ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের সময়সূচী, টিকিটের সঠিক ভাড়া ও বন্ধের দিন জানুন। ২০২৬ সালের আপডেটেড সময়সূচী, লাইভ ট্র্যাকিং ও অনলাইন টিকিট কাটার সহজ নিয়ম।
ঢাকা-টু-জয়পুরহাট-ট্রেনের-সময়সূচী
তাই আপনার যাত্রা কে সুন্দর ও ঝামেলা মুক্ত করার জন্য এ সকল তথ্য পেয়ে যাবেন একই পেজে। তাই এ আর্টিকেলটা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন আপনার কাঙ্খিত প্রশ্নের সকল সমাধান এখানেই।

পেজ সূচিপত্রঃ ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের সময়সূচী?

ঢাকা (কমলাপুর ও বিমানবন্দর) থেকে জয়পুরহাট রুটে বর্তমানে ৬টি আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত যাতায়াত করে। আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনা সহজ করতে নিচে ২০২৬ সালের বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক হালনাগাদকৃত ট্রেনের সময়সূচী, পৌঁছানোর সময় এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছক আকারে উপস্থাপন করা হলো। চলুন এক নজরে দেখে নি ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের সময়সূচীঃ
ট্রেনের নাম ও নম্বর ঢাকা ছাড়ে পৌঁছায় ছুটির দিন
একতা এক্সপ্রেস (৭০৫) ১০ঃ১৫ AM ০৪ঃ৪৯ PM নেই
নীলসাগর এক্সপ্রেস (৭৬৫) ০৬ঃ৪৫ AM ০১ঃ১১ PM সোমবার
চিলাহাটি এক্সপ্রেস (৮০৫) ০৫ঃ০০ PM ১১ঃ৪১ PM শনিবার
দ্রুতযান এক্সপ্রেস (৭৫৭) ০৮ঃ০০ PM ০২ঃ০৬ AM নেই
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (৭৯৭) ০৮ঃ৪৫ PM ০২ঃ৫২ AM বুধবার
পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৩) ১১;৩০ PM ০৫ঃ১৬ AM নেই
জাতীয় ছুটি বা বিশেষ কোনো কারণে ট্রেনের সময়সূচীতে সাময়িক পরিবর্তন আসতে পারে। তাই ভ্রমণের দিন স্টেশনে যাওয়ার আগে কিংবা টিকিট কাটার সময় সময়সূচী পুনরায় নিশ্চিত হয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আপনি চাইলে মোবাইল থেকে এসএমএস (SMS)-এর মাধ্যমেও আপনার ট্রেনের লাইভ লোকেশন জেনে নিতে পারেন। বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।

ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের ভাড়ার তালিকা?

ঢাকা টু জয়পুরহাট রুটে যাতায়াতকারী প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনে বেশ কয়েক ধরণের আসন ব্যবস্থা রয়েছে। আপনার বাজেট ও ভ্রমণের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক নির্ধারিত আসনভিত্তিক আপডেটেড ভাড়ার তালিকা নিচে তুলে ধরা হলোঃ
আসন বিভাগ (Seat Class) কাউন্টার ভাড়া অনলাইন চার্জসহ
শোভন চেয়ার (Shovan Chair) ৪৬৫ টাকা ৪৮৫ টাকা
স্নিগ্ধা (AC Chair) ৮৯২ টাকা ৯১২ টাকা
১ম সিট / ১ম বার্থ ৭৭৫ টাকা ৭৯৫ টাকা
এসি সিট (AC Seat) ১,০৭০ টাকা ১,০৯০ টাকা
এসি বার্থ (AC Berth) ১,৫৯৯ টাকা ১,৬১৯ টাকা
কোন সিটটি বেছে নেবেন তা নির্ভর করছে আপনার ভ্রমণের ধরণ ও বাজেটের ওপর। আপনি যদি একাকী ভ্রমণ করেন কিংবা শিক্ষার্থী হন, তবে বাজেটের মধ্যে জানালার ধারের বাতাস উপভোগ করতে শোভন চেয়ার সেরা। পরিবার নিয়ে বা গরমের দিনে একটু শান্তিতে যাতায়াত করতে চাইলে স্নিগ্ধা (AC Chair) বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।রাতের যাত্রায় ঘুমিয়ে আরাম চাইলে এসি বার্থ অনন্য।

জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী (ফিরতি)?

জয়পুরহাট থেকে ঢাকায় ফেরার যাত্রায় সঠিক ট্রেন বেছে নেওয়া বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কাজের চাপ কিংবা গন্তব্যের সুবিধার কথা ভেবে অনেকেই দিন বা রাতের বিভিন্ন শিফটের ট্রেন পছন্দ করেন। যাত্রীদের সুবিধার্থে জয়পুরহাট স্টেশনে ট্রেনের আগমন, ঢাকায় পৌঁছানোর সময় এবং অফ-ডে সম্পর্কিত ২০২৬ সালের হালনাগাদ তথ্য নিচে ছক আকারে দেওয়া হলোঃ
ট্রেনের নাম (Train Name) জয়পুরহাট ছাড়ার সময় ঢাকা পৌঁছানোর সময় ছুটির দিন (Off Day)
একতা এক্সপ্রেস (706) রাত ০১ঃ২১ মিঃ সকাল ০৭ঃ২০ মিঃ নেই (প্রতিদিন)
চিলাহাটি এক্সপ্রেস (806) সকাল ০৮ঃ৩৫ মিঃ দুপুর ০২ঃ৫৫ মিঃ শনিবার
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (798) সকাল ১০ঃ৪৫ মিঃ বিকাল ০৫ঃ০৫ মিঃ মঙ্গলবার
দ্রুতযান এক্সপ্রেস (758) সকাল ১১ঃ৫৬ মিঃ সন্ধ্যা ০৬ঃ৫৫ মিঃ নেই (প্রতিদিন)
পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (794) বিকাল ০৪ঃ১৬ মিঃ রাত ১০ঃ১০ মিঃ নেই (প্রতিদিন)
নীলফামারী (নীলসাগর) এক্সপ্রেস (766) রাত ১০ঃ৪৬ মিঃ সকাল ০৫ঃ২৫ মিঃ মঙ্গলবার
জয়পুরহাট স্টেশন থেকে ঢাকাগামী ট্রেনগুলোতে সাধারণত যাত্রীদের বেশ ভিড় থাকে। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে সরাসরি কাউন্টারে টিকেট পাওয়া বেশ কঠিন। তাই ঝামেলামুক্ত ভ্রমণ নিশ্চিত করতে যাত্রার অন্তত ৩ থেকে ৪ দিন আগেই বাংলাদেশ রেলওয়ে অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে টিকেট কেটে রাখা ভালো। তাহলে আপনাকে বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হবে না আপনার যাত্রা হবে সুন্দর।

ঢাকা টু জয়পুরহাট  প্রধান বিরতি স্টেশনসমূহ?

ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেন যাত্রায় যাত্রীদের সুবিধার জন্য ট্রেনগুলো যাত্রাপথের বেশ কয়েকটি প্রধান স্টেশনে সংক্ষিপ্ত বিরতি দেয়। আপনি যদি ঢাকা ছাড়া মধ্যবর্তী কোনো স্টেশন (যেমনঃ বিমানবন্দর, টাঙ্গাইল বা নাটোর) থেকে ট্রেনে উঠতে চান, তবে নিচের বিরতি স্টেশনগুলোর তালিকা দেখে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। চলুন আমরা পর্যায়ক্রমে সেগুলা দেখে নি।

১. ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন 
২. জয়দেবপুর জংশন 
৩. টাঙ্গাইল রেলওয়ে স্টেশন 
৪. বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব/পশ্চিম 
৫. শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন 
৬. উল্লাপাড়া / বড়ালব্রীজ 
৭. নাটোর রেলওয়ে স্টেশন 
৮. আহসানগঞ্জ স্টেশন (আত্রাই) 
৯. সান্তাহার জংশন 
১০. আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশন 
১১. জয়পুরহাট রেলওয়ে স্টেশন (গন্তব্য)

মনে রাখবেন, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস এবং একতা এক্সপ্রেসের মতো দ্রুতগামী ট্রেনগুলো মধ্যবর্তী ছোট স্টেশনগুলোতে খুব অল্প সময় (২-৫ মিনিট) বিরতি দেয়। তাই আপনার পছন্দসই বিরতি স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠার অন্তত ১৫-২০ মিনিট আগে স্টেশনে উপস্থিত থাকা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার সহজ ধাপ?

২০২৬ সালে এসেও আপনি যদি সেই আগের মত লাইনে ধরে কষ্ট করে নিজের টিকিটটা কাটেন।তাহলে এখনো আপনি বোকা স্বর্গে বাস করছেন। কারণ বর্তমানে আপনি কোন ঝামেলা ছাড়াই বাসাতে বসেই খুব সহজেই আপনার টিকিটটা অনলাইনের মাধ্যমেই কাটতে পারেন। কিন্তু টিকিটটা কিভাবে কাটবেন বুঝতে পারছেন না সমস্যা নেই আমি আপনাকে সুন্দরভাবে ধাপে ধাপে বিষয়টা বুঝিয়ে দিচ্ছি।
ঢাকা-টু-জয়পুরহাট-ট্রেনের-সময়সূচী
বাংলাদেশ রেলওয়ে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে বা রেল সেবা অ্যাপের মাধ্যমে আপনার টিকিট কনফার্ম করতে পারেন। আমি আপনাকে দেখিয়ে দিচ্ছি কিভাবে রেল সেবা অ্যাপ এর মাধ্যমে আপনি আপনার টিকিটটা কাটতে পারেন। এর জন্য প্রথমে প্রথমেই আপনার ফোনের Google Play Store (অ্যান্ড্রয়েড হলে) বা App Store (আইফোন হলে) ঢুকে সার্চ বারে লেখো ‘Rail Sheba’। তারপর প্রথমে যে অ্যাপটি আসবে সে অ্যাপটির আপনি ইন্সটল করুন। তারপরে রেজিস্ট্রেশন করুন।
আপনার যদি আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করা থাকে তাহলে মোবাইল নম্বর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। তারপরে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে অনলাইনে টিকিটটা কনফার্ম করুন। আপনি যদি শুরু থেকে একেবারে শেষ পর্যন্ত কিছুই না বুঝে থাকেন বা এখনো অনলাইনে টিকিট কাটতে না পারেন তাহলে এই লিংকে ক্লিক করুন আমি এখানে মোবাইল ওপেন করা থেকে শুরু করে কিভাবে টিকিট কাটবেন দেখিয়ে দিয়েছি সুন্দরভাবে। যা পড়লে আপনি সহজেই টিকিট কাটতে পারবেন।

কোন ট্রেনটি আপনার ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে ভালো?

আপনি যদি খুব কম সময়ে এবং কম বিরতিতে পৌঁছাতে চান, তবে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস এক কথায় সেরা। এটি একটি প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির ডিরেক্ট ট্রেন, তাই মাঝপথে স্টেশন বিরতির ঝক্কি-ঝামেলা অনেক কম থাকে।দিনের আলোয় উত্তরবঙ্গের সবুজ প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং যমুনা সেতুর ওপর ট্রেন চলার দৃশ্য উপভোগ করতে চাইলে সকালে একতা বা নীলসাগর এক্সপ্রেসে উঠতে পারেন। এদের সার্ভিস যথেষ্ট উন্নত এবং সময়সূচীও বেশ নিখুঁত। যা আপনার সকালের জার্নিকে সুন্দর করবে। 

সারাদিন কাজকর্ম শেষে রাতে ট্রেনে উঠে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়তে চাইলে রাতের দ্রুতযান বা নীলসাগর এক্সপ্রেস আপনার জন্য আদর্শ। বিশেষ করে এসি বার্থ বা স্নিগ্ধা সিট নিলে রাতে বেশ আরামদায়ক ঘুম হয় এবং সকালে একদম সতেজ অবস্থায় জয়পুরহাট বা ঢাকায় পৌঁছানো যায়।আর আপনি যদি কম খরচে এবং বাজেটের মধ্যে আরামদায়ক সফর করতে চান, তবে চিলাহাটি বা কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের শোভন চেয়ার সিট বেছে নিতে পারেন। 
শিক্ষার্থী বা একা ভ্রমণকারীদের জন্য এগুলো খুবই অর্থনৈতিক ও জনপ্রিয় একটি পছন্দ।আপনি যে ট্রেনেই যান না কেন, চেষ্টা করবেন যাত্রার অন্তত ৩-৪ দিন আগেই অনলাইন থেকে টিকেট নিশ্চিত করতে। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হুট করে টিকেট পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।

এসএমএস (SMS)-এর মাধ্যমে ট্রেনের লাইভ লোকেশন?

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর কিংবা দেশের যেকোনো রুটের ট্রেনের লাইভ লোকেশন জানার জন্য দুটো সহজ উপায় আছে একটি হচ্ছে মোবাইলের সাধারণ SMS-এর মাধ্যমে।স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট কানেকশন না থাকলেও খুব সহজে যেকোনো সাধারণ বাটন ফোন দিয়ে ট্রেনের বর্তমান অবস্থান জেনে নেওয়া যায়। এর জন্য প্রথমে আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে (Message Option) গিয়ে টাইপ করুন TR লিখে একটি স্পেস দিয়ে আপনার ট্রেনের নম্বর বা নাম (যেমনঃপঞ্চগড় এক্সপ্রেস (794))। 

এরপর মেসেজটি পাঠিয়ে দিন 16318 নম্বরে।মেসেজটি পাঠানোর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার ফোনে একটি ফিরতি এসএমএস চলে আসবে। সেই মেসেজে ট্রেনটি এই মুহূর্তে ঠিক কোন স্টেশনে অবস্থান করছে, পরবর্তী স্টেশন কোনটিট্রেনটি কতটা বিলম্বে চলছে তার স্পষ্ট বিবরণ দেখতে পাবেন।

ঢাকা থেকে জয়পুরহাট ট্রেন যাত্রার দূরত্ব ও ভ্রমণের সময়?

ঢাকা থেকে জয়পুরহাট রুটে রেলপথে মোট দূরত্ব প্রায় ২৪০ থেকে ২৫০ কিলোমিটার। আপনি কোন ট্রেনে যাতায়াত করছেন তার ওপর ভিত্তি করে ভ্রমণের সময় কিছুটা তারতম্য হতে পারে। সাধারণত আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে ঢাকা থেকে জয়পুরহাট পৌঁছাতে আনুমানিক ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা সময় লাগে। তবে পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের মতো নন-স্টপ বা প্রিমিয়াম ট্রেনের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা কম (প্রায় পৌনে ৬ ঘণ্টা থেকে ৬ ঘণ্টা) লাগে, আর অন্যান্য লোকাল বা নিয়মিত বিরতির ট্রেনের ক্ষেত্রে সাড়ে ৭ ঘণ্টার মতো সময় লেগে যেতে পারে
ঢাকা-টু-জয়পুরহাট-ট্রেনের-সময়সূচী
আমার দীর্ঘ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে বলব, নতুন নির্মিত রেলসেতু চালুর পর থেকে এই রুটে ট্রেনের গতি ও শিডিউল আগের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভুল ও মসৃণ হয়েছে। তবে ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় ট্রেনের নিজস্ব বিরতি এবং যমুনা নদী পারাপারের অংশটুকু মাথায় রাখা ভালো। আপনি যদি কাজের প্রয়োজনে দ্রুত পৌঁছাতে চান, তবে পঞ্চগড় বা একতা এক্সপ্রেস বেছে নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে, যা কোনো ঝামেলা ছাড়াই আপনাকে সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেবে।

এ বিষয়ে যাত্রীদের করা কিছু সাধারণ প্রশ্ন উত্তর?

১. প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে জয়পুরহাট ট্রেন টিকিট অনলাইনে কীভাবে কাটা যায়?
উত্তর: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (railway.gov.bd) বা Rail Sheba অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই ঢাকা থেকে জয়পুরহাট ট্রেন টিকিট কাটা যায়।

২. প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে জয়পুরহাট ট্রেনে এসি সিটের সুযোগ আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, এই রুটের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে স্নিগ্ধা (AC Chair), এসি সিট,এসি বার্থের সুব্যবস্থা রয়েছে।

৩. প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে জয়পুরহাট ট্রেনের সবচেয়ে সস্তা সিট কোনটি?
উত্তরঃ সবচেয়ে কম খরচে ভ্রমণের জন্য শোভন চেয়ার বেছে নেওয়া সেরা সিদ্ধান্ত।
৪. প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে জয়পুরহাট ট্রেনের লাইভ লোকেশন কীভাবে জানা যায়?
উত্তরঃ মোবাইলের মেসেজ অপশন থেকে TR <ট্রেন নম্বর> লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠালেই ঢাকা থেকে জয়পুরহাট ট্রেন লাইভ ট্র্যাকিং করা যায়।

৫. প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে জয়পুরহাট রুটে কি রাতের ট্রেন রয়েছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ, দ্রুতযান এবং নীলসাগর এক্সপ্রেসের মতো জনপ্রিয় ট্রেনগুলো রাতে ঢাকা ছেড়ে যায়।

এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা?

ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে বিস্তারিত ও নির্ভুল তথ্য জানা থাকলে আপনার উত্তরবঙ্গের এই ভ্রমণটি অনেক বেশি আরামদায়ক এবং ঝামেলামুক্ত হতে পারে। আমার দীর্ঘদিনের ট্রেন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে আমি দেখেছি যে, সঠিক ট্রেন এবং সময় বেছে না নিলে মাঝপথে নানা ধরনের ছোটখাটো ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তাই ঢাকা থেকে জয়পুরহাট যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে আগে থেকেই নিজের সুবিধা এবং বাজেট সঠিক সিট ও সঠিক শিডিউল নির্বাচন করা বুদ্ধিমানের কাজ।

ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের সময়সূচী মেনে চলার পাশাপাশি আমার পরামর্শ থাকবে, আপনি অবশ্যই যাত্রার অন্তত ৩ থেকে ৪ দিন আগেই অনলাইন থেকে টিকেট কেটে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। আমি নিজে বেশ কয়েকবার দেখেছি যে স্টেশনের কাউন্টারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে টিকিট পাওয়ার সুযোগ একদমই থাকে না, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে। এছাড়া ট্রেনে ওঠার পর আপনার সুবিধাজনক স্টপেজ এবং লাইভ লোকেশন এ ট্র্যাক করে রাখলে সতেজ মনে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব।

ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের সময়সূচী এর মত আরো বিভিন্ন স্থানের সময়সূচি ও রেল বিষয়ক তথ্য আপডেট জানতে আমাদের সাথে থাকুন। আপনার যাত্রা শুভ ও নিরাপদ হোক! যেকোনো রেলওয়ে সম্পর্কিত বিশ্বস্ত ও হালনাগাদ তথ্যের জন্য ইনফোনেস্ট আইটির সাথে থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Rifat Mhamud
Md. Rifat Mhamud
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটার ও SEO এক্সপার্ট। ওয়েবসাইট, ব্লগিং, অনলাইন ইনকাম ও প্রযুক্তি নিয়ে নিয়মিত কাজ ও লেখালেখি করি। এই ওয়েবসাইটে আমার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মিত শেয়ার করে থাকি।