রাজশাহী টু ঈশ্বরদী ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬ (আপডেট)
আপডেটেড রাজশাহী টু ঈশ্বরদী ট্রেনের সময়সূচী, সকল ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম,
ছুটির দিন এবং আসনভিত্তিক ভাড়ার তালিকা জানুন এক ক্লিকেই। এখানে সর্বশেষ আপডেট
উপস্থাপন করা হয়েছে।
আপনি যদি এই লেখাটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়েন। তাহলে আপনার
কাঙ্খিত প্রশ্নের সমাধান পর্যায়ক্রমে সুন্দরভাবে পেয়ে যাবেন। তো চলেন কথা
বাড়িয়ে আলোচনা শুরু করা যাক।
পেজ সূচিপত্রঃ রাজশাহী টু ঈশ্বরদী ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা
- রাজশাহী টু ঈশ্বরদী ট্রেনের সময়সূচী?
- রাজশাহী টু ঈশ্বরদী ট্রেনের ভাড়ার তালিকা?
- ঈশ্বরদী টু রাজশাহী ফেরতি ট্রেনের সময়সূচী?
- কোন ট্রেনটি সবচেয়ে দ্রুত ও আরামদায়ক?
- অনলাইনে ট্রেনের টিকিট টিকিট কাটার নিয়ম?
- এসএমএসের মাধ্যমে লাইভ লোকেশন জানুন?
- রেলওয়ে স্টেশনের জরুরি হেল্পলাইন নম্বর?
- ট্রেনে আরামদায়ক ভ্রমণের বিশেষ টিপস?
- এ বিষয়ে যাত্রীদের করা কিছু প্রশ্ন উত্তর?
- এ বিষয়ে আমার মতামত ও অভিজ্ঞতা?
রাজশাহী টু ঈশ্বরদী ট্রেনের সময়সূচী?
চলুন এক নজরে দেখে নিই রাজশাহী টু ঈশ্বরদী ট্রেনের সময়সূচী। প্রায় ৪৫
কিলোমিটারের এই পথ অতিক্রম করতে আন্তঃনগর ট্রেনে সময় লাগে মাত্র ১ ঘণ্টা। নিচে
বাংলাদেশ রেলওয়ের আপডেটেড তথ্য অনুযায়ী এই রুটের সকল ট্রেনের সময়সূচী সাজিয়ে
দেওয়া হলো, যাতে আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে কোনো অসুবিধা না হয়ঃ
| ট্রেনের নাম (কোড) | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় | বন্ধের দিন |
|---|---|---|---|
| সাগরদাঁড়ি (৭৬২) | ০৬:০০ AM | ০৭:১০ AM | সোমবার |
| মধুমতি (৭৫৬) | ০৬:৪০ AM | ০৭:৪০ AM | বৃহস্পতিবার |
| কপোতাক্ষ (৭১৬) | ০২:৩০ PM | ০৩:৩০ PM | শুক্রবার |
| টুঙ্গিপাড়া (৭৮৪) | ০৩:৩০ PM | ০৪:৩০ PM | সোমবার |
| রাজশাহী কমিউটার (৫৮) | ০৬:৩০ PM | ০৮:১০ PM | সোমবার |
আপনি যদি দ্রুত ও কম সময়ে ঈশ্বরদী পৌঁছাতে চান, তবে সকালের মধুমতি এক্সপ্রেস বা
বিকালের কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস সেরা পছন্দ হতে পারে। সপ্তাহের প্রতি সোমবার এই
রুটে তিনটি ট্রেন (সাগরদাঁড়ি, টুঙ্গিপাড়া ও রাজশাহী কমিউটার) বন্ধ থাকে, তাই
সোমবারে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সকালের মধুমতি বা অন্য বিকল্প বেছে নেওয়াই
বুদ্ধিমানের কাজ হবে।ছুটির দিনগুলোতে স্টেশনে যাত্রীদের বাড়তি চাপ থাকে।
রাজশাহী টু ঈশ্বরদী ট্রেনের ভাড়ার তালিকা?
রাজশাহী থেকে ঈশ্বরদী রুটে যাত্রীদের বাজেটের ওপর ভিত্তি করে সাধারণ সাধারণ আসন
থেকে শুরু করে আরামদায়ক এসি স্নিগ্ধা ও এসি সিট পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরির আসন
ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা নিচে তুলে
ধরা হলো, যাতে আপনার পছন্দ অনুযায়ী টিকেট নির্বাচন করতে সুবিধা হয়ঃ
| আসন শ্রেণী (Class) | টিকিটের মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| সাধারণ / লোকাল (Shovon) | ৪০ - ৬০৳ |
| শোভন চেয়ার (Shovon Chair) | ৭৫ - ৮০৳ |
| প্রথম সিট / চেয়ার | ৯৫ - ১১০৳ |
| স্নিগ্ধা (AC Chair) | ১২০ - ১৩৮৳ |
| এসি সিট (AC Seat) | ১৪৫ - ১৬৭৳ |
অনলাইনে টিকিট কাটলে প্রতি আসনে ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যুক্ত হবে। তবে ৫ বছরের
কম বয়সী শিশুদের জন্য কোনো টিকিট লাগবে না, আর ৫-১২ বছরের শিশুদের হাফ টিকিট
কাটলেই চলবে। বলে রাখা ভালো রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় ভাড়া কিছুটা পরিবর্তন
করতে পারে, তাই যাত্রার আগে অ্যাপে ভাড়াটা আরেকবার চেক করে নেওয়া নিরাপদ।
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
ঈশ্বরদী টু রাজশাহী ফেরতি ট্রেনের সময়সূচী?
ঈশ্বরদী জংশন থেকে রাজশাহী ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকলে ট্রেনের সঠিক সময় জেনে
রাখা জরুরি। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা এই ট্রেনগুলো ঈশ্বরদী হয়ে রাজশাহীর
দিকে যাত্রা করে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য ২০২৬ সালের বাংলাদেশ রেলওয়ের আপডেটেড
তথ্য অনুযায়ী ঈশ্বরদী থেকে রাজশাহীগামী সকল ট্রেনের সময়সূচী ও বন্ধের দিন নিচে
তুলে ধরা হলোঃ
| ট্রেনের নাম (কোড) | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় | বন্ধের দিন |
|---|---|---|---|
| রাজশাহী কমিউটার (৫৭) | ০৭:০০ AM | ০৯:০০ AM | সোমবার |
| কপোতাক্ষ (৭১৫) | ১১:১০ AM | ১২:২০ PM | শুক্রবার |
| টুঙ্গিপাড়া (৭৮৩) | ১২:০০ PM | ০১:১৫ PM | মঙ্গলবার |
| সাগরদাঁড়ি (৭৬১) | ০৮:৩০ PM | ১০:০০ PM | সোমবার |
| মধুমতি (৭৫৫) | ০৯:২৫ PM | ১০:৩০ PM | বৃহস্পতিবার |
ঈশ্বরদী একটি বড় জংশন স্টেশন হওয়ায় কানেক্টিং ট্রেনগুলোর প্ল্যাটফর্মে আসার
সময়ে মাঝে মাঝে ১০-১৫ মিনিট হেরফের হতে পারে। তাই ট্রেন ধরার জন্য ছাড়ার
নির্ধারিত সময়ের অন্তত ২০ মিনিট আগে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে পৌঁছানো বুদ্ধিমানের
কাজ হবে।
কোন ট্রেনটি সবচেয়ে দ্রুত ও আরামদায়ক?
রাজশাহী থেকে ঈশ্বরদী রুটে ভ্রমণ করতে গিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি,
যাত্রার স্বাচ্ছন্দ্য ও সময়ের দিক বিবেচনা করলে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস আর মধুমতি
এক্সপ্রেস সেরা। ট্রেনের ঝকঝকাঝক শব্দে চোখ মেলতেই যখন নির্ধারিত সময়ে
ঈশ্বরদী স্টেশন এসে থামে, তখন সত্যি এক অদ্ভুত তৃপ্তি লাগে। ট্রেন দুটির এসি
(স্নিগ্ধা) কামরাগুলো যেমন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, তেমনি সিটগুলোও বেশ আরামদায়ক
আঙুল ছুঁলেই মনে হয় যাত্রার সব ক্লান্তি নিমেষেই চলে চুলে যাবে।
তবে আপনি যদি কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে চান, তবে কোনো দ্বিধা ছাড়াই মধুমতি
এক্সপ্রেস (৭৫৬) বেছে নিতে পারেন। মাত্র এক ঘণ্টার নিখুঁত এই জার্নিতে যেমন
ট্রাফিকের কোনো ঝুটঝামেলা নেই, তেমনি এর সময়সীমাও বেশ সুনির্দিষ্ট। বিকেল
বেলা একটু হাত-পা ছড়িয়ে শান্তিতে প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে দেখতে যেতে চাইলে
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসের জুড়ি নেই। সত্যি বলতে, পরিবারের প্রিয় মানুষদের নিয়ে
একটি আরামদায়ক সফরের জন্য এই ট্রেন দুটি আপনাকে কখনোই হতাশ করবে না।
অনলাইনে ট্রেনের টিকিট টিকিট কাটার নিয়ম?
অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটা কিন্তু একদমই কঠিন কিছু নয়। চলুন, আপনার হাতের
মোবাইলটি নিন আর আমার সাথে সাথে ধাপগুলো ফলো করুন দেখবেন একদম পানির মতো সহজ
লাগছে।
প্রথমেই আপনার মোবাইলের প্লে স্টোর (Play Store) থেকে Rail Sheba অ্যাপটি
ডাউনলোড করে ওপেন করে নিন। অ্যাপে ঢুকলেই একটি রেজিস্টার বা সাইন আপ অপশন
দেখতে পাবেন। সেখানে আপনার নাম, এনআইডি (NID) নম্বর, জন্ম তারিখ, মোবাইল
নম্বর ও একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট তৈরি করে ফেলুন। এনআইডি ভেরিফিকেশন
সম্পন্ন হলেই ব্যাস, আপনার একাউন্ট রেডি।
এখন অ্যাপের হোম স্ক্রিনে থাকা From Station ঘরে লিখুন Rajshahi এবং To
Station ঘরে সিলেক্ট করুন Ishwardi। এরপর নিচের Date of Journey থেকে আপনার
ভ্রমণের তারিখটি বেছে নিয়ে Find Tickets বাটনে চাপ দিন। চাপ দেওয়া মাত্রই সেই
রুটের সব ট্রেনের তালিকা আপনার সামনে চলে আসবে। আপনার পছন্দমত সময় অনুযায়ী
ট্রেনের নিচে থাকা Select বাটনে চাপ দিয়ে আপনার আসনের ক্যাটাগরি (যেমনঃ
Shovon Chair বা Snigdha) নির্বাচন করুন।
পরের ধাপে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে সিট সিলেক্ট করে Continue Purchase বা
Proceed বাটনে ট্যাপ করুন। এবার বিকাশ, নগদ, রকেট বা কার্ডের মাধ্যমে
মুহূর্তেই টিকেটের টাকা পরিশোধ করে দিন।পেমেন্ট সফল হলেই আপনার ডিজিটাল
ই-টিকিট স্ক্রিনে ভেসে উঠবে। এটি সাথে সাথেই মোবাইলে ডাউনলোড করে নিন।
স্টেশনে গিয়ে প্রিন্ট করারও কোনো ঝামেলা নেই, ভ্রমণের সময় টিটিই (TTE) কে
মোবাইলে দেখানো এই পিডিএফ ফাইলটি দেখালেই যথেষ্ট।
এসএমএসের মাধ্যমে লাইভ লোকেশন জানুন?
অনেক সময় ভ্রমণপথে ট্রেনে নেটওয়ার্ক থাকে না বা এমবি শেষ হয়ে যায়। তবে
দুশ্চিন্তার কিছু নেই, ইন্টারনেট ছাড়াই শুধু একটি সাধারণ এসএমএস (SMS) পাঠিয়ে
আপনি ট্রেনের বর্তমান অবস্থান জেনে নিতে পারবেন। চলুন, আপনার হাতের ফোনটি
নিয়ে সহজ এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
প্রথমেই আপনার মোবাইলের মেসেজ (Message) অপশনে চলে যান। সেখানে বড় হাতের
অক্ষরে টাইপ করুন TR এবং একটি স্পেস (Space) দিন। এবার আপনার ট্রেনের নম্বরটি
লিখুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসের লোকেশন জানতে চান, তবে
লিখবেন TR 716 (একইভাবে সাগরদাঁড়ির জন্য TR 762 বা মধুমতির জন্য TR 756)।
লেখা শেষ হলে মেসেজটি পাঠিয়ে দিন 16318 নম্বরে। সাধারণ যেকোনো সিম (জিপি,
রবি, বাংলালিংক, টেলিটক)
থেকেই এই এসএমএসটি পাঠানো যাবে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই রেলওয়ে থেকে আপনার
মোবাইলে একটি ফিরতি মেসেজ চলে আসবে। সেখানে ট্রেনটি এখন কোন স্টেশনে অবস্থান
করছে, পরবর্তী স্টেশন কোনটি, ট্রেনটি কত কিলোমিটার গতিতে ছুটছে এবং নির্ধারিত
সময়ের চেয়ে কত মিনিট লেটে চলছে সব তথ্য একদম জলের মতো পরিষ্কার দেখতে পাবেন।
রেলওয়ে স্টেশনের জরুরি হেল্পলাইন নম্বর?
রাজশাহী টু ঈশ্বরদী রুটে যাত্রা করার সময় কোনো জরুরি প্রয়োজন হলে বা ট্রেনের
সর্বশেষ সময়সূচী ও তথ্যের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল শর্টকোড ১৬৩১৮
(16318) নম্বরে সরাসরি কল করতে পারেন। ২৪ ঘণ্টাই এই হটলাইন সেবা চালু থাকে।
এছাড়া ই-টিকিট বা যেকোনো সাধারণ তথ্যের সহায়তার জন্য সরাসরি ডায়াল করুন ১৩১
(131) নম্বরে।
আপনার যাত্রা সম্পর্কিত কোনো নির্দিষ্ট জিজ্ঞাসা থাকলে সরাসরি রেলওয়ের
সহায়তায় যোগাযোগ করতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট পোর্টালে সাপোর্ট অপশন
ব্যবহার করতে পারেন অথবা সরাসরি তাদের সাথে
যোগাযোগ করতে
পারেন।এই ইমেইলে মেইল করে দ্রুত সমাধান পেয়ে যাবেন।
ট্রেনে আরামদায়ক ভ্রমণের বিশেষ টিপস?
ট্রেন ভ্রমণকে একদম ঝঞ্ঝাটমুক্ত ও আরামদায়ক করতে কয়েকটি ছোট্ট কিন্তু ভীষণ
কার্যকর বিষয় মাথায় রাখা জরুরি প্রথমত, ভ্রমণের দিন অন্তত ২০-৩০ মিনিট আগেই
স্টেশনে পৌঁছে যান। এতে শেষ মুহূর্তের হুড়োহুড়ি আর প্ল্যাটফর্ম খোঁজার
দৌড়াদৌড়ি এড়ানো যায়। টিকিট কাটার সময় চেষ্টা করবেন শোভন চেয়ার বা এসি
স্নিগ্ধার জানালার পাশের (Window Seat) সিট বেছে নিতে; এতে বাইরের দৃশ্য
দেখতে দেখতে দারুণভাবে সময় কেটে যাবে।
দ্বিতীয়ত, সাথে হালকা খাবার আর নিজের পানির বোতল রাখুন। ভারী ব্যাগপত্র না
নিয়ে যতটুকু সম্ভব কম মালামাল নিয়ে সফর করাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর হ্যাঁ,
ভ্রমণের সময় মোবাইল বা ট্যাবলেটে সময় কাটাতে চার্জের ঝামেলা এড়াতে একটা
পাওয়ার ব্যাংক এবং কানে দেওয়ার জন্য হেডফোন সাথে রাখতে একদম ভুলবেন না। এসব
বিষয় আপনার যাত্রা কে অনেক সুন্দর করবে।
এ বিষয়ে যাত্রীদের করা কিছু প্রশ্ন উত্তর?
প্রশ্ন ১ঃ রাজশাহী থেকে ঈশ্বরদী যেতে ট্রেনে কত সময় লাগে?
উত্তরঃ আন্তঃনগর ট্রেনে ১ ঘণ্টা এবং কমিউটার ট্রেনে প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
সময় লাগে।
প্রশ্ন ২ঃ অনলাইনে কেনা টিকিট কি স্টেশনে প্রিন্ট করতে হবে?
উত্তরঃ না, মোবাইলে ডাউনলোড করা ই-টিকিট দেখালেই চলবে।
প্রশ্ন ৩ঃ ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কত দিন আগে পাওয়া যায়?
উত্তরঃ ভ্রমণের সর্বোচ্চ ১০ দিন আগে থেকে অগ্রিম টিকিট কেনা যায়।
প্রশ্ন ৪ঃ শিশুদের জন্য কি টিকিট কাটতে হয়?
উত্তরঃ ৫ বছরের নিচে ফ্রি, তবে ৫ থেকে ১২ বছর বয়সীদের জন্য হাফ টিকিট লাগবে।
প্রশ্ন ৫ঃ এই রুটে কি এসি (স্নিগ্ধা) সিট আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ, কপোতাক্ষ, সাগরদাঁড়ি ও মধুমতি এক্সপ্রেসে এসি ও স্নিগ্ধা সিট
রয়েছে।
প্রশ্ন ৬ঃ ট্রেন লেট বা বাতিল হলে কি টাকা ফেরত পাওয়া যায়?
উত্তরঃ হ্যাঁ, রেলওয়ের রিফান্ড নিয়ম মেনে অনলাইনে বা কাউন্টার থেকে টাকা ফেরত
পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে আমার মতামত ও অভিজ্ঞতা?
রাজশাহী টু ঈশ্বরদী ট্রেনের সময়সূচী নিয়ে আমার দীর্ঘদিনের যাতায়াতের
অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, সঠিক সময়ে স্টেশনে পৌঁছানো এবং আগেভাগে টিকিট কেটে
ফেলাটাই ভ্রমণকে সবচেয়ে নিশ্চিন্ত করে তোলে। আমি নিজে বহুবার এই রুটে যাতায়াত
করে দেখেছি, হঠাৎ ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিলে অনেক সময় পছন্দের সিট পাওয়া যায় না।
তাই অনলাইনে 'Rail Sheba' অ্যাপের মাধ্যমে অন্তত দুই-তিন দিন আগে টিকিট
কনফার্ম করে নেওয়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। এতে স্টেশনের ভিড় ও বাড়তি
ঝামেলা এড়ানো যায় খুব সহজেই।
রাজশাহী টু ঈশ্বরদী ট্রেনের সময়সূচী মেনে সময়মতো যাত্রা শুরু করতে পারলে
মাত্র এক ঘণ্টাতেই কোনো ক্লান্তি ছাড়া গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। যাত্রার
দিন ট্রেনের লাইভ লোকেশন জানতে ১৬৩১৮ নম্বরে এসএমএস করার সুবিধাটি আমি নিজে
সবসময় ব্যবহার করি, যা একদম নিখুঁত আপডেট দেয়। আশা করি, আমার এই বাস্তব
অভিজ্ঞতা ও শেয়ার করা তথ্যগুলো আপনার ভ্রমণকে আরও সহজ ও আরামদায়ক করবে। ট্রেন
ভ্রমণ সংক্রান্ত এমন আরও দরকারি তথ্য ও গাইড পেতে সবসময়
ইনফোনেস্ট আইটি এর সাথেই থাকুন।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url