ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী, ভাড়া ও ছুটি (আপডেট ২০২৬)
ঢাকা টু বগুড়া এবং বগুড়া টু ঢাকা সকল ট্রেনের আপডেটেড সময়সূচী, সাপ্তাহিক
ছুটি, আসনভেদে ভাড়ার তালিকা ও অনলাইনে টিকিট কাটার সহজ নিয়ম জানুন এক পেজে
খুব সুন্দর ওগোছালোভাবে পেয়ে যাবেন।
এখানে প্রত্যেকটা বিষয়ে আমি অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। যা
আপনি একবার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়লে। আশা করি এ বিষয়ে আপনার
মনে থাকা সকল প্রশ্নের উত্তর খুব সহজে পেয়ে যাবেন।
পেজ সূচীপত্রঃ ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী, ভাড়া ও ছুটি জানুন।
- ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী ও ছুটি
- ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের ভাড়ার তালিকা
- ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের বিরতি স্টেশন
- যাত্রা পথে কোন ট্রেনটি আপনার জন্য সেরা
- বগুড়া থেকে ঢাকা ফেরত আসার সময়সূচী
- অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট কাটার নিয়ম
- যাত্রা সুন্দর করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রিপস
- এসএমএসের মাধ্যমে ট্রেনের লাইভ লোকেশন
- এ বিষয়ে যাত্রীদের করা কিছু প্রশ্ন উত্তর
- আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা
ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী ও ছুটি
ঢাকা থেকে বগুড়া যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? তবে ট্রেনের যাত্রা শুরুর আগে ঢাকা টু
বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী জেনে নেওয়া খুবই জরুরি। ঢাকা থেকে প্রতিদিন নিয়মিত ৩টি
আন্তঃনগর ট্রেন বগুড়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সড়কপথের যানজট এড়াতে ট্রেনের
আরামদায়ক সফরই সেরা। তবে সঠিক সময় ও ট্রেনের ছুটির বার না জানলে শেষ মুহূর্তে
স্টেশনে গিয়ে বিপদে পড়তে হতে পারে। চলুন, আপডেটেড তথ্যগুলো দেখে নিই।
| ট্রেনের নাম | ঢাকা থেকে ছাড়ে | বগুড়া পৌঁছায় | সাপ্তাহিক বন্ধ |
|---|---|---|---|
| বুড়িমারী এক্সপ্রেস (৮০৯) | সকাল ০৮:৩০ | বিকাল ০৩:০০ | সোমবার |
| রংপুর এক্সপ্রেস (৭৭১) | সকাল ০৯:১০ | বিকাল ০৩:৫৬ | রবিবার |
| লালমনি এক্সপ্রেস (৭৫১) | রাত ০৯:৪৫ | ভোর ০৪:৩০ | শুক্রবার |
দিনের আলোতে নদী ও প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে চাইলে সকালের ট্রেন দুটো খুব
সুন্দর। আর রাতে ঘুমিয়ে সময় বাঁচাতে চাইলে রাতের লালমনি এক্সপ্রেস বেছে নিতে
পারেন। তবে টিকিট কাটার আগে অবশ্যই সাপ্তাহিক ছুটির দিনটি ভালোভাবে মিলিয়ে
নেবেন। ছুটির দিনে ট্রেনগুলো বন্ধ থাকে। সঠিক সময়ে স্টেশনে পৌঁছে স্বাচ্ছন্দ্যে
উপভোগ করুন আপনার কাঙ্ক্ষিত উত্তরবঙ্গ ভ্রমণ।
ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের ভাড়ার তালিকা
ভ্রমণের খরচ আগেভাগে গুছিয়ে রাখা মানেই অর্ধেক নিশ্চিন্ত হওয়া! ঢাকা থেকে
বগুড়া ট্রেনের ভাড়ার তালিকা আপনার বাজেট সাজাতে সাহায্য করবে। এই রুটে
যাত্রীদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরির আসন রয়েছে। আপনি কি একদম কম খরচে
আরামদায়ক শোভন চেয়ারে যাবেন, নাকি বাতানুকূল এসি স্নিগ্ধায় আরাম চাবেন সবটাই
আপনার পছন্দের ওপর নির্ভর করবে। চলুন, ভাড়ার সঠিক হিসাবটি দেখে নিই।
| আসনের ধরন | ভাড়ার পরিমাণ (টাকা) |
|---|---|
| শোভন চেয়ার (S_CHAIR) | ৩৯৫ - ৪৭৫ টাকা[cite: 1] |
| স্নিগ্ধা (SNIGDHA) | ৬৬০ - ৯১০ টাকা[cite: 1] |
| এসি সিট (AC_S) | ৭ ৯০ - ১,১ ১০০ টাকা[cite: 1] |
| এসি বার্থ (AC_B) | ১,১৮০ টাকা[cite: 1] |
কম খরচে যাতায়াতের জন্য শোভন চেয়ার বেশ জনপ্রিয় এবং সাশ্রয়ী[cite: 1]। আর গরমের
দিনে কিংবা আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য স্নিগ্ধা বা এসি সিট দারুণ অপশন। তবে বলে
রাখা ভালো, সময়ে সময়ে অনলাইন চার্জ বা রেলওয়ের নীতি অনুযায়ী সামান্য তফাত হতে
পারে। টিকিট কাটার আগে এই ভাড়ার তালিকা মিলিয়ে আপনার পছন্দের আসনটি বেছে নিন।
ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের বিরতি স্টেশন
ঢাকা থেকে বগুড়া যাওয়ার পথে মাঝপথের স্টেশনগুলো দেখার অভিজ্ঞতা সত্যি দারুণ!
ট্রেনের জানালা দিয়ে একের পর এক স্টেশন পার হওয়া আর সেখানকার রূপ দেখা ভ্রমণের
আনন্দ অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়। যাত্রার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিরতি
স্টেশনগুলোর নাম জানা থাকলে যাতায়াতের সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়। চলুন, মূল
স্টেশনগুলো দেখে নিই।
- ঢাকা বিমানবন্দরঃ ঢাকার শেষ সীমানার যাত্রীদের সুবিধার্থে বিরতি কেন্দ্র।
- জয়দেবপুর ও টাঙ্গাইলঃ গাজীপুর ও টাঙ্গাইল এলাকার প্রধান যাত্রাবিরতি।
- শহীদ মনসুর আলী ও উল্লাপাড়াঃ যমুনা সেতু পার হয়ে সিরাজগঞ্জের প্রধান স্টপোজ।
- নাটোর ও সান্তাহারঃ বগুড়ায় ঢোকার আগের শেষ বড় বিরতি স্টেশন।
আপনি যদি মাঝপথের কোনো স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠতে চান, তবে এই স্টপোজগুলোর সময়
খেয়াল রাখা জরুরি। তবে মনে রাখবেন, ট্রেন ভেদে সব স্টেশনে কিন্তু বিরতির সময়
সমান হয় না। তাই ট্রেনে ওঠার জন্য অন্তত ১০ মিনিট আগেই সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে
প্রস্তুত থাকা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
যাত্রা পথে কোন ট্রেনটি আপনার জন্য সেরা
ঢাকা থেকে বগুড়া যাওয়ার তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনের কথা তো শুনলেন, কিন্তু আপনার
মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন উঠছে "ভাই, আমার জন্য আসলে কোন ট্রেনটি নির্বাচন করা সবচেয়ে
উপযুক্ত হবে?" উত্তরটি এক কথায় দেওয়া সহজ নয়, কারণ আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং
সময়ের প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করবে কোন ট্রেনটি আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত
হবে।
বিষয়টিকে আপনার সুবিধার্থে সহজভাবে তুলে ধরি! যদি আপনি প্রথমবার এই রুটে যান
এবং দিনের আলোতে প্রকৃতির জয়জয়কার দেখতে চাইলে, তবে আপনার জন্য সকাল ০৮ঃ৩০
মিনিটের বুড়িমারী এক্সপ্রেস বা ০৯ঃ১০ মিনিটের রংপুর এক্সপ্রেস শ্রেষ্ঠ বিকল্প
হবে। বিশেষ করে যমুনা নদীর ওপর নির্মিত চোখজুড়ানো বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময়
বাইরের রোদ এবং নদীর বিশালতা আপনার মনকে মাতিয়ে দেবে। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে
আড্ডা ও গল্প করতে করতে পুরো যাত্রাপথ কিভাবে অতিক্রম হবে, আপনি বুঝতেই পারবেন
না আশা করি বিষয়টা সুন্দরভাবে বুঝতে পেরেছেন।
বগুড়া থেকে ঢাকা ফেরত আসার সময়সূচী
বগুড়ায় আপনার সব কাজ বা ঘোরাঘুরি শেষ করে এখন ঢাকায় ফেরার সময় এসেছে, তাই তো?
বগুড়া থেকে ঢাকা ফিরে আসার পথটি কিন্তু খুবই সহজ ও নিশ্চিন্ত। যদি সঠিক সময়ে
স্টেশনে উপস্থিত হন, তাহলে কোনো সমস্যা ছাড়াই ঢাকা ফেরার প্রস্তুতি নিতে
পারবেন। তবে মনে রাখবেন, ট্রেনগুলোর ফিরে যাওয়ার সময় এবং ছুটির দিনসমূহ কিছুটা
ভিন্ন থাকে, তাই আগে থেকে ফেরার সময়সূচীটি দেখে নেওয়া উচিত।
| ট্রেনের নাম | বগুড়া থেকে ছাড়ে | ঢাকা পৌঁছায় | সাপ্তাহিক বন্ধ |
|---|---|---|---|
| লালমনি এক্সপ্রেস (৭৫২) | দুপুর ১২:৫১ | সন্ধ্যা ০৭:৪০ | শুক্রবার |
| রংপুর এক্সপ্রেস (৭৭২) | রাত ১০:৪৭ | সকাল ০৬:০৫ | রবিবার |
| বুড়িমারী এক্সপ্রেস (৮১০) | রাত ১২:০৩ | সকাল ০৭:০০ | সোমবার |
আপনি যদি দিনের বেলায় ভালো মেজাজে ফিরতে চান, তবে দুপুরের লালমনি এক্সপ্রেসে
চড়ে সন্ধ্যায় ঢাকা পৌঁছাতে পারবেন। আর রাতে ঢাকায় ফিরে পরবর্তী সকালে কাজ শুরু
করতে চাইলে রাতের রংপুর বা বুড়িমারী এক্সপ্রেস নির্বাচন করাই ভালো হবে। তবে
ট্রেন স্টেশনে আসার কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিট আগে স্টেশনে থাকা উচিত, যাতে তাড়াহুড়ো
করা না হয়।
অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট কাটার নিয়ম
রেললাইনের কাউন্টারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহের দিন এখন
অতীত! আপনি চাইলে বাড়ি থেকেই মোবাইল বা ল্যাপটপ দিয়ে কিছু মিনিটের মধ্যে ঢাকা
থেকে বগুড়ার ট্রেনের টিকিট কিনে নিতে পারেন। এজন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল
ওয়েবসাইট অথবা Rail Sheba অ্যাপে প্রবেশ করতে হবে। আপনার যদি একাউন্ট না থাকে
তবে এনআইডি (NID) ও মোবাইল নম্বর দিয়ে সহজেই একটি ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে
নিন।
এরপর অ্যাকাউন্টে লগইন করে কোথায় যেতে চান (Dhaka to Bogra), কোন তারিখে যেতে
চান এবং কোন সিট বা ক্লাসে যেতে চানসেগুলো নির্বাচন করলে আপনি কাজ সম্পন্ন
করবেন!সিট নির্বাচন করার পর অনলাইন পেমেন্টের জন্য বিকাশ, নগদ, রকেট বা যে কোন
ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। পেমেন্ট
সফল হলে সঙ্গে সঙ্গে আপনার মোবাইল ও ইমেইলে একটি অনলাইন ই-টিকিট (E-Ticket)
পৌঁছাবে। যাত্রার দিন এই ই-টিকিটের কপি মোবাইলে দেখালেই হবে, আলাদা করে প্রিন্ট
বা কাউন্টার থেকে কাগজ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
এভাবে কোনো সংকট ছাড়াই আপনার পছন্দের আসনটি আগে থেকেই বুক করতে পারবেন। আর আপনি
যদি একেবারে নতুন হয়ে থাকেন। এ বিষয়ে আপনার একেবারে শূন্য ধারণা থেকে থাকে।
তাহলে আপনি
এখানে ক্লিক করুন। এরপরে আপনার সামনে একটা আর্টিকেল আসবে। ওইখানে আমি মোবাইল অন করা থেকে শুরু
করে কিভাবে টিকিট কাটার কাজটি সম্পন্ন করবেন তা সম্পূর্ণ সুন্দর করে
স্ক্রিনশট সহকারে দিয়ে দিয়েছি তাই এখনই গিয়ে পড়ে আসতে পারেন।
যাত্রা সুন্দর করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রিপস
আপনার যাত্রা যেন একদম ঝামেলামুক্ত, নিরাপদ আর আরামদায়ক হয়, সেজন্য কিছু ছোট
ছোট বিষয় মাথায় রাখা বেশ জরুরি। ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় শুরুতেই ঢাকা টু
বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী ভালোভাবে দেখে নিয়ে সেই অনুযায়ী টিকিট বুক করে ফেলা
সবচেয়ে ভালো উপায়। ছুটির দিন কিংবা উৎসবের সময় শেষ মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা না
করে কয়েক দিন আগেই ট্রেনের টিকিট কেটে রাখলে একদম নিশ্চিন্ত মনে ভ্রমণের
আনন্দ নেওয়া যায়।
স্টেশনে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সময়জ্ঞান মেনে চলা ট্রেনের সফরের একটি বড় শর্ত।
কারণ এক মিনিটের এদিক-ওদিক হলেই কাঙ্ক্ষিত ট্রেনটি মিস হয়ে যেতে পারে! তাই
ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী মিলিয়ে ট্রেন ছাড়ার অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট
আগে কমলাপুর বা বিমানবন্দর স্টেশনে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন। হাতে খানিকটা
বাড়তি সময় থাকলে তাড়াহুড়ো ছাড়া স্বাচ্ছন্দ্যে নিজের কোচ ও সিট খুঁজে নিয়ে
ট্রেনের আসনে গিয়ে বসতে পারবেন।
অবশেষে যাত্রাপথে আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও খাবারের দিকে একটু নজর রাখুন।
ভ্রমণসূচীর জন্য ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী তো সঙ্গে রাখছেনই, সেই সাথে
প্রয়োজনীয় ওষুধ, পানির বোতল ও হালকা শুকনো খাবার নিজের সাথে রাখা বুদ্ধিমানের
কাজ হবে। বিশেষ করে শিশু বা বয়স্ক সদস্য সাথে থাকলে লাইট স্ন্যাকস খুব কাজে
দেয়। এছাড়া ট্রেন চলাকালীন নিজের মালামাল সাবধানে রাখুন এবং ট্রেনের জানালার
বাইরে হাত বাড়োনো থেকে বিরত থাকুন।
এসএমএসের মাধ্যমে ট্রেনের লাইভ লোকেশন
স্টেশনে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা বা ট্রেনটি এখন ঠিক কোথায় আছে তা নিয়ে
উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই! বাংলাদেশ রেলওয়ের মেসেজ সার্ভিস ব্যবহার করে
আপনার সাধারণ ফোন দিয়েই কয়েক সেকেন্ডে ট্রেনের সঠিক লাইভ লোকেশন (বর্তমান
অবস্থান) জানতে পারেন। ট্র্যাকিং মেসেজ পাঠানোর পদ্ধতি খুবই সহজ আপনার মোবাইলে
মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন TR লিখে একটি স্পেস দিয়ে আপনার ট্রেনের নম্বর
উল্লেখ করুন (যেমনঃ TR 809), পরে পাঠান 16318 নম্বরে।
ধরি, আপনি সকাল বুড়িমারী এক্সপ্রেস (৮০৯) ট্রেনে যাচ্ছেন বা কাউকে আনতে স্টেশনে
যাচ্ছেন। ট্রেনটি ঠিক সময়ে আসছে কি না অথবা পথের কোথাও আটকা আছে কিনা জানার
জন্য মোবাইলে লিখুন: TR 809 এবং পাঠান 16318 নম্বরে। কিছু সেকেন্ডের মধ্যেই
ফিরতি মেসেজে ট্রেনটি কোন স্টেশনে অবস্থান করছে, পরবর্তী স্টেশন কোনটি এবং কত
মিনিট দেরিতে চলছে এর সব তথ্য আপনার স্ক্রীনে দেখা যাবে! এভাবে খুব সহজে যেকোনো
সমস্যা ছাড়াই সঠিক আপডেট পেয়ে যাবেন।
এ বিষয়ে যাত্রীদের করা কিছু প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে বগুড়া ট্রেনের দূরত্ব কত?
- উত্তরঃ দূরত্ব আনুমানিক ২২৯ কিলোমিটার।
প্রশ্নঃ ট্রেনে পৌঁছাতে কত সময় লাগে?
- উত্তরঃ আনুমানিক ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা লাগে।
প্রশ্নঃ এই রুটে কোনো মেইল বা লোকাল ট্রেন আছে?
- উত্তরঃ না, শুধুমাত্র আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে।
প্রশ্নঃ ট্রেনের টিকিট কত দিন আগে পাওয়া যায়?
- উত্তরঃ সাধারণত যাত্রার ১০ দিন আগে থেকে টিকিট কেনা যায়।
প্রশ্নঃ শিশুদের জন্য কি টিকিট লাগবে?
- উত্তরঃ ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য টিকিট কাটতে হয়।
আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা
ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী জেনে নিয়ে সঠিক পরিকল্পনা করে ভ্রমণ করা
আমার নিজের অভিজ্ঞতায় সবচেয়ে আরামদায়ক ও বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে হয়েছে। আমি
নিজে যখনই ট্রেনে বগুড়ায় গিয়েছি, আগে থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সিট বুকিং করে
নেওয়াতে আমাকে স্টেশনের ভিড়ে কিংবা শেষ মুহূর্তের টিকিটের ঝামেলায় একদমই পড়তে
হয়নি। বিশেষ করে দিনের আলোতে স্নিগ্ধা বা এসি সিটে বসে জানালা দিয়ে বাইরের
রূপ দেখতে দেখতে যাত্রা করার অনুভূতিই আলাদা, তাই আপনাকেও বলবো অনলাইনেই
নিজের পছন্দমতো সিট বুক করে নিশ্চিন্তে ট্রেনের পথ ধরুন।
ঢাকা টু বগুড়া ট্রেনের সময়সূচী মেনে ট্রেন ছাড়ার অন্তত ২০-৩০ মিনিট আগে
স্টেশনে পৌঁছে যাওয়াটা আমার ভ্রমণের সবচেয়ে বড় সাফল্যের চাবিকাঠি। এছাড়া
ট্রেনের লাইভ লোকেশন জানতে এসএমএস ট্র্যাকিং সার্ভিস ব্যবহার করলে স্টেশনে
অপ্রয়োজনীয় অপেক্ষা একেবারেই কমে যায়, যা আমি নিজে সবসময় কাজে লাগাই। আশা
করি, আমার এই ছোট্ট অভিজ্ঞতা ও পরামর্শগুলো আপনার ঢাকা থেকে বগুড়ার ট্রেন
ভ্রমণকে আরও আনন্দময়, নিরাপদ ও স্মরনীয় করে তুলবে।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url