কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী, ভাড়া ও ছুটির দিন ২০২৬
কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী, টিকিটের সময় ও ভাড়ার তালিকা জানুন।
পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেসের বন্ধের দিন এবং স্টপিস স্টেশনসহ বিস্তারিত তথ্য
এখানে পাবেন। আপনি যদি কুমিল্লা থেকে সিলেট ট্রেনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে থাকেন।
তবে সঠিক তথ্য জানা খুবই জরুরি। এই রুটে চলাচলকারী পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস
ট্রেনের আপডেটেড সময়সূচী, টিকিটের মূল্য, ছুটির দিন ও টিকিট কাটার নিয়মসহ
প্রয়োজনীয় সব তথ্য নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো।
পেজ সূচিপত্রঃ কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী, ভাড়া ও ছুটির দিন
- কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী?
- কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেন আসন ভিত্তিক ভাড়া?
- কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের বিরতি স্টেশন?
- এই যাত্রা পথে কোন ট্রেনটি আপনার জন্য?
- সিলেট কুমিল্লা থেকে ফেরত আসার সময়সূচী?
- কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের অনলাইন টিকিট?
- কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের দূরত্ব ও মোট সময়?
- এসএমএস এর মাধ্যমে ট্রেনের লাইভ লোকেশন?
- আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা?
কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী?
কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী জানা থাকলে পুরো ভ্রমণটাই একদম নিশ্চিন্তে
শেষ করা যায়। ট্রেনে যাতায়াত করতে আমি নিজেও খুব পছন্দ করি, কারণ জ্যামের কোনো
চিন্তা থাকে না আর শান্তিতে যাওয়া যায়। আপনি যদি দিনের আলোতে সবুজ প্রকৃতি
দেখতে দেখতে যেতে চান, তবে সকালের পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সেরা। আর যদি রাতে ঘুমিয়ে
ঘুমিয়ে সফর শেষ করতে চান, তবে রাতের উদয়ন এক্সপ্রেস বেছে নিতে পারেন। আপনার
সুবিধার জন্য মোবাইল স্ক্রিনে সহজে দেখার মতো করে দুটি ট্রেনের সময়সূচী নিচে
টেবিলে দেওয়া হলোঃ
| ট্রেনের নাম | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় | ছুটির দিন |
|---|---|---|---|
| পাহাড়িকা এক্সপ্রেস (৭১৯) | সকাল ১০ঃ২৮ | দুপুর ০৩ঃ৫৫ | সোমবার |
| উদয়ন এক্সপ্রেস (৭২৩) | রাত ১২ঃ১২ | সকাল ০৫ঃ৪৫ | বুধবার |
স্টেশনে গমন করার আগে কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি। যেকোনো ট্রেন সফরের জন্য হাতে
অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় রেখে কুমিল্লা স্টেশনে পৌঁছানো উচিত, এতে
করা যায় আরামপূর্বক আসনে বসা। ভ্রমণ দিনের নির্বাচন করার সময় অবশ্যই খেয়াল
করবেন সোমবার পাহাড়িকা এবং বুধবার উদয়ন ট্রেন বন্ধ থাকে। এছাড়া মাঝে মাঝে
সিগন্যালের কারণে দেরি হতে পারে, তাই হাতের কাছে কিছু বাড়তি সময় রেখে ট্রাভেল
প্ল্যান তৈরি করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেন আসন ভিত্তিক ভাড়া?
ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে গেলে ভাড়ার সঠিক হিসাব জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি
সবসময় ট্রেন যাত্রার আগে টিকিটের বাজেট ব্যবস্থা করে রাখি, এতে করে যাত্রার সময়
অতিরিক্ত কষ্ট পেতে হয় না। কুমিল্লা থেকে সিলেটের ট্রেনে যাওয়ার প্রধান সুবিধা
হলো, আপনার বাজেট যাই হোক না কেন এখানে সম্পূর্ণ সাশ্রয়ী সিট থেকে শুরু করে এসি
কেবিনের বিলাসী আসন পর্যন্ত সকল ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়।
| আসন / সিটের ধরন | ভাড়ার পরিমাণ (টাকা) |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ২৭৫ টাকা |
| স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) | ৫২৯ টাকা |
| এসি সিট | ৬৩৩ টাকা |
| এসি বার্থ (ঘুমানোর সিট) | ৯৬১ টাকা |
ভাড়া সম্পর্কে জানলেন, কিন্তু কিছু ছোটখাটো উপদেশ মনে রাখা জরুরি। আপনি যদি কম
খরচে আরামদায়ক সফর করতে চান, তবে শোভন চেয়ারই সেরা। গরমে দিনের বেলা পাহাড়িকা
এক্সপ্রেসে গেলে স্নিগ্ধা বা এসি সিট নেওয়া সবচেয়ে ভালো হবে। রাতের উদয়ন
এক্সপ্রেসে আরামে ঘুমাতে চাইলে বাজেট একটু বাড়িয়ে এসি বার্থ নেয়া উচিত। টিকিট
কিনতে গেলে রেলওয়ের অনলাইন সার্ভিস চার্জ বা প্ল্যাটফর্ম ফি হিসেবে ২০-৩০ টাকা
বাড়তি লাগতে পারে, সুতরাং বাজেটে সেটা হিসাব রাখতে হবে।
কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের বিরতি স্টেশন?
কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী, ভাড়া ও বিরতি স্টেশনগুলো জানা থাকলে পুরো
যাত্রার সংক্রান্ত স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। ট্রেনের সফরের একটি দারুণ সুবিধা
হলো, একটানা না গিয়ে মাঝে মাঝে বিভিন্ন পরিচিত স্টেশনে কিছু সময়ের জন্য বিরতি
নেওয়া। কোন স্টেশনে কোন ট্রেন কেন থামে তার বিস্তারিত তালিকা নিচে প্রদান করা
হলোঃ
- আখাউড়া জংশনঃ বড় রেল জংশন সিগন্যাল ক্রসিং ও যাত্রীদের জরুরি ওঠানামার জন্য থামে।
- শায়েস্তাগঞ্জঃ হবিগঞ্জ জেলার মূল পয়েন্ট পর্যটক ও স্থানীয় যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য বিরতি দেয়।
- শ্রীমঙ্গলঃ চায়ের রাজধানী চা বাগান ও পর্যটন এলাকায় আসা দর্শনার্থীদের জন্য থামে।
- কুলাউড়া জংশনঃ মৌলভীবাজারের প্রধান জংশন বড়লেখা ও মাধবকুণ্ডগামী যাত্রীরা এখানে নামেন।
- মাইজগাঁওঃ সিলেটের আগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন স্থানীয় মানুষের যাতায়াতের প্রধান স্টপেজ।
ট্রেন যখন আখাউড়া বা শ্রীমঙ্গলের মতো বড় স্টেশনগুলোতে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে,
তখন প্ল্যাটফর্মের আবহাওয়া সম্পূর্ণ বদলে যায়। বিশেষ করে স্টেশনের গরম চা বা
ঝালমুড়ির স্বাদ নিতে একটু রিফ্রেশ হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। তবে মনোযোগ রাখতে
হবে, ট্রেন ছাড়ার সময় খুব বেশি পাওয়া যায় না, তাই কোচের নিকটে থেকেই স্টেশনের
পরিবেশ উপভোগ করা বুদ্ধি সম্পন্ন।
এই যাত্রা পথে কোন ট্রেনটি আপনার জন্য?
কুমিল্লা থেকে সিলেট যাওয়ার জন্য কোন ট্রেনটি আপনার জন্য শ্রেষ্ঠ হবে তা আপনার
পছন্দ ও সুবিধার ওপর নির্ভর করবে। যদি আপনি দিনের আলোতে রূপসী বাংলার প্রাকৃতিক
দৃশ্য উপভোগ করতে চান, তবে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস (৭১৯) আপনার জন্য আদর্শ হবে।
সকাল ১০ঃ২৮ মিনিটে কুমিল্লা ছাড়ার পর এই ট্রেনটি দুপুর ৩ঃ৫৫ মিনিটে সিলেটে গিয়ে
পৌঁছায়। বিশেষ করে আখাউড়া পার হওয়ার পর জানালার বাইরে বিস্তীর্ণ সবুজ চা বাগান,
পাহাড়ের ঢাল আর গ্রামের পরিচিত দৃশ্যগুলো দেখে যাত্রার ক্লান্তি এক মুহূর্তে
মিলিয়ে যায়।
যারা কম খরচে কিংবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দিনের বেলা আরামে প্রকৃতির
সান্নিধ্য উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য সকালের পাহাড়িকা এক্সপ্রেস হবে সেরা
অপশন।অন্যদিকে, যদি আপনার লক্ষ্য হয় সম্পূর্ণ সময় না বাঁচিয়ে রাতে ঘুমের
মাধ্যমে সফর সম্পন্ন করা, তাহলে উদয়ন এক্সপ্রেস (৭২৩) নির্বাচন করলে সবচেয়ে
ভালো হবে। এই ট্রেনটি রাত ১২ঃ১২ মিনিটে কুমিল্লা স্টেশন ত্যাগ করে এবং সকাল
০৫:৪৫ মিনিটে সিলেটে পৌঁছে।
রাতে ট্রেনের মধ্যে নিজের আসনে বা এসি কেবিনে আরামে ঘুমিয়ে পড়ুন, এবং যখন চোখ
খুলবেন, দেখবেন সিলেট শহরের সুন্দর সকাল আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছে! এতে আপনার
সারাদিনের কর্মঘণ্টা নষ্ট হবে না এবং সিলেটে পৌঁছেই সতেজ হয়ে পুরো দিন ঘুরে
বেড়ানোর চমৎকার সুযোগ পাবেন। তাই এক কথায় দিনের দৃশ্যের জন্য পাহাড়িকা এবং
রাতের নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের জন্য উদয়ন এক্সপ্রেসই আপনার সঠিক সঙ্গী। আশা করি
সম্পূর্ণ বিষয়ে আপনাকে সুন্দর ভাবে বুঝাতে পেরেছি।
সিলেট থেকে কুমিল্লা ফেরত আসার সময়সূচী?
সিলেটে সুন্দর দিনগুলো অতিবাহিত করে প্রিয় শহর কুমিল্লায় ফিরে আসার জন্য
প্রস্তুতি নিচ্ছেন কি? দীর্ঘ এই যাত্রাপথে কিছুটা আরামদায়কভাবে, ঝামেলা ছাড়া
পৌঁছাতে ট্রেনের বিকল্প নেই। জানালায় তাকিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে
করতে সময় কিভাবে চলে যাবে বুঝতেই পারবেন না! আপনার ফিরে আসার পথকে সহজ করতে
নিচে একটি ছোট টেবিলে সব তথ্য উপস্থাপন করা হলোঃ
| ট্রেন | ছাড়বে | পৌঁছাবে | ছুটি |
|---|---|---|---|
| পাহাড়িকা (৭২০) | ১০:৩০ AM | ০৪:১৩ PM | বুধবার |
| উদয়ন (৭২৪) | ১০:০০ PM | ০৩:০৩ AM | রবিবার |
মোবাইলে দেখার সুবিধার্থে তথ্যগুলো সংক্ষিপ্ত করে তুলে ধরেছি, চাইলে একটা
স্ক্রিনশট নিয়ে রেখে দিতে পারেন। স্টেশনে হুড়োহুড়ি এড়াতে ট্রেন ছাড়ার
অন্তত ৩০ মিনিট আগেই গিয়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন। আপনার কুমিল্লায় ফেরার
যাত্রা অনেক আরামদায়ক ও নিরাপদ হোক।
কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের অনলাইন টিকিট?
কুমিল্লা থেকে সিলেটগামী ট্রেনের টিকিট এখন সহজেই বাংলাদেশ রেলওয়ের
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অথবা ‘Rail
Sheba’ অ্যাপ ব্যবহার করে অনলাইনে কেনা সম্ভব। এর জন্য আপনার এনআইডি (NID) ও
মোবাইল নম্বর দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। টিকিট কাটার নির্দিষ্ট দিনে
অ্যাপে ঢুকে আপনার যাত্রার তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন ‘Comilla’ ও গন্তব্য
‘Sylhet’ নির্বাচন করে পাহাড়িকা অথবা উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের আসন নির্বাচন
করলেই কাজ শেষ।
পছন্দের আসন নির্বাচন করার পর বিকাশ, নগদ, রকেট অথবা যেকোনো ডেবিট/ক্রেডিট
কার্ড ব্যবহার করে সহজেই টিকিটের অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন। পেমেন্ট সম্পন্ন হলে
আপনার ইমেইলে ও অ্যাপে একটি ডিজিটাল টিকিট (E-Ticket) পাঠানো হবে। ট্রেন
ভ্রমণের সময় এই ডিজিটাল ই-টিকিট দেখালেই হবে, কিন্তু সুবিধার্থে মোবাইলে
টিকিটের পিডিএফ (PDF) ফাইলটি ডাউনলোড করে রাখা উচিত। আশা করি আপনি বিষয়টা
বুঝতে পেরেছেন।
আর এখনো যদি বিষয়টা বুঝতে না পারেন
এখানে ক্লিক করুন। এখানে আমি আরো সুন্দরভাবে বিষয়টা বুঝিয়ে দিয়েছি। আপনার যদি এ বিষয়ে
একেবারে শূন্য ধারণা থাকে। তাও আপনি খুব সহজে বাসাতে বসে অনলাইনে নিজের টিকিটটি
কাটতে পারবেন। তাই আপনি যদি একেবারে নতুন হয়ে থাকেন এ বিষয়ে কোনো ধারণা না
থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই গিয়ে লেখাটি পড়ে আসতে পারেন।
কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের দূরত্ব ও মোট সময়?
কুমিল্লা থেকে সবুজ পাহাড়ের দেশ সিলেটে ট্রেনের এই যাত্রাটি কেবল এক স্টেশন
থেকে অন্য স্টেশনে যাওয়া নয়, এটি একটি অভূতপূর্ব রোমাঞ্চকর পথ চলা প্রায় ২৩২
কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথে ট্রেনের জানালার পাশে বসে বাইরের দৃশ্য দেখলে মন ভালো
হয়ে যায়। সবুজের সমারোহ আর বেঁকে-বেড়ে চলা রেললাইন দেখতে দেখতে কিভাবে ৫ ঘণ্টা
৩০ মিনিট থেকে ৬ ঘণ্টা সময় গড়িয়ে যাবে।
তা বোঝার সুযোগই মিলবে না!বিশেষ করে সিলেটগামী আমাদের দুই জনপ্রিয় আন্তঃনগর
ট্রেন 'পাহাড়িকা এক্সপ্রেস' এবং 'উদয়ন এক্সপ্রেস'। যখন ট্রেনটি ঝিকঝিক শব্দ
করতে করতে রেলপথ ধরে চলতে থাকবে, তখন আপনার মনে হবে দৈনন্দিন চাপকে পেছনে ফেলে
কোনো রূপকথার জগতে চলে যাচ্ছেন। যদি কোনো তাড়াহুড়ো বা অতিরিক্ত সমস্যা না থাকে,
তবে ঠিক পাঁচ ঘণ্টা এবং আধা ঘণ্টার মাথায় সিলেট আপনাকে অভ্যর্থনা জানাতে
প্রস্তুত থাকবে।
এসএমএস এর মাধ্যমে ট্রেনের লাইভ লোকেশন?
স্টেশনে দাঁড়িয়ে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করা কিংবা চলন্ত ট্রেনের ওই জানালার
পাশে বসার অনুভূতিটা যে কী অদ্ভুত সুন্দর, তা বলে বোঝানো অসম্ভব! মোবাইলে
নেটওয়ার্ক থাকুক বা না থাকুক, খুব সহজে একটা সাধারণ এসএমএস (SMS) পাঠিয়েই
আপনি জেনে নিতে পারবেন আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে নিয়ে আসা ট্রেনটি ঠিক এখন
কোথায় রূপ ছড়িয়ে ছুটে চলেছে। এজন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে বড় হাতের অক্ষরে লিখবেন
TR লিখে একটা স্পেস দিয়ে আপনার ট্রেন নম্বর বা কোড (যেমন: TR 720 বা TR
PAHARIKA), ব্যস এবার পাঠিয়ে দিন ১৬৩১৮ নম্বরে।
মেসেজটা পাঠানোর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার ফোনে একটা সুন্দর উত্তর চলে
আসবে। যেন দূর থেকে কেউ আপনাকে কানে কানে বলে দিয়ে গেল আপনার বহু কাঙ্ক্ষিত
ট্রেনটি এখন ঠিক কোন স্টেশনে জিরোচ্ছে, এরপর কোথায় যাবে, আর কতটুকুই বা বাকি
আপনাকে এসে ছুঁয়ে দিতে! ভ্রমণের এই ব্যাকুল মিষ্টি অপেক্ষায় এইটুকু ছোট্ট
তথ্য যেন একচিলতে স্বস্তি এনে দেয় মনে।
আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা?
কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী জানা থাকলে আপনার পুরো ভ্রমণের
পরিকল্পনাটাই একদম সহজ আর আরামদায়ক হয়ে যায়। সত্যি বলতে, নিজের অভিজ্ঞতা থেকে
বলছি পাহাড়, চা-বাগান আর সবুজের বুকে যখন ট্রেনটি এঁকেবেঁকে ছুটে চলে, তখন
জানালার পাশে বসে থাকার আনন্দটাই আলাদা। আপনারা যাতে কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই
একটি নিখুঁত ও স্মৃতিমধুর ভ্রমণের আনন্দ নিতে পারেন, সে কথা মাথায় রেখেই
আজকের এই তথ্যগুলো গুছিয়ে তুলে ধরা।
কুমিল্লা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী ধরে ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিলে আমার পরামর্শ
থাকবে, টিকিটটা সবসময় একটু আগেই কেটে রাখবেন এবং ট্রেন ছাড়ার অন্তত ২০-৩০
মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছে যাবেন। এতে শেষ মুহূর্তের হুড়োহুড়ি এড়িয়ে শান্তিমনে
নিজের সিটে বসে যাত্রার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে পারবেন। আশা করি, আমার এই
ছোট ছোট অভিজ্ঞতা আর দেওয়া তথ্যগুলো আপনার জার্নিটাকে আরও অনেক
স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে।ভ্রমণ হোক আনন্দময় ও রোমাঞ্চকর! প্রযুক্তি, ব্লগিং
এবং প্রয়োজনীয় সব তথ্য ও সেরা গাইডলাইন পেতে সবসময়
(ইনফোনেস্ট আইটি)-এর সাথেই থাকুন!



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url