিট এবং এনআইডি কার্ড বা ফোনে সেভ করা ই-টিকিট সবসময় সহজে বের করা যায় এমন পকেটে রাখুন। আর হ্যাঁ, আপনি যদি কোনো কানেক্টিং ট্রেন বা মাঝপথের অন্য রুটের ট্রেনে উঠতে চান, তবে কাউন্টার বা দায়িত্বরত গার্ডের কাছ থেকে পরের ট্রেনের সঠিক প্ল্যাটফর্মটি আগেই জেনে নেবেন, ভ্রমণ একদম ঝালাই ছাড়া পার হয়ে যাবে।

জরুরি পরিস্থিতিতে টিকিট বাতিল ও রিফান্ড নীতি?

জরুরি প্রয়োজনে ট্রেনের যাত্রা বাতিল করতে হলে অনলাইন ই-টিকিটিং বা স্টেশন কাউন্টার উভয় মাধ্যমেই টিকিট ফেরত দিয়ে রিফান্ডের টাকা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে মনে রাখবেন, যাত্রার কতক্ষণ আগে টিকিট ফেরত দিচ্ছেন তার ওপর নির্ভর করে নির্দিষ্ট হারে টাকা কাটা হয়ঃ
  • ৪৮ ঘণ্টার বেশি আগে ভাড়ারঃ২০% কাটা হবে।
  • ৪৮ ঘণ্টা থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেঃ ভাড়ার ২৫% কাটা হবে।
  • ২৪ ঘণ্টা থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যেঃ ভাড়ার ৫০% কাটা হবে।
  • ১২ ঘণ্টা থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যেঃ ভাড়ার ৭৫% কাটা হবে।
  • ৪ ঘণ্টার কম সময় বা ট্রেন ছাড়ার পরঃ আর কোনো টাকা ফেরত বা রিফান্ড পাওয়া যাবে না।
অনলাইনে কেনা টিকিট রেল সেবা অ্যাপের Purchase History থেকে সরাসরি Cancel Ticket অপশনে গিয়ে বাতিল করা যায়। রিফান্ডের টাকা সাধারণত পরবর্তী ৮ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে যে বিকাশ, নগদ বা কার্ড থেকে পেমেন্ট করেছিলেন, সেখানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা হয়ে যায়। আর কাউন্টার টিকিট হলে মূল টিকিট ও এনআইডি সহ  স্টেশন কাউন্টারে গিয়ে জমা দিয়ে টাকা বুঝে নিতে হয়।

এ বিষয়ে যাত্রীদের করা কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর?

১. প্রশ্নঃ শিশুদের জন্য কি আলাদা টিকিট কাটতে হবে?
উত্তরঃ ৩ বছরের বেশি বয়সের শিশুদের জন্য পূর্ণ টিকিট কাটতে হবে।

২. প্রশ্নঃ অনলাইনের কাটা টিকিট কি অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা যায়?
উত্তরঃ না, যার নামে টিকিট তিনি ছাড়া অন্য কারও কাছে টিকিট হস্তান্তর করা বেআইনি।

৩. প্রশ্নঃ অনলাইন টিকিট কাটার পর কি যাত্রীর নাম পরিবর্তন করা যাবে?
উত্তরঃ না, একবার টিকিট ইস্যু হয়ে গেলে কোনো তথ্য বা নাম পরিবর্তন করা যায় না।

৪. প্রশ্নঃ কত দিন আগে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট পাওয়া যায়?
উত্তরঃ সাধারণত ভ্রমণের ১০ দিন আগে থেকে অনলাইনে অগ্রিম টিকিট কেনা যায়।

৫. প্রশ্নঃ ট্রেনের টিকিট ক্যানসেল করার সার্ভিস চার্জ কত?
উত্তরঃ সময় অনুযায়ী নির্দিষ্ট রিফান্ড কাটার পর অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের  প্রসেসিং চার্জ বাদ যায়।

এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা?

পার্বতীপুর টু লালমনিরহাট ট্রেনের সময়সূচী জেনে নিয়মিত যাতায়াত করা যাত্রীদের জন্য সফর বেশ সহজ ও ঝুঁকিমুক্ত হয়ে যায়। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ট্রেনের সময় জেনে স্টেশনমুখী হলে শেষ মুহূর্তের দৌড়াদৌড়ি বা অযথা অপেক্ষার ঝামেলা পোহাতে হয় না। আমি নিজে যখনই এই রুটে ভ্রমণ করেছি, টিকিটের সময়সূচী ও ট্রেনের ছুটির দিন আগে থেকেই মাথায় রেখে যাত্রা গুছিয়ে নিয়েছি। এতে যেমন সময় বাঁচে, তেমনি সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোও নিশ্চিত হয়। 

পার্বতীপুর টু লালমনিরহাট ট্রেনের সময়সূচী সংক্রান্ত প্রতিটি আপডেট তথ্য আপনার সুবিধার্থেই এখানে নির্ভুলভাবে তুলে ধরা হলো, যাতে দূরদূরান্ত থেকে ভ্রমণ পরিকল্পনা করা আপনার জন্য সহজ হয়। আমার নিজের বহুবারের যাতায়াতের অভিজ্ঞতা থেকে এই পরামর্শগুলো শেয়ার করা, যাতে পাঠকরা একদম সঠিক তথ্য পেয়ে উপকৃত হতে পারেন। আশা করি তথ্যগুলো আপনার যাত্রাকে আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করবে। ট্রেন ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো আপডেট ও প্রযুক্তিগত তথ্য পেতে ইনফোনেস্ট আইটি (InfoNest IT)-র সাথে থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Rifat Mhamud
Md. Rifat Mhamud
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটার ও SEO এক্সপার্ট। ওয়েবসাইট, ব্লগিং, অনলাইন ইনকাম ও প্রযুক্তি নিয়ে নিয়মিত কাজ ও লেখালেখি করি। এই ওয়েবসাইটে আমার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মিত শেয়ার করে থাকি।