বগুড়া টু সান্তাহার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

বগুড়া টু সান্তাহার ট্রেনের সময়সূচী ও টিকেটের দাম খুঁজছেন? যাত্রাকে সহজ করতে ২০২৬ সালের সকল ট্রেনের নতুন শিডিউল ও দরকারি টিপস দেওয়া হলো এখানে।
বগুড়া-টু-সান্তাহার-ট্রেনের-সময়সূচী
এখানে প্রত্যেকটা বিষয়ে এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা আছে যা আপনি দেখলে এ বিষয়ে আর কোন দিন কোন সমস্যায় পড়তে হবে না তাই লেখাটা শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পেজ সূচিপত্রঃ বগুড়া টু সান্তাহার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া জানুন

বগুড়া টু সান্তাহার ট্রেনের সময়সূচী?

বগুড়া টু সান্তাহার ট্রেনের সময়সূচী খুঁজে থাকলে আপনি একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন।উত্তরবঙ্গের এই গুরুত্বপূর্ণ রেলরুটে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী যাতায়াত করেন। যাত্রীদের সুবিধার্থে বগুড়া থেকে সান্তাহার গামী সকল ট্রেনের সময়সূচী নিচে দুটি আলাদা টেবিলে ভাগ করে দেওয়া হলো।প্রথম টেবিলে দ্রুতগামী আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী ও বন্ধের দিন এবং দ্বিতীয় টেবিলে সাশ্রয়ী মেইল ও লোকাল ট্রেনের সময়সূচী স্পষ্টভাব উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে এক নজরেই আপনি আপনার পছন্দের ট্রেনটি খুঁজে নিতে পারেন। টেবিল দুইটা এক নজরে দেখে নিন।

আন্তঃনগর (Intercity) ট্রেনের সময়সূচী

ট্রেনের নাম ও নম্বর বগুড়া ছাড়ে সান্তাহার পৌঁছে ছুটির দিন
করতোয়া এক্সপ্রেস (৭১৪) রাত ০৯ঃ৫০ রাত ১০ঃ৪০ বুধবার
লালমনি এক্সপ্রেস (৭৫২) দুপুর ১২ঃ২৪ দুপুর ০১ঃ৩৫ শুক্রবার
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস (৭৬৮) দুপুর ০২ঃ৪৫ বিকাল ০৪ঃ১০ নেই
রংপুর এক্সপ্রেস (৭৭২) রাত ১১ঃ২২ রাত ১২ঃ০৭ রবিবার
বুড়িমারী এক্সপ্রেস (৮১০) রাত ১২ঃ০৮ রাত ১২ঃ৫০ সোমবার

মেইল ও লোকাল ট্রেনের সময়সূচী

ট্রেনের নাম ও নম্বর বগুড়া ছাড়ে সান্তাহার পৌঁছে ছুটির দিন
কলেজ ট্রেন (৪৯২) সকাল ০৮ঃ৪৩ সকাল ১০ঃ১৫ নেই
বগুড়া এক্সপ্রেস (২০) সকাল ১১ঃ০০ দুপুর ১২ঃ৪৫ নেই
পদ্মা এক্সপ্রেস (২২) সন্ধ্যা ০৬ঃ৫৭ রাত ০৮ঃ২০ নেই
ভ্রমণকে ঝামেলামুক্ত রাখতে ট্রেনের নির্দিষ্ট শিডিউলের অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানো শ্রেয়। আন্তঃনগর ট্রেনের ক্ষেত্রে বিশেষত ছুটির দিনে সিট পাওয়ার জন্য অন্তত ২-৩ দিন আগে টিকিট কেনা বুদ্ধির কথা হবে। তাছাড়া উৎসব বা বিশেষ কারণে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ট্রেনের সময়সূচীতে সাময়িকভাবে কিছু পরিবর্তন আনতে পারে, তাই ভ্রমণের দিন স্টেশনের আপডেট তথ্যের দিকে খেয়াল রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

বগুড়া টু সান্তাহার ট্রেনের ভাড়ার তালিকা?

বগুড়া থেকে সান্তাহার রেলপথে ট্রেনের আসন বা শ্রেণির ওপর নির্ভর করে ভাড়ার পরিবর্তন ঘটে। আপনি যদি সাধারণ লোকাল ট্রেনে যাতায়াত করেন তবে ভাড়া অনেক কম হবে, আর আন্তঃনগর ট্রেনের এসি বা চেয়ার কোচে যাতায়াত করলে ভাড়া কিছুটা বেশি লাগবে। যাত্রীদের সুবিধার্থে সব শ্রেণির টিকিটের নতুন ভাড়ার তালিকা নিচে দেয়া হলোঃ
আসন / শ্রেণির নাম টিকিটের ভাড়া ট্রেনের ধরণ
সূলভ / লোকাল ১৫ - ২০ টাকা লোকাল ও মেইল
শোভন ২৫ - ৩০ টাকা মেইল ট্রেন
শোভন চেয়ার ৪৫ - ৫০ টাকা আন্তঃনগর ট্রেন
স্নিগ্ধা (AC Chair) ৯০ - ১০০ টাকা আন্তঃনগর ট্রেন
এসি সিট (AC Seat) ১১৫ - ১২৫ টাকা আন্তঃনগর ট্রেন
বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট অথবা মোবাইল অ্যাপ থেকে অনলাইনে টিকিট কাটলে, ব্যাংক বা সার্ভিস চার্জের কারণে প্রতি টিকেটে অতিরিক্ত ২০ টাকা যোগ হতে পারে। এছাড়াও, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য টিকেটের প্রয়োজন নেই। আশা করি বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন।

বগুড়া থেকে সান্তাহার রুটের বিরতি স্টেশনসমূহ?

বগুড়া থেকে সান্তাহার জংশন মাত্র ৩৮ কিলোমিটারের সংক্ষিপ্ত পথ হলেও সাধারণ যাত্রীদের সুবিধার জন্য ট্রেনগুলো বেশ কয়েকটি ছোট ও মাঝারি স্টেশনে বিরতি দেয়। আপনি যদি বগুড়া টু সান্তাহার ট্রেনের সময়সূচী দেখে যাত্রার পরিকল্পনা করেন, তবে মাঝপথের বিরতি স্টেশনগুলো সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। বিশেষ করে যারা কোনো নির্দিষ্ট মধ্যবর্তী স্টেশনে নামবেন বা উঠবেন, তাদের সুবিধার্থে সকল স্টেশনের নাম নিচে তুলে ধরা হলোঃ
  • বগুড়া (যাত্রার সূচনাস্থল)
  • কাহালু
  • পাঁচপীর
  • তালোড়া
  • আলতাফনগর
  • নাসরতপুর
  • সান্তাহার জংশন (গন্তব্য স্টেশন)
সব আন্তঃনগর ট্রেনগুলো কিন্তু এই ছোট স্টেশনগুলোতে থামে না। রংপুর এক্সপ্রেস বা বুড়িমারী এক্সপ্রেসের মতো দ্রুত ট্রেনগুলো সরাসরি সান্তাহারে থামে, কিন্তু মেইল ও লোকাল ট্রেনগুলো প্রতিটি স্টেশনে দাঁড়ায়। আমার মনে হয় এই বিষয় গুলো উচিত আপনাকে জানানো উচিত ছিল।

এই যাত্রাপথে কোন ট্রেনটি আপনার জন্য?

বগুড়া থেকে সান্তাহার যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ট্রেন রয়েছে, কিন্তু প্রত্যেকের প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন। ব্যবহারকারী যদি দ্রুত এবং আরামদায়কভাবে যেতে চায়, তাহলে লালমনি এক্সপ্রেস বা বুড়িমারী এক্সপ্রেস নির্বাচন করাই সর্বোত্তম। এই আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর এসি ও স্নিগ্ধ কোচের সুবিধা রয়েছে এবং মাত্র ৪০-৪৫ মিনিটে সান্তাহারে পৌঁছানো সম্ভব।অন্যদিকে, সান্তাহার জংশন থেকে ঢাকা, খুলনা বা রাজশাহীর গুরুত্বপূর্ণ কানেক্টিং ট্রেন ধরার প্রয়োজন হলে সময়কে গুরুত্ব দিতে হবে। 
বগুড়া-টু-সান্তাহার-ট্রেনের-সময়সূচী
এর জন্য করতোয়া এক্সপ্রেস বা দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ব্যবহারকারীদের জন্য আদর্শ বিকল্প, যা নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছাতে সহায়তা করে এবং পরবর্তী ট্রেন মিস করার সম্ভাবনা কমায়।তবে যদি ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য প্রতিদিনের যাতায়াত এবং খরচ সাশ্রয় করা হয়, তাহলে লোকাল ও মেইল ট্রেন আদর্শ। মাত্র ১৫-২০ টাকার টিকিটে কলেজ ট্রেন বা বগুড়া এক্সপ্রেসে অল্প খরচে যাতায়াত করা সম্ভব। ব্যবহারকারীর চাহিদা ও সময় অনুযায়ী সঠিক ট্রেন নির্বাচন করে নিরাপদে যাত্রা করুন।

সান্তাহার থেকে বগুড়া ফেরত আসার সময়সূচি?

সান্তাহার জংশনে কাজ শেষ করে বা কানেক্টিং ট্রেনে এসে বগুড়ায় ফিরে যাওয়ার জন্য সান্তাহার থেকে বগুড়া যাওয়ার সময়সূচি জানা খুব জরুরি। বগুড়া গামী আন্তঃনগর ট্রেন ও লোকাল/মেইল ট্রেনের আলাদা তালিকা নিচে দেওয়া হলো, যা আপনারা ফিরতি ট্রেন নির্বাচনে সহায়তা করবেঃ
ট্রেনের নাম ও নম্বর সান্তাহার ছাড়ে বগুড়া পৌঁছে ছুটির দিন
করতোয়া এক্সপ্রেস (৭১৩) সকাল ০৬ঃ৫০ সকাল ০৭ঃ৪৫ বুধবার
লালমনি এক্সপ্রেস (৭৫১) রাত ১০ঃ১০ রাত ১০ঃ৫৫ শুক্রবার
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস (৭৬৭) সকাল ১১ঃ১০ দুপুর ১২ঃ৩০ নেই
রংপুর এক্সপ্রেস (৭৭১) সকাল ০৫ঃ২০ সকাল ০৬ঃ০৫ সোমবার
বুড়িমারী এক্সপ্রেস (৮০৯) সকাল ০৬ঃ১৫ সকাল ০৭ঃ০০ মঙ্গলবার
বগুড়া এক্সপ্রেস (১৯) দুপুর ০৩ঃ০০ বিকাল ০৪ঃ৪৫ নেই
পদ্মা এক্সপ্রেস (২১) সকাল ০৭ঃ৫০ সকাল ০৯ঃ১৫ নেই
সান্তাহার জংশনে ফেরার আগে নির্দিষ্ট ট্রেনের বর্তমান অবস্থা বা লাইভ লোকেশন পরীক্ষা করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, এতে প্ল্যাটফর্মে অযথা অপেক্ষা করা থেকে বাঁচা যায়।

কিভাবে অনলাইনে সহজে টিকিট কাটবেন?

আপনি যদি এখনো অনলাইনে ঘরে বসে নিজের একটা টিকিট কাটতে না পারেন। তাহলে আপনাকে অনেক সমস্যায় পড়তে হবে। ঠেলা ঠেলি ওগরম ইত্যাদির মাঝে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটাটা আসলে অনেক কষ্টকর। কিন্তু আপনি যদি জেনে যান কিভাবে অনলাইনে বাসাতে বসিয়ে নিজের একটা টিকিট কাটা যায়। তাহলে আপনাকে এসব ভোগান্তি করতে হবে না। চলুন আমি আপনাকে দেখিয়েছি।
আপনার যদি এ বিষয়ে একেবারে শূন্য ধারণা থাকে তাহলে এখানে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পরে আপনার সামনে একটা আর্টিকেল আসবে যার একটু নিচের দিকে আসলে আপনি দেখতে পাবেন আমি খুব সুন্দর ভাবে সেখানে বুঝিয়ে দিয়েছি কিভাবে মোবাইল ফোনে রেজিস্ট্রেশন করা থেকে শুরু করে আপনি আপনার টিকিটটি কাটতে পারেন। লেখাটা এত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে আপনি যদি এ বিষয়ে শূন্য ধারণাও রাখেন তাও আপনি লেখাটা পড়ে সহজেই টিকিট রাখতে পারবেন।

সান্তাহার জংশন থেকে কানেক্টিং ট্রেনের সুবিধা?

উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ এবং প্রাচীন রেলওয়ে জংশনগুলোর মধ্যে সান্তাহার জংশনের নাম সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে উঠে আসে। বগুড়া একটি সম্ভাবনাময় শহর হলেও, বগুড়া স্টেশন থেকে সরাসরি দূরত্বের ট্রেন পাওয়া যায় না। এই কারণে সান্তাহার জংশনকে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য জংশন হিসেবে গণ্য করা হয়। বগুড়া থেকে আধাঘণ্টা অথবা এক ঘণ্টার যাত্রা শেষে সান্তাহার জংশনে পৌঁছালে মনে হয় বিশাল রেলপথের একটি দরজা খুলে গেছে। সান্তাহার জংশন থেকে দেশের প্রায় প্রতিটি বড় গন্তব্যে সঠিক সংযোগ পাওয়া যায়।
বগুড়া-টু-সান্তাহার-ট্রেনের-সময়সূচী
বগুড়া থেকে ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী কিংবা দক্ষিণ-পশ্চিমের যশোর ও বেনাপোলের দিকে যেতে ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হল সান্তাহার জংশন। বগুড়া থেকে সকালে বা বিকেলে ট্রেনে উঠে সান্তাহার জংশনে পৌঁছালে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে দ্রুতগামী ট্রেনের কানেক্টিং টিকিট সহজেই পাওয়া যায়। সান্তাহার জংশন ঢাকা গামী একতা, দ্রুতযান, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস অথবা খুলনা গামী সীমান্ত ও রূপসা এক্সপ্রেসের সাথে চমৎকার সংযোগ তৈরি করে।
দৈনন্দিন যাত্রী হিসেবে সব সময় অনুভব হয় সান্তাহার জংশনের আসল সৌন্দর্য এর যোগাযোগ ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা। বগুড়া থেকে রওনা হয়ে সান্তাহার জংশনে পৌঁছালে কোনো অনিশ্চয়তা থাকে না। বড় ট্রেনের জন্য দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর অপেক্ষার অভাবে প্ল্যাটফর্মের পরিবেশ চনমনে থাকে। সঠিক সময়ে সঠিক ট্রেন পাওয়ার স্বস্তি উত্তরবঙ্গের খুব কম স্টেশনই দিতে পারে।

এসএমএস এর মাধ্যমে ট্রেনের লাইভ লোকেশন?

স্টেশনে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করা কতটা অসহনীয়, তা আমরা যারা নিয়মিত ট্রেনে যাতায়াত করি, সবাই অভিজ্ঞ। ট্রেন কখন ছাড়বে বা বর্তমানে ঠিক কোন স্টেশনে রয়েছে তা সঠিকভাবে জানা না গেলে পুরো ভ্রমণের আনন্দ মাটি হয়ে যায়। তবে ইতিবাচক বিষয় হলো, এখন আর স্টেশনে চাতক পাখির মতো ট্রেনের জন্য বসে থাকতে হবে না। মুঠোফোনের একটি সাধারণ SMS ব্যবহার করে আপনি যে কোনো ট্রেনের সঠিক লাইভ লোকেশন খুব সহজেই জেনে নিতে পারবেন।
প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ এবং যেকোনো সাধারণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এটি করা সম্ভব। ধরুন, আপনি বগুড়া স্টেশন থেকে করতোয়া এক্সপ্রেস (৭১৪) ট্রেনটির জন্য অপেক্ষা করছেন এবং জানতে চান ট্রেনটির বর্তমান অবস্থান। এজন্য আপনার মোবাইলে মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন TR 714 এবং পাঠান 16318 নম্বরে। ফিরতি মেসেজে আপনাকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হবে ট্রেনটি কোথায় অবস্থান করছে এবং তার পরবর্তী স্টেশন কোনটি। মাত্র একটি মেসেজেই আপনি কোনো ঝামেলা ছাড়াই সময় বাঁচিয়ে নিশ্চিন্তে যাত্রার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন।

যাত্রীদের করা সবচাইতে বেশি প্রশ্ন উত্তর?

প্রশ্নঃ বগুড়া থেকে সান্তাহারের দূরত্ব কত?
  • উত্তরঃ এই দুটি স্টেশনের দূরত্ব প্রায় ৩৮ কিলোমিটার।
প্রশ্নঃ ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে?
  • উত্তরঃ আন্তঃনগর ট্রেনে ৪০-৪৫ মিনিট এবং লোকাল ট্রেনে ১ ঘণ্টার মতো লাগে।
প্রশ্নঃ টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায়?
  • উত্তরঃ হ্যাঁ, কেবল আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট রেলওয়ের অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে কেনা যায়।
প্রশ্নঃ সবচেয়ে দ্রুতগামী ট্রেন কোনটি?
  • উত্তরঃ লালমনি এক্সপ্রেস এবং বুড়িমারী এক্সপ্রেস সবচেয়ে দ্রুত পৌঁছায়।
প্রশ্নঃ লোকাল ট্রেনের টিকিট কীভাবে কাটব?
  • উত্তরঃ ভ্রমণের দিন সরাসরি স্টেশন কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা?

বগুড়া টু সান্তাহার ট্রেনের সময়সূচী নিয়ে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, তাড়াহুড়ো না করে ট্রেন ছাড়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো এবং ১৬৩১৮-এ এসএমএস দিয়ে ট্রেনের বর্তমান লাইভ লোকেশন জেনে নেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। বিশেষ করে যারা সান্তাহার থেকে ঢাকাগামী বা দূরপাল্লার কোনো কানেক্টিং ট্রেন ধরবেন, তারা হাতে পর্যাপ্ত সময় রেখে বগুড়া থেকে ট্রেনের শিডিউল বেছে নিলে যেকোনো অপ্রয়োজনীয় প্ল্যাটফর্ম অপেক্ষা বা ট্রেন মিস করার ঝুঁকি এড়াতে পারবেন।

বগুড়া টু সান্তাহার ট্রেনের সময়সূচী মেনে আগেভাগেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে আপনার ভ্রমণ শুধু নিরাপদই হবে না, বরং সময় ও অর্থ দুটোই বেঁচে যাবে। আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য আগে থেকে অনলাইনে আন্তঃনগর টিকিট বুক করুন, আর বাজেটের মধ্যে যেতে চাইলে স্টেশনের কাউন্টার থেকে লোকাল ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করে নিন। রেল ভ্রমণ সম্পর্কিত সকল সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে সবসময় ইনফোনেস্ট আইটির সাথেই থাকুন। আপনার প্রতিটি যাত্রা শুভ ও নিরাপদ হোক!

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Rifat Mhamud
Md. Rifat Mhamud
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটার ও SEO এক্সপার্ট। ওয়েবসাইট, ব্লগিং, অনলাইন ইনকাম ও প্রযুক্তি নিয়ে নিয়মিত কাজ ও লেখালেখি করি। এই ওয়েবসাইটে আমার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মিত শেয়ার করে থাকি।